ডেস্ক রিপোর্ট: অবরোধ কর্মসূচির জেরে রাঙামাটির জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে যাতায়াতের জন্য নতুন সময়সূচি ঠিক করা হয়েছে। ১১ অক্টোবর নির্দিষ্ট দিনে নিয়মিত দুইবারের পরিবর্তে কেবল দুপুর দুইটায় একবার সরকারি নিরাপত্তা স্কর্ট চালু রাখার সিদ্ধান্ত হয়। এই বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে পাহাড়ি এই এলাকায় আটকে থাকা ভ্রমণপিপাসুরা নিরাপদে নিচে নেমে আসতে পারবেন। একই সঙ্গে নতুন পর্যটকরাও এই স্কর্টের সুরক্ষায় সাজেক ভ্রমণের সুযোগ পাবেন বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।
সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক এস এম জিয়াউল হক গণমাধ্যমকে এই নতুন সময়সূচির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান যে চলমান সড়ক অবরোধের পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই প্রশাসনের সহায়তায় এই সাময়িক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে ওই অঞ্চলে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ শুরু হয়। পূর্বঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ এই অবরোধের ডাক দেওয়ায় পাহাড়ি সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে থমকে যায়।
সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় সাজেকে অবস্থানরত শত শত পর্যটকের নিজ গন্তব্যে ফেরা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, সাজেক ও বাঘাইছড়ি থেকে দীঘিনালাগামী সড়কে বিভিন্ন পয়েন্টে পিকেটাররা অবস্থান নেন। তারা গঙ্গারাম উঁচাবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে তীব্র প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। মূলত এই অবরোধের কারণে পাহাড়ি জনপদে সাধারণ মানুষের যাতায়াত চরম ভোগান্তির মুখে পড়ে।
এর আগে ১১ অক্টোবর সকাল থেকে এই কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়ে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়েছিল। সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব বিজয় কান্তি চাকমার স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই সড়ক অবরোধের কথা জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সার্বিক যোগাযোগ সচল রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় স্কর্ট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।




































