স্বাস্থ্য ডেস্ক: কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ একটি পরামর্শ দিয়েছে। বিভিন্ন কারণে মন খারাপ হলে তা একা চেপে না রেখে বিশ্বাসযোগ্য কারও সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এই ধরনের খোলামেলা কথোপকথন তরুণদের মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে বড় ধরনের সহায়তা করে থাকে।
দৈনন্দিন জীবনে পড়াশোনার বাড়তি চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি কিংবা পারিবারিক নানা বিষয়ের কারণে কিশোরদের মন খারাপ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে পরিবার, বন্ধু কিংবা কোনো স্বাস্থ্যকর্মীর নিকট নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার কথা বলেছে আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি।
মন খারাপের সময় প্রথমে মা-বাবা, ভাই-বোন বা পরিবারের এমন কোনো সদস্যকে বেছে নেওয়া যেতে পারে যার কাছে কথা বলতে স্বস্তি বোধ হয়। এছাড়া কাছের কোনো বন্ধু, শিক্ষক বা অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য বড় মানুষের সঙ্গেও নিজেদের সমস্যাগুলো ভাগ করে নেওয়া সম্ভব। ইউনিসেফও তরুণদের মানসিক চাপ কমাতে বিশ্বস্ত মানুষের কাছে অনুভূতি প্রকাশের এই আহ্বান জানিয়েছে।
কারও সঙ্গে কথা বললেই তাৎক্ষণিকভাবে সব সমস্যার সমাধান মিলবে এমন কোনো কথা নেই, তবে কথা বললে প্রয়োজনের মুহূর্তে সহায়তার সুযোগ তৈরি হয়। দীর্ঘ সময় ধরে কেউ যদি অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন, ক্লান্ত কিংবা অসহায় বোধ করেন, তবে পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া উচিত।
নিজের মনের ভাব বা কষ্টের কথা প্রকাশ করা কোনোভাবেই কোনো দুর্বলতার লক্ষণ নয়, বরং এটি নিজের যত্ন নেওয়ারই একটি কার্যকর উপায়। তাই বিশ্বস্ত ও নিরাপদ কারও কাছে মনের কথা প্রকাশ করে একা থাকার মানসিকতা দূর করা অত্যন্ত জরুরি।






































