ঢাকা ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo রাস্তায় ফেলে যাওয়া দুই শিশুর পাশে স্বপ্ন Logo ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের ৯ শতাংশ নিট মুনাফা বৃদ্ধি Logo সেগুনবাগিচার দেয়ালে যুক্ত হল বেগম রোকেয়া, জীবনানন্দ ও জসীমউদ্‌দীনের প্রতিকৃতি, বাদ সঞ্জীব চৌধুরী Logo বিশ্ব ব্যাংক-আইএমএফের অর্থায়ন নিয়ে ‘কোনো দ্বিধা নেই’: অর্থ উপদেষ্টা Logo অভিবাসন ব্যয় কমানো ও দালালচক্রের বিরুদ্ধে নিতে আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo বাজারের সব সয়াবিন তেল বিশুদ্ধ, কোনো ভারী ধাতু নেই: শিল্পমন্ত্রী Logo ঢাকায় আবাসিক মিশন খুলবে কেনিয়া Logo নোবিপ্রবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo বাকৃবিতে ৩০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপ্তি Logo পাবিপ্রবিতে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে রঙ্গন-সাদিক

স্কুলে ভর্তিতে থাকছে ১৪ শতাংশ কোটা

শিক্ষা ডেস্ক: শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে এবং দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শ্রেণির জন্য সর্বমোট চৌদ্দ শতাংশ কোটা বরাদ্দের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাজধানী ঢাকার সরকারি বিদ্যালয়ে স্থানীয় বা ক্যাচমেন্ট এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য চল্লিশ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।

মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব তানিয়া ফেরদৌসের সই করা এই নীতিমালাটি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। নীতিমালা অনুসারে আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর বয়স সর্বনিম্ন পাঁচ বছর এবং সর্বোচ্চ সাত বছর হতে হবে। বয়স যাচাইয়ের জন্য অনলাইনে জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু বা শিক্ষার্থীরা বয়সসীমায় সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের অতিরিক্ত ছাড় পাওয়ার সুবিধা ভোগ করবে।

নতুন এই নীতিমালায় দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে শুরু করে নবম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি শ্রেণির জন্য সুনির্দিষ্ট বয়সসীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ ১ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। প্রতিটি শ্রেণির একটি নির্দিষ্ট শাখায় সর্বোচ্চ পঞ্চান্ন জন শিক্ষার্থী ভর্তি করার সুযোগ রাখা হয়েছে। প্রবেশশ্রেণি প্রথম শ্রেণি থেকে শুরু করে আসন ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে নবম শ্রেণি পর্যন্ত এই নিয়মের আওতায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

নীতিমালার বিভিন্ন ধারায় কোটা ও আসন সংরক্ষণের বিষয়ে বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য পাঁচ শতাংশ এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের জন্য দুই শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য দুই শতাংশ, সহোদর ভাই-বোনের জন্য তিন শতাংশ এবং যমজ শিশুদের জন্য দুই শতাংশ কোটা নির্ধারিত রয়েছে। এছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ষষ্ঠ শ্রেণিতে দশ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রাখার কথা বলা হয়েছে।

জনপ্রিয়

রাস্তায় ফেলে যাওয়া দুই শিশুর পাশে স্বপ্ন

স্কুলে ভর্তিতে থাকছে ১৪ শতাংশ কোটা

প্রকাশিত ০৮:০৭:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষা ডেস্ক: শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে এবং দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শ্রেণির জন্য সর্বমোট চৌদ্দ শতাংশ কোটা বরাদ্দের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাজধানী ঢাকার সরকারি বিদ্যালয়ে স্থানীয় বা ক্যাচমেন্ট এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য চল্লিশ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।

মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব তানিয়া ফেরদৌসের সই করা এই নীতিমালাটি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। নীতিমালা অনুসারে আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর বয়স সর্বনিম্ন পাঁচ বছর এবং সর্বোচ্চ সাত বছর হতে হবে। বয়স যাচাইয়ের জন্য অনলাইনে জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু বা শিক্ষার্থীরা বয়সসীমায় সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের অতিরিক্ত ছাড় পাওয়ার সুবিধা ভোগ করবে।

নতুন এই নীতিমালায় দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে শুরু করে নবম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি শ্রেণির জন্য সুনির্দিষ্ট বয়সসীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ ১ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। প্রতিটি শ্রেণির একটি নির্দিষ্ট শাখায় সর্বোচ্চ পঞ্চান্ন জন শিক্ষার্থী ভর্তি করার সুযোগ রাখা হয়েছে। প্রবেশশ্রেণি প্রথম শ্রেণি থেকে শুরু করে আসন ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে নবম শ্রেণি পর্যন্ত এই নিয়মের আওতায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

নীতিমালার বিভিন্ন ধারায় কোটা ও আসন সংরক্ষণের বিষয়ে বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য পাঁচ শতাংশ এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের জন্য দুই শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য দুই শতাংশ, সহোদর ভাই-বোনের জন্য তিন শতাংশ এবং যমজ শিশুদের জন্য দুই শতাংশ কোটা নির্ধারিত রয়েছে। এছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ষষ্ঠ শ্রেণিতে দশ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রাখার কথা বলা হয়েছে।