শিক্ষা ডেস্ক: শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এই নীতিমালা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব শ্রেণিতে লিখিত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস এই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন।
নতুন এই নীতিমালায় প্রথম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি শ্রেণিতে ভর্তির জন্য সুনির্দিষ্ট বয়সসীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ অনুসরণে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর বয়স ন্যূনতম পাঁচ বছর থেকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত হতে পারবে। বয়স যাচাইয়ের জন্য অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত অনুলিপি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের বয়সের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্বিতীয় শ্রেণিতে ছয় থেকে আট বছর এবং তৃতীয় শ্রেণিতে সাত থেকে নয় বছর বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া চতুর্থ শ্রেণিতে আট থেকে দশ বছর এবং পঞ্চম শ্রেণিতে নয় থেকে এগারো বছর বয়সী শিশুরা আবেদন করতে পারবে। মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ শ্রেণিতে দশ থেকে বারো বছর, সপ্তম শ্রেণিতে এগারো থেকে তেরো বছর এবং অষ্টম শ্রেণিতে বারো থেকে চৌদ্দ বছর বয়সসীমা রাখা হয়েছে। সর্বশেষ নবম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীর বয়স তেরো থেকে পনেরো বছর হতে হবে।
আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই শিক্ষাবর্ষ কার্যকর থাকবে এবং খালি সাপেক্ষে আসনগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুণগত মান ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে প্রতিটি শ্রেণির নির্দিষ্ট শাখায় সর্বোচ্চ ৫৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে। এই নীতিমালা দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভর্তির ক্ষেত্রে কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে।




































