ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

সংবিধান সংশোধন কমিটিকে জামায়াত কোনো পরামর্শ দেবে না

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানিয়েছেন যে, তাদের দল সংবিধান সংশোধন কমিটিকে কোনো পরামর্শ প্রদান করবে না। সম্প্রতি রাজধানীর মিন্টো রোডে হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতাদের সঙ্গে দলটির আমিরের একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা গণমাধ্যমকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়।

হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে মূলত দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সব নাগরিক যেন দেশের অন্যান্য মানুষের মতো তাদের যথাযথ অধিকার পান, সেটাই তাদের দলের মূল প্রত্যাশা। এ সময় দেশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং সামাজিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

সংবিধান সংশোধনের চলমান প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলতে গিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন যে সরকার যে পদ্ধতি গ্রহণ করেছে তার সঙ্গে জামায়াত একমত পোষণ করে না। বিরোধী দলগুলোর মতামতকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে সরকার যদি সংবিধান সংশোধনের কোনো রকম উদ্যোগ নেয়, তবে দেশের জনগণ তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করবে বলে তিনি সতর্ক করেন।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামায়াতের এই অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সরকারের সংবিধান সংস্কার উদ্যোগের বিপরীতে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা এবং দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হবে, এই বার্তার মাধ্যমে তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দেশের সার্বিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এই সিদ্ধান্ত বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

জনপ্রিয়

৫২ বছর বয়সে স্নাতক ডিগ্রি, কুয়েতে প্রশংসায় ভাসছেন প্রবাসী

সংবিধান সংশোধন কমিটিকে জামায়াত কোনো পরামর্শ দেবে না

প্রকাশিত ০৯:৫২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানিয়েছেন যে, তাদের দল সংবিধান সংশোধন কমিটিকে কোনো পরামর্শ প্রদান করবে না। সম্প্রতি রাজধানীর মিন্টো রোডে হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতাদের সঙ্গে দলটির আমিরের একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা গণমাধ্যমকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়।

হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে মূলত দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সব নাগরিক যেন দেশের অন্যান্য মানুষের মতো তাদের যথাযথ অধিকার পান, সেটাই তাদের দলের মূল প্রত্যাশা। এ সময় দেশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং সামাজিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

সংবিধান সংশোধনের চলমান প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলতে গিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন যে সরকার যে পদ্ধতি গ্রহণ করেছে তার সঙ্গে জামায়াত একমত পোষণ করে না। বিরোধী দলগুলোর মতামতকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে সরকার যদি সংবিধান সংশোধনের কোনো রকম উদ্যোগ নেয়, তবে দেশের জনগণ তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করবে বলে তিনি সতর্ক করেন।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামায়াতের এই অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সরকারের সংবিধান সংস্কার উদ্যোগের বিপরীতে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা এবং দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হবে, এই বার্তার মাধ্যমে তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দেশের সার্বিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এই সিদ্ধান্ত বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।