ঢাকা ০২:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বিশেষ শর্তে পূর্বাচল-ঝিলমিলে ফার এ ছাড় দিয়ে ফের ড্যাপ সংশোধন Logo তৃতীয় এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের চীনা প্রস্তাবে সায় মেলেনি Logo স্বামীকে ভুলে ‘আমার প্রেসিডেন্ট’ বললেন হোয়াইট হাউজের নতুন প্রেস সেক্রেটারি Logo দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটন পুরস্কারে বাংলাদেশের ২২ স্বীকৃতি Logo পূবালী ব্যাংক ও মাস্টারকার্ডের অফশোর ডেবিট কার্ড চালু Logo ডেঙ্গু থেকে রক্ষায় সম্মিলিত প্রচেষ্টা চান প্রধানমন্ত্রী Logo সাংবাদিকতায় বিনিয়োগ, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ও বিকল্প আয়: মেন্টর যখন টিআইকে Logo ৫২ বছর বয়সে স্নাতক ডিগ্রি, কুয়েতে প্রশংসায় ভাসছেন প্রবাসী Logo চিকিৎসা শেষে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন মির্জা আব্বাস Logo ওদের মুখের হাসিই আমার যন্ত্রণা দূর করে: রাশমিকা

সাংবাদিকতায় বিনিয়োগ, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ও বিকল্প আয়: মেন্টর যখন টিআইকে

গণমাধ্যম ডেস্ক: সাংবাদিকতায় দক্ষ হতে হলে শুধু ভালো খবর পরিবেশন যথেষ্ট নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতি, নতুন আয়ের উৎস এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েও ভাবতে হয়। তৌফিক ইমরোজ খালিদীর সঙ্গে কাজ করার সুবাদে সংবাদমাধ্যমের অর্থনীতি ও বিকল্প আয় তৈরির নানা কৌশল সম্পর্কে গভীর ধারণা লাভ করার সুযোগ হয়েছিল। গণমাধ্যম পরিচালনার ক্ষেত্রে সীমিত সম্পদের সদ্ব্যবহার এবং নতুন উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে কীভাবে প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে হয়, তা তার কাছ থেকে শেখা যায়। তৌফিক ভাইয়ের এই দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং সঠিক পরিকল্পনা কর্মীদের পেশাগত জীবনে দারুণভাবে কাজে লেগেছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সঙ্গে কাজ করার সময় একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য এবং কর্মীদের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে অতিরিক্ত বোনাস পাওয়ার মতো ঘটনা আজও স্মৃতিতে উজ্জ্বল। তখন মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ব্রেকিং নিউজ পরিবেশন ছিল সংবাদমাধ্যমটির আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। তৌফিক ভাই সবসময় বলতেন যে সাংবাদিকতা ভুল করে শেখার কোনো জায়গা নয়, যার ফলে নির্ভুল সংবাদ পরিবেশন করতে কর্মীরা সর্বদা সচেষ্ট থাকতেন। লাখ লাখ মানুষ তাদের ওপর আস্থা রেখে এই সেবা সাবস্ক্রাইব করেছিল, যা সংবাদমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা ও আয়ের মধ্যে নিবিড় সম্পর্কের কথা মনে করিয়ে দেয়।

একটি মাল্টিমিডিয়া বিভাগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা তৈরির মধ্য দিয়ে পেশাগত জীবনের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়। তৌফিক ভাইয়ের উৎসাহে প্রায় দেড় দিন সময় নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা তৈরি করা হয়, যেখানে একটি জনবলকাঠামোও অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরে সেই প্রাথমিক ধারণাকে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও স্টুডিওর অবকাঠামোসহ একটি পেশাদার প্রকল্প প্রস্তাবনায় রূপ দেওয়া হয়। বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে এই প্রক্রিয়ায় এলআর গ্লোবালের পক্ষ থেকে ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগের ঘোষণা আসে, যা দেশের ডিজিটাল গণমাধ্যমে অন্যতম বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বিনিয়োগ প্রক্রিয়া এবং ভ্যালুয়েশনের মতো জটিল বিষয়গুলোতে সরাসরি যুক্ত থাকার সুবাদে বৈশ্বিক গণমাধ্যমের আর্থিক কাঠামো সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা তৈরি হয়। বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এবং নিজের তৈরি করা পরিকল্পনা তাদের সামনে ব্যাখ্যা করার অভিজ্ঞতা পেশাগত জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক। তৌফিক ভাই কেবল একটি পরিকল্পনা তৈরি করার সুযোগই দেননি, বরং সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবতার কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে তা সফল করার শিক্ষা দিয়েছেন।

সংবাদমাধ্যমের টিকে থাকার লড়াইয়ে সাংবাদিকতার মানের পাশাপাশি শক্তিশালী ব্যবসায়িক পরিকল্পনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা অত্যন্ত জরুরি। পেশাগত সীমানার বাইরে গিয়ে নতুন বিভাগ গড়া কিংবা বিনিয়োগকারীদের যুক্ত করার মতো কৌশলগত বিষয়গুলো গণমাধ্যমের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে প্রধান ভূমিকা পালন করে। তৌফিক ইমরোজ খালিদীর কাছ থেকে পাওয়া এই বহুমুখী জ্ঞান ও দিকনির্দেশনা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের বিকাশেই সাহায্য করেনি, বরং পুরো সাংবাদিকতা পেশার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিও বদলে দিয়েছে।

জনপ্রিয়

বিশেষ শর্তে পূর্বাচল-ঝিলমিলে ফার এ ছাড় দিয়ে ফের ড্যাপ সংশোধন

সাংবাদিকতায় বিনিয়োগ, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ও বিকল্প আয়: মেন্টর যখন টিআইকে

প্রকাশিত ১২:২২:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

গণমাধ্যম ডেস্ক: সাংবাদিকতায় দক্ষ হতে হলে শুধু ভালো খবর পরিবেশন যথেষ্ট নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতি, নতুন আয়ের উৎস এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েও ভাবতে হয়। তৌফিক ইমরোজ খালিদীর সঙ্গে কাজ করার সুবাদে সংবাদমাধ্যমের অর্থনীতি ও বিকল্প আয় তৈরির নানা কৌশল সম্পর্কে গভীর ধারণা লাভ করার সুযোগ হয়েছিল। গণমাধ্যম পরিচালনার ক্ষেত্রে সীমিত সম্পদের সদ্ব্যবহার এবং নতুন উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে কীভাবে প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে হয়, তা তার কাছ থেকে শেখা যায়। তৌফিক ভাইয়ের এই দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং সঠিক পরিকল্পনা কর্মীদের পেশাগত জীবনে দারুণভাবে কাজে লেগেছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সঙ্গে কাজ করার সময় একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য এবং কর্মীদের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে অতিরিক্ত বোনাস পাওয়ার মতো ঘটনা আজও স্মৃতিতে উজ্জ্বল। তখন মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ব্রেকিং নিউজ পরিবেশন ছিল সংবাদমাধ্যমটির আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। তৌফিক ভাই সবসময় বলতেন যে সাংবাদিকতা ভুল করে শেখার কোনো জায়গা নয়, যার ফলে নির্ভুল সংবাদ পরিবেশন করতে কর্মীরা সর্বদা সচেষ্ট থাকতেন। লাখ লাখ মানুষ তাদের ওপর আস্থা রেখে এই সেবা সাবস্ক্রাইব করেছিল, যা সংবাদমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা ও আয়ের মধ্যে নিবিড় সম্পর্কের কথা মনে করিয়ে দেয়।

একটি মাল্টিমিডিয়া বিভাগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা তৈরির মধ্য দিয়ে পেশাগত জীবনের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়। তৌফিক ভাইয়ের উৎসাহে প্রায় দেড় দিন সময় নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা তৈরি করা হয়, যেখানে একটি জনবলকাঠামোও অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরে সেই প্রাথমিক ধারণাকে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও স্টুডিওর অবকাঠামোসহ একটি পেশাদার প্রকল্প প্রস্তাবনায় রূপ দেওয়া হয়। বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে এই প্রক্রিয়ায় এলআর গ্লোবালের পক্ষ থেকে ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগের ঘোষণা আসে, যা দেশের ডিজিটাল গণমাধ্যমে অন্যতম বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বিনিয়োগ প্রক্রিয়া এবং ভ্যালুয়েশনের মতো জটিল বিষয়গুলোতে সরাসরি যুক্ত থাকার সুবাদে বৈশ্বিক গণমাধ্যমের আর্থিক কাঠামো সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা তৈরি হয়। বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এবং নিজের তৈরি করা পরিকল্পনা তাদের সামনে ব্যাখ্যা করার অভিজ্ঞতা পেশাগত জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক। তৌফিক ভাই কেবল একটি পরিকল্পনা তৈরি করার সুযোগই দেননি, বরং সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবতার কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে তা সফল করার শিক্ষা দিয়েছেন।

সংবাদমাধ্যমের টিকে থাকার লড়াইয়ে সাংবাদিকতার মানের পাশাপাশি শক্তিশালী ব্যবসায়িক পরিকল্পনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা অত্যন্ত জরুরি। পেশাগত সীমানার বাইরে গিয়ে নতুন বিভাগ গড়া কিংবা বিনিয়োগকারীদের যুক্ত করার মতো কৌশলগত বিষয়গুলো গণমাধ্যমের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে প্রধান ভূমিকা পালন করে। তৌফিক ইমরোজ খালিদীর কাছ থেকে পাওয়া এই বহুমুখী জ্ঞান ও দিকনির্দেশনা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের বিকাশেই সাহায্য করেনি, বরং পুরো সাংবাদিকতা পেশার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিও বদলে দিয়েছে।