ঢাকা ০৭:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সম্ভাব্য সঙ্গীর মন জয় করার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের কৌশল এক নয় Logo বাংলাদেশে আইফোন ১৮ সিরিজ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করলো গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার Logo ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীকী উপাচার্য শীতল, বললেন হাতে থাকা সময়টুকুই বড় সম্পদ Logo ১২ ফুট অজগর উদ্ধার, টিলাগড়ের বনে অবমুক্ত Logo পারমাণবিক যুদ্ধ ও এআই ঝুঁকিতে মানবজাতি: ল্যানসেট Logo ‘তৌফিক ইমরোজ খালিদীর আত্মকথা’ লিখতে চেয়েছিলাম Logo ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন করে বন্ধুত্বের প্রমাণ দিক ভারত: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo হাড়ের যত্ন শুরু হোক চল্লিশের আগেই Logo নজর এড়ানো কিছু বিষয় যেভাবে বাড়ায় মানসিক চাপ Logo পাঁচ মামলায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী এনামুরের জামিন স্থগিত

‘তৌফিক ইমরোজ খালিদীর আত্মকথা’ লিখতে চেয়েছিলাম

গণমাধ্যম ডেস্ক: ছোটবেলায় স্কুলজীবনে পরীক্ষার খাতায় বিভিন্ন প্রাণী বা বস্তুর আত্মকথা লেখার প্রচলন ছিল। নিজের কথা না লিখে অন্যের মনের কথা উপলব্ধি করে লেখার মধ্যে এক ধরনের সুপ্ত বার্তা থাকত। সবসময় নিজের স্বার্থ না দেখে অন্য কারো দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার এই শিক্ষা জীবনের পথ চলায় উদ্বুদ্ধ করে। তৌফিক ইমরোজ খালিদীকে নিয়ে লিখতে বসেও তার আত্মকথাই লেখার কথা ভেবেছিলেন লেখক। মানুষ হয়েও অন্য কোনো সত্তার আত্মকথা লেখার চেয়ে এই কাজটি বেশ কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং।

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর সঙ্গে লেখকের প্রথম পরিচয় হয় ২০০৬ সালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে যোগদানের সময়। মোস্তফা মামুনের ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে সেদিন লেখককে একা যেতে হয়েছিল ধানমন্ডি কার্যালয়ে। সে সময় বেতন-বোনাস নিয়ে প্রচলিত মালিকসুলভ কোনো দর-কষাকষি করেননি তিনি। উল্টো সাংবাদিকদের পূর্ববর্তী বেতনের সঙ্গে নির্দিষ্ট হারে যোগ করে দেওয়ার সৎ প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সংবাদমাধ্যমের মালিকদের বাজারে মাছ কেনার মতো আচরণ থেকে যা ছিল সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ও আশ্বস্ত করার মতো।

সেদিনের আলোচনায় বিডিনিউজকে নিয়ে নিজের সুদূরপ্রসারি স্বপ্নের কথাও তুলে ধরেছিলেন তৌফিক ইমরোজ খালিদী। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বিশ্বাস করতেন যে অনলাইন সংবাদমাধ্যম একসময় দৈনিক পত্রিকার জায়গা দখল করে নেবে। তার সেই অদম্য আত্মবিশ্বাস ও সাহসিকতার হাত ধরেই প্রতিষ্ঠানটি অনলাইন সাংবাদিকতার পথিকৃৎ হিসেবে যাত্রা শুরু করে। সংবাদজগতের এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সেই সময় নানা নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়।

দৈনিক সংবাদপত্র ও অনলাইন সাংবাদিকতার মূল পার্থক্যটি টের পাওয়া যায় কাজের প্রথম দিন থেকেই। প্রিন্ট মিডিয়ায় রাতের খবর পরের দিন সকালে পাঠকের কাছে পৌঁছালেও অনলাইনের গতি ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। মাঠে খেলা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ওয়েবসাইটে আপডেট দেওয়ার তীব্র লড়াই শুরু হতো। দেশের ক্রিকেটের লাইভ আপডেটে দীর্ঘদিন অনন্য উচ্চতায় ছিল এই সংবাদমাধ্যমটি। তবে শুরুর দিকে সাধারণ মানুষের কাছে ইন্টারনেট ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমের ধারণা পরিষ্কার না থাকায় সাংবাদিকদের নানা প্রতিকূলতার মুখেও পড়তে হতো।

জনপ্রিয়

সম্ভাব্য সঙ্গীর মন জয় করার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের কৌশল এক নয়

‘তৌফিক ইমরোজ খালিদীর আত্মকথা’ লিখতে চেয়েছিলাম

প্রকাশিত ০৬:০৭:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

গণমাধ্যম ডেস্ক: ছোটবেলায় স্কুলজীবনে পরীক্ষার খাতায় বিভিন্ন প্রাণী বা বস্তুর আত্মকথা লেখার প্রচলন ছিল। নিজের কথা না লিখে অন্যের মনের কথা উপলব্ধি করে লেখার মধ্যে এক ধরনের সুপ্ত বার্তা থাকত। সবসময় নিজের স্বার্থ না দেখে অন্য কারো দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার এই শিক্ষা জীবনের পথ চলায় উদ্বুদ্ধ করে। তৌফিক ইমরোজ খালিদীকে নিয়ে লিখতে বসেও তার আত্মকথাই লেখার কথা ভেবেছিলেন লেখক। মানুষ হয়েও অন্য কোনো সত্তার আত্মকথা লেখার চেয়ে এই কাজটি বেশ কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং।

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর সঙ্গে লেখকের প্রথম পরিচয় হয় ২০০৬ সালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে যোগদানের সময়। মোস্তফা মামুনের ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে সেদিন লেখককে একা যেতে হয়েছিল ধানমন্ডি কার্যালয়ে। সে সময় বেতন-বোনাস নিয়ে প্রচলিত মালিকসুলভ কোনো দর-কষাকষি করেননি তিনি। উল্টো সাংবাদিকদের পূর্ববর্তী বেতনের সঙ্গে নির্দিষ্ট হারে যোগ করে দেওয়ার সৎ প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সংবাদমাধ্যমের মালিকদের বাজারে মাছ কেনার মতো আচরণ থেকে যা ছিল সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ও আশ্বস্ত করার মতো।

সেদিনের আলোচনায় বিডিনিউজকে নিয়ে নিজের সুদূরপ্রসারি স্বপ্নের কথাও তুলে ধরেছিলেন তৌফিক ইমরোজ খালিদী। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বিশ্বাস করতেন যে অনলাইন সংবাদমাধ্যম একসময় দৈনিক পত্রিকার জায়গা দখল করে নেবে। তার সেই অদম্য আত্মবিশ্বাস ও সাহসিকতার হাত ধরেই প্রতিষ্ঠানটি অনলাইন সাংবাদিকতার পথিকৃৎ হিসেবে যাত্রা শুরু করে। সংবাদজগতের এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সেই সময় নানা নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়।

দৈনিক সংবাদপত্র ও অনলাইন সাংবাদিকতার মূল পার্থক্যটি টের পাওয়া যায় কাজের প্রথম দিন থেকেই। প্রিন্ট মিডিয়ায় রাতের খবর পরের দিন সকালে পাঠকের কাছে পৌঁছালেও অনলাইনের গতি ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। মাঠে খেলা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ওয়েবসাইটে আপডেট দেওয়ার তীব্র লড়াই শুরু হতো। দেশের ক্রিকেটের লাইভ আপডেটে দীর্ঘদিন অনন্য উচ্চতায় ছিল এই সংবাদমাধ্যমটি। তবে শুরুর দিকে সাধারণ মানুষের কাছে ইন্টারনেট ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমের ধারণা পরিষ্কার না থাকায় সাংবাদিকদের নানা প্রতিকূলতার মুখেও পড়তে হতো।