ঢাকা ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

‘অভিজ্ঞতা নেই’ ফ্রেশাররা কীভাবে নিজের গুরুত্ব তৈরি করবে

চাকরি ডেস্ক: দেশের চাকরির বাজারে সদ্য বিশ্ববিদ্যালয় পাস করা তরুনদের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে দেখা দেয় অভিজ্ঞতার শর্ত। চাকরির বেশিরভাগ বিজ্ঞপ্তিতে ন্যূনতম তিন বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হলেও, অভিজ্ঞতা না থাকাটা কোনো অপরাধ বা অস্বাভাবিক কিছু নয়। প্রাতিষ্ঠানিক চাহিদা দেখে হতাশ না হয়ে কৌশলগত উপاية একজন ফ্রেশার খুব সহজেই নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে পারেন।

চাকরিপ্রার্থীদের অভিজ্ঞতা না থাকার এই জটিল সমীকরণের সঙ্গে সম্প্রতি যোগ হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ভয়। তবে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রির ওপর নির্ভর না করে বাস্তব দক্ষতা যেমন ডেটা অ্যানালাইসিস, লেখালেখি কিংবা ভিডিও এডিটিংয়ের মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প বা গবেষণার কাজকে প্রার্থীর যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে সিভিতে তুলে ধরা যেতে পারে।

অভিজ্ঞতা নেই—এমন কথা না বলে প্রার্থীরা নিজেদের একটি শক্তিশালী পোর্টফোলিও তৈরি করতে পারেন, যা তাদের কাজের বাস্তব সামর্থ্য ফুটিয়ে তোলে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের ক্লাব কার্যক্রম, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট বা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতাকে সিভিতে পেশাদারভাবে উপস্থাপন করা যায়। আধুনিক বাজারে টিকে থাকতে এআই টুলস ব্যবহারের দক্ষতা অর্জন এবং লিংকডইনের মতো প্ল্যাটফর্মে নেটওয়ার্কিং বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের প্ল্যান্ট এইচআর হেড মুত্তাকিন হাসানের মতে, একজন নতুন প্রার্থীর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো নতুন কিছু শেখার আগ্রহ এবং কাজের অদম্য উৎসাহ। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে যুগোপযোগী করে তোলা এবং সফট স্কিল বা যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন করাই ফ্রেশারদের জন্য সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

জনপ্রিয়

কটিয়াদীর ঐতিহ্যবাহী হাট, যেখানে বাদ্য শুনে বাছাই করা হয় পূজার ঢাকির দল

‘অভিজ্ঞতা নেই’ ফ্রেশাররা কীভাবে নিজের গুরুত্ব তৈরি করবে

প্রকাশিত ০৭:৫২:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

চাকরি ডেস্ক: দেশের চাকরির বাজারে সদ্য বিশ্ববিদ্যালয় পাস করা তরুনদের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে দেখা দেয় অভিজ্ঞতার শর্ত। চাকরির বেশিরভাগ বিজ্ঞপ্তিতে ন্যূনতম তিন বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হলেও, অভিজ্ঞতা না থাকাটা কোনো অপরাধ বা অস্বাভাবিক কিছু নয়। প্রাতিষ্ঠানিক চাহিদা দেখে হতাশ না হয়ে কৌশলগত উপاية একজন ফ্রেশার খুব সহজেই নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে পারেন।

চাকরিপ্রার্থীদের অভিজ্ঞতা না থাকার এই জটিল সমীকরণের সঙ্গে সম্প্রতি যোগ হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ভয়। তবে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রির ওপর নির্ভর না করে বাস্তব দক্ষতা যেমন ডেটা অ্যানালাইসিস, লেখালেখি কিংবা ভিডিও এডিটিংয়ের মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প বা গবেষণার কাজকে প্রার্থীর যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে সিভিতে তুলে ধরা যেতে পারে।

অভিজ্ঞতা নেই—এমন কথা না বলে প্রার্থীরা নিজেদের একটি শক্তিশালী পোর্টফোলিও তৈরি করতে পারেন, যা তাদের কাজের বাস্তব সামর্থ্য ফুটিয়ে তোলে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের ক্লাব কার্যক্রম, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট বা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতাকে সিভিতে পেশাদারভাবে উপস্থাপন করা যায়। আধুনিক বাজারে টিকে থাকতে এআই টুলস ব্যবহারের দক্ষতা অর্জন এবং লিংকডইনের মতো প্ল্যাটফর্মে নেটওয়ার্কিং বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের প্ল্যান্ট এইচআর হেড মুত্তাকিন হাসানের মতে, একজন নতুন প্রার্থীর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো নতুন কিছু শেখার আগ্রহ এবং কাজের অদম্য উৎসাহ। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে যুগোপযোগী করে তোলা এবং সফট স্কিল বা যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন করাই ফ্রেশারদের জন্য সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।