ঢাকা ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

চাঁদপুরে ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, দুই জেলের কারাদণ্ড

অপরাধ ডেস্ক: চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীর নির্ধারিত অভয়াশ্রম এলাকায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের অভিযোগে দুই জেলেকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সদর উপজেলা মৎস্য বিভাগ এবং কোস্ট গার্ডের যৌথ উদ্যোগে নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ ধরার অপরাধে হাতেনাতে তাদের আটক করতে সক্ষম হয় যৌথ বাহিনী। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে এই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

অভিযান চলাকালে ওই জেলেদের কাছ থেকে ৩০ হাজার মিটার ক্ষতিকর কারেন্ট জাল এবং ১০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। আনন্দ বাজার, লালপুর, কাচিকাটা, হরিণা ও বহরিয়া এলাকায় অভিযানটি পরিচালনা করা হয় বলে মৎস্য বিভাগ জানায়। চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এই অভিযানের বিস্তারিত গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নদীতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত রাখা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

আটকের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রহমত উল্লাহ অভিযুক্ত দুই জেলেকে সাজা প্রদান করেন। বিচারক তাদের প্রত্যেককে ১৩ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৪০০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে মাছ শিকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।

অভিযান শেষে জব্দ করা অবৈধ কারেন্ট জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়। অন্যদিকে, নদী থেকে উদ্ধার করা ইলিশ মাছ স্থানীয় দুস্থ ও এতিমখানার শিশুদের মাঝে বিতরণ করা হয়। মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপ মৎস্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

অ্যামাজনের নতুন দুই এআই যন্ত্র কথা শুনেই পরে রিমাইন্ডার দেবে

চাঁদপুরে ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, দুই জেলের কারাদণ্ড

প্রকাশিত ০৯:০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীর নির্ধারিত অভয়াশ্রম এলাকায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের অভিযোগে দুই জেলেকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সদর উপজেলা মৎস্য বিভাগ এবং কোস্ট গার্ডের যৌথ উদ্যোগে নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ ধরার অপরাধে হাতেনাতে তাদের আটক করতে সক্ষম হয় যৌথ বাহিনী। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে এই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

অভিযান চলাকালে ওই জেলেদের কাছ থেকে ৩০ হাজার মিটার ক্ষতিকর কারেন্ট জাল এবং ১০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। আনন্দ বাজার, লালপুর, কাচিকাটা, হরিণা ও বহরিয়া এলাকায় অভিযানটি পরিচালনা করা হয় বলে মৎস্য বিভাগ জানায়। চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এই অভিযানের বিস্তারিত গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নদীতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত রাখা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

আটকের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রহমত উল্লাহ অভিযুক্ত দুই জেলেকে সাজা প্রদান করেন। বিচারক তাদের প্রত্যেককে ১৩ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৪০০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে মাছ শিকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।

অভিযান শেষে জব্দ করা অবৈধ কারেন্ট জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়। অন্যদিকে, নদী থেকে উদ্ধার করা ইলিশ মাছ স্থানীয় দুস্থ ও এতিমখানার শিশুদের মাঝে বিতরণ করা হয়। মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপ মৎস্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।