ঢাকা ০৪:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

আখাউড়ায় মন্দিরে চুরি, পণ্য উদ্ধার করে বুঝিয়ে দিলো পুলিশ

অপরাধ ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার শ্রী শ্রী রাধামাধব আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দিরে হওয়া চুরির ঘটনায় উদ্ধারকৃত মালামাল আখড়া কমিটির কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। সম্প্রতি দুপুরের দিকে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রায় দুই লাখ টাকার বেশি মূল্যের স্বর্ণালংকার, রুপার চেইন এবং পিতল ও তামার বিভিন্ন সামগ্রী বুঝিয়ে দেওয়া হয়। মন্দিরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে এই সমস্ত মালামাল গ্রহণ করেন।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট একটি রাতে আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দিরে এই চুরির ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছিল। পরে এই বিষয়ে মামলা দায়ের হওয়ার পর পুলিশ অপরাধীদের ধরতে কয়েকটি তদন্ত দল গঠন করে মাঠে নামে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রথমে জারু মিয়া নামের একজনকে আটক করে।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তিনি চুরির সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন এবং আকাশ মালদার নামের আরেক ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেন। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে আকাশকেও আটক করতে সক্ষম হয়, তবে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাজুল নামের অপর একজন ব্যক্তি পলাতক রয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উপপরিদর্শক মো. জাহেদুল ইসলাম আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে উদ্ধারকৃত এসব সামগ্রী হস্তান্তর করেন।

মালামালগুলো নিরাপদে ফিরে পাওয়ায় মন্দির কমিটির সভাপতি দীপক কুমার ঘোষ গভীর স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ চোর গ্রেপ্তার ও চোরাই পণ্য উদ্ধারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে।

জনপ্রিয়

ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম দেখতে আজিমপুর-ধানমন্ডিতে প্রধানমন্ত্রী

আখাউড়ায় মন্দিরে চুরি, পণ্য উদ্ধার করে বুঝিয়ে দিলো পুলিশ

প্রকাশিত ০৩:০৭:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার শ্রী শ্রী রাধামাধব আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দিরে হওয়া চুরির ঘটনায় উদ্ধারকৃত মালামাল আখড়া কমিটির কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। সম্প্রতি দুপুরের দিকে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রায় দুই লাখ টাকার বেশি মূল্যের স্বর্ণালংকার, রুপার চেইন এবং পিতল ও তামার বিভিন্ন সামগ্রী বুঝিয়ে দেওয়া হয়। মন্দিরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে এই সমস্ত মালামাল গ্রহণ করেন।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট একটি রাতে আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দিরে এই চুরির ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছিল। পরে এই বিষয়ে মামলা দায়ের হওয়ার পর পুলিশ অপরাধীদের ধরতে কয়েকটি তদন্ত দল গঠন করে মাঠে নামে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রথমে জারু মিয়া নামের একজনকে আটক করে।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তিনি চুরির সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন এবং আকাশ মালদার নামের আরেক ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেন। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে আকাশকেও আটক করতে সক্ষম হয়, তবে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাজুল নামের অপর একজন ব্যক্তি পলাতক রয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উপপরিদর্শক মো. জাহেদুল ইসলাম আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে উদ্ধারকৃত এসব সামগ্রী হস্তান্তর করেন।

মালামালগুলো নিরাপদে ফিরে পাওয়ায় মন্দির কমিটির সভাপতি দীপক কুমার ঘোষ গভীর স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ চোর গ্রেপ্তার ও চোরাই পণ্য উদ্ধারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে।