ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

সোমবার জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, হতে পারে যেসব সমঝোতা

জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন ২৬ অক্টোবর সরকারি সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই উচ্চপর্যায়ের সফরের মূল এজেন্ডায় দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব ও বিনিয়োগ সহযোগিতা প্রাধান্য পাবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই যাত্রার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরালো করার বড় সুযোগ রয়েছে।

সফরসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন পররাষ্ট্রসচিব সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সফরে প্রায় আটটি সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে অন্তত চারটি চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে আশা করছে ঢাকা।

উভয় দেশের কূটনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ককে আরও সময়োপযোগী করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বিকাশ, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। এই বিষয়গুলো দুই দেশের অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সফর বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুপ্রতিম সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে। বাণিজ্য ও প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করার মাধ্যমে দুই দেশের জনগণই উপকৃত হবে।

জনপ্রিয়

‘যে ভোট দেয়নি তার জন্যও সরকার হতে চাই’

সোমবার জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, হতে পারে যেসব সমঝোতা

প্রকাশিত ০২:৩৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন ২৬ অক্টোবর সরকারি সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই উচ্চপর্যায়ের সফরের মূল এজেন্ডায় দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব ও বিনিয়োগ সহযোগিতা প্রাধান্য পাবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই যাত্রার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরালো করার বড় সুযোগ রয়েছে।

সফরসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন পররাষ্ট্রসচিব সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সফরে প্রায় আটটি সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে অন্তত চারটি চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে আশা করছে ঢাকা।

উভয় দেশের কূটনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ককে আরও সময়োপযোগী করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বিকাশ, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। এই বিষয়গুলো দুই দেশের অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সফর বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুপ্রতিম সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে। বাণিজ্য ও প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করার মাধ্যমে দুই দেশের জনগণই উপকৃত হবে।