ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

কম্বোডিয়ার বন্দি দশা থেকে মুক্ত ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

প্রবাস ডেস্ক: কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনের ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্তি পেয়ে অবশেষে দেশে ফিরেছেন ৩০ জন বাংলাদেশি নাগরিক। থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। ভালো আয়ের চাকরির আশায় দেশটিতে গিয়ে বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টারে আটকা পড়েছিলেন এই কর্মীরা। পরবর্তীতে কম্বোডিয়া সরকারের সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নিয়ে নাম তালিকাভুক্ত করে দেশে ফেরার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তারা।

গত ৩ সেপ্টেম্বর তারা নমপেন বিমানবন্দরে পৌঁছালেও ইমিগ্রেশন চেকিংয়ের সময় অবৈধ অবস্থান ও অন্যান্য জটিলতার কারণে পুলিশ তাদের আটক করে। পরবর্তীতে তাদের একটি ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি রাখা হয় এবং এই ঘটনায় ৩২ জনকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। আইনি জটিলতা কাটিয়ে দুজন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জন দীর্ঘদিন ওই কেন্দ্রে বন্দি ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকেও তাদের সন্ধান ও দ্রুত ফিরিয়ে আনার আকুতি জানানো হয়েছিল বিভিন্ন মাধ্যমে।

এই পরিস্থিতির পর অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন নামের একটি সংগঠন বন্দিদের মুক্তির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানায়। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিব দ্রুত পদক্ষেপ নেন। দূতাবাসের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় আটক বাংলাদেশিদের মুক্তি ও তাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের পথ সুগম হয়। প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করার পরই তাদের এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সম্ভব হয়েছে।

দীর্ঘ অনিশ্চয়তা ও বন্দিদশা কাটিয়ে এই ৩০ কর্মীর দেশে ফেরা স্বস্তি এনে দিয়েছে তাদের অপেক্ষমাণ পরিবারগুলোর মাঝে। এর আগে কম্বোডিয়ায় আটকে থাকা অভিবাসীদের পরিস্থিতি এবং স্ক্যাম সেন্টারগুলোর কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট মহলের তৎপরতায় বন্দি বাংলাদেশিরা মুক্ত হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন স্বজনরা।

জনপ্রিয়

সিকিউরিটি ক্যামেরায় কেন লেজার তাক করা উচিত নয়?

কম্বোডিয়ার বন্দি দশা থেকে মুক্ত ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

প্রকাশিত ০৩:২২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

প্রবাস ডেস্ক: কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনের ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্তি পেয়ে অবশেষে দেশে ফিরেছেন ৩০ জন বাংলাদেশি নাগরিক। থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। ভালো আয়ের চাকরির আশায় দেশটিতে গিয়ে বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টারে আটকা পড়েছিলেন এই কর্মীরা। পরবর্তীতে কম্বোডিয়া সরকারের সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নিয়ে নাম তালিকাভুক্ত করে দেশে ফেরার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তারা।

গত ৩ সেপ্টেম্বর তারা নমপেন বিমানবন্দরে পৌঁছালেও ইমিগ্রেশন চেকিংয়ের সময় অবৈধ অবস্থান ও অন্যান্য জটিলতার কারণে পুলিশ তাদের আটক করে। পরবর্তীতে তাদের একটি ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি রাখা হয় এবং এই ঘটনায় ৩২ জনকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। আইনি জটিলতা কাটিয়ে দুজন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জন দীর্ঘদিন ওই কেন্দ্রে বন্দি ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকেও তাদের সন্ধান ও দ্রুত ফিরিয়ে আনার আকুতি জানানো হয়েছিল বিভিন্ন মাধ্যমে।

এই পরিস্থিতির পর অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন নামের একটি সংগঠন বন্দিদের মুক্তির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানায়। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিব দ্রুত পদক্ষেপ নেন। দূতাবাসের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় আটক বাংলাদেশিদের মুক্তি ও তাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের পথ সুগম হয়। প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করার পরই তাদের এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সম্ভব হয়েছে।

দীর্ঘ অনিশ্চয়তা ও বন্দিদশা কাটিয়ে এই ৩০ কর্মীর দেশে ফেরা স্বস্তি এনে দিয়েছে তাদের অপেক্ষমাণ পরিবারগুলোর মাঝে। এর আগে কম্বোডিয়ায় আটকে থাকা অভিবাসীদের পরিস্থিতি এবং স্ক্যাম সেন্টারগুলোর কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট মহলের তৎপরতায় বন্দি বাংলাদেশিরা মুক্ত হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন স্বজনরা।