ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

‘যে ভোট দেয়নি তার জন্যও সরকার হতে চাই’

রাজনীতি ডেস্ক: নির্দিষ্ট দিনে রংপুরের ধর্মসভা রাধাগোবিন্দ মন্দির পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার এমনভাবে দেশ পরিচালনা করতে চায় যাতে ভোটদানকারী ও অনুদান প্রদানকারীরা ছাড়াও সবাই সমানভাবে রাষ্ট্রীয় সেবা পান। শারদীয় দুর্গোৎসবের এই আয়োজনে তিনি মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। হাজার বছর ধরে এ দেশের সকল ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এই সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

উন্নয়নের ক্ষেত্রে অঞ্চলভিত্তিক বৈষম্য কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান যে রংপুরের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে জেলার প্রতিটি উপজেলা ও গ্রামে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, রাস্তাঘাট এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা হবে। রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে যেন সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্য বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার তাগিদ দেন তিনি।

শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে বর্তমান প্রশাসনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন সরকারপ্রধান। জনগণের যেকোনো দাবি বা মতামত সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সংসদে আলোচনার আহ্বান জানিয়ে তিনি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর জোর দেন। এ সময় কিছু মহল বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।

মুক্তিযুদ্ধ ও ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও অর্জনকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই এই পরিবর্তনের মূল শক্তি তৈরি হয়েছে এবং সরকার সবসময় সাধারণ মানুষের সমর্থন প্রত্যাশা করে। পরিদর্শনের আগে তিনি সামরিক বিমানে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সড়কপথে বিভিন্ন পথসভা শেষ করে মন্দিরে এসে পৌঁছান।

জনপ্রিয়

খাস খালে বাঁধ দেয়ার পাঁয়তারা, ট্রলার সরিয়ে নিতে মাইকিং

‘যে ভোট দেয়নি তার জন্যও সরকার হতে চাই’

প্রকাশিত ০৪:৩৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: নির্দিষ্ট দিনে রংপুরের ধর্মসভা রাধাগোবিন্দ মন্দির পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার এমনভাবে দেশ পরিচালনা করতে চায় যাতে ভোটদানকারী ও অনুদান প্রদানকারীরা ছাড়াও সবাই সমানভাবে রাষ্ট্রীয় সেবা পান। শারদীয় দুর্গোৎসবের এই আয়োজনে তিনি মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। হাজার বছর ধরে এ দেশের সকল ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এই সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

উন্নয়নের ক্ষেত্রে অঞ্চলভিত্তিক বৈষম্য কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান যে রংপুরের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে জেলার প্রতিটি উপজেলা ও গ্রামে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, রাস্তাঘাট এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা হবে। রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে যেন সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্য বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার তাগিদ দেন তিনি।

শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে বর্তমান প্রশাসনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন সরকারপ্রধান। জনগণের যেকোনো দাবি বা মতামত সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সংসদে আলোচনার আহ্বান জানিয়ে তিনি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর জোর দেন। এ সময় কিছু মহল বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।

মুক্তিযুদ্ধ ও ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও অর্জনকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই এই পরিবর্তনের মূল শক্তি তৈরি হয়েছে এবং সরকার সবসময় সাধারণ মানুষের সমর্থন প্রত্যাশা করে। পরিদর্শনের আগে তিনি সামরিক বিমানে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সড়কপথে বিভিন্ন পথসভা শেষ করে মন্দিরে এসে পৌঁছান।