ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

নিয়মিত পরিষ্কার করার পরও কমোডে জেদি দাগ পড়ার কারণ

লাইফস্টাইল ডেস্ক: অনেকেই নিয়মিত বাথরুমের কমোড পরিষ্কার করার পরও এর ভেতরে একটি জেদি গোল রিং বা দাগ দেখতে পান। সাধারণ তরল ক্লিনার দিয়ে ঘষলেও এই দাগ সহজে উঠতে চায় না যা অনেক সময় বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। জীবনযাপন বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘রিয়েল সিম্পল’-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই সমস্যার আসল কারণ এবং তা দূর করার কার্যকর উপায় তুলে ধরা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা ও প্লাম্বিং বিশেষজ্ঞরা এই বিব্রতকর দাগ পড়ার পেছনে নির্দিষ্ট কিছু কারণ চিহ্নিত করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কমোডে এ ধরনের গোল দাগ পড়ার প্রধান কারণ হলো খনিজ সমৃদ্ধ কড়া পানি বা ‘হার্ড ওয়াটার’। মাটির নিচ থেকে পানি তোলার সময় তাতে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম মিশে থাকে যা পরবর্তীতে কমোডের গায়ে আটকে যায়। কমোডের পানির উপরিভাগ যেখানে এসে থামে, সেখান থেকে পানি বাষ্পীভূত হওয়ার পর এই খনিজ উপাদানগুলো শক্ত হয়ে রিং তৈরি করে। এছাড়া ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক কিংবা পুরোনো পাইপের মরিচার কারণেও কমোডে নানা রঙের দাগ পড়তে পারে।

প্লাম্বিং বিশেষজ্ঞ মরগান বাকের মতে, খনিজ আস্তরণের কারণে সৃষ্ট সাদা বা ধূসর দাগ দূর করতে অ্যাসিড জাতীয় উপাদান প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে সাদা ভিনেগার বা সিট্রিক অ্যাসিড ক্লিনার দিয়ে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে ঘষলে অথবা ঝামা পাথর ব্যবহার করে এই শক্ত আস্তরণ তোলা সম্ভব। অন্যদিকে, বাথরুমে আর্দ্রতার কারণে জন্ম নেওয়া গোলাপি বা কমলা রঙের ব্যাকটেরিয়ার জন্য ব্লিচ যুক্ত জীবাণুনাশক ব্যবহার করতে হবে। অতিরিক্ত আর্দ্রতার ফলে তৈরি হওয়া ধূসর বা কালো ছত্রাক এবং পানিতে থাকা আয়রনের কারণে হওয়া লালচে মরিচার দাগও নির্দিষ্ট ক্লিনার দিয়ে দূর করা যায়।

পরিচ্ছন্নতা বিশেষজ্ঞ জর্জেট মিন্টজ পরামর্শ দিয়েছেন যে, কেবল নিচের অংশ নয় বরং ফ্লাশ হওয়ার ভেতরের ওপরের অংশেও ব্রাশ পৌঁছে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একবার ভিনেগার বা ব্লিচ ব্যবহার করে এই জেদি রিং দাগ দূর করার রুটিন তৈরি করা উচিত। নিয়মিত সঠিক পদ্ধতিতে পরিষ্কার করলে কমোডে এই ধরনের দাগ ফিরে আসার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

জনপ্রিয়

যে পাপ করেছি, তার মাসুল এখন দিতে হচ্ছে

নিয়মিত পরিষ্কার করার পরও কমোডে জেদি দাগ পড়ার কারণ

প্রকাশিত ০১:০৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক: অনেকেই নিয়মিত বাথরুমের কমোড পরিষ্কার করার পরও এর ভেতরে একটি জেদি গোল রিং বা দাগ দেখতে পান। সাধারণ তরল ক্লিনার দিয়ে ঘষলেও এই দাগ সহজে উঠতে চায় না যা অনেক সময় বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। জীবনযাপন বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘রিয়েল সিম্পল’-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই সমস্যার আসল কারণ এবং তা দূর করার কার্যকর উপায় তুলে ধরা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা ও প্লাম্বিং বিশেষজ্ঞরা এই বিব্রতকর দাগ পড়ার পেছনে নির্দিষ্ট কিছু কারণ চিহ্নিত করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কমোডে এ ধরনের গোল দাগ পড়ার প্রধান কারণ হলো খনিজ সমৃদ্ধ কড়া পানি বা ‘হার্ড ওয়াটার’। মাটির নিচ থেকে পানি তোলার সময় তাতে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম মিশে থাকে যা পরবর্তীতে কমোডের গায়ে আটকে যায়। কমোডের পানির উপরিভাগ যেখানে এসে থামে, সেখান থেকে পানি বাষ্পীভূত হওয়ার পর এই খনিজ উপাদানগুলো শক্ত হয়ে রিং তৈরি করে। এছাড়া ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক কিংবা পুরোনো পাইপের মরিচার কারণেও কমোডে নানা রঙের দাগ পড়তে পারে।

প্লাম্বিং বিশেষজ্ঞ মরগান বাকের মতে, খনিজ আস্তরণের কারণে সৃষ্ট সাদা বা ধূসর দাগ দূর করতে অ্যাসিড জাতীয় উপাদান প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে সাদা ভিনেগার বা সিট্রিক অ্যাসিড ক্লিনার দিয়ে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে ঘষলে অথবা ঝামা পাথর ব্যবহার করে এই শক্ত আস্তরণ তোলা সম্ভব। অন্যদিকে, বাথরুমে আর্দ্রতার কারণে জন্ম নেওয়া গোলাপি বা কমলা রঙের ব্যাকটেরিয়ার জন্য ব্লিচ যুক্ত জীবাণুনাশক ব্যবহার করতে হবে। অতিরিক্ত আর্দ্রতার ফলে তৈরি হওয়া ধূসর বা কালো ছত্রাক এবং পানিতে থাকা আয়রনের কারণে হওয়া লালচে মরিচার দাগও নির্দিষ্ট ক্লিনার দিয়ে দূর করা যায়।

পরিচ্ছন্নতা বিশেষজ্ঞ জর্জেট মিন্টজ পরামর্শ দিয়েছেন যে, কেবল নিচের অংশ নয় বরং ফ্লাশ হওয়ার ভেতরের ওপরের অংশেও ব্রাশ পৌঁছে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একবার ভিনেগার বা ব্লিচ ব্যবহার করে এই জেদি রিং দাগ দূর করার রুটিন তৈরি করা উচিত। নিয়মিত সঠিক পদ্ধতিতে পরিষ্কার করলে কমোডে এই ধরনের দাগ ফিরে আসার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।