ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের গোলাগুলি

সারাদেশ ডেস্ক: রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের উজোবাজার এলাকায় সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অবরোধকারীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ২২ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আঞ্চলিক দুটি রাজনৈতিক দলের বিরোধের জেরে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন এই সড়ক অবরোধের ডাক দিয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে অবরোধ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যারিকেড সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। ঠিক তখনই উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ওই ঘটনাটি সংঘটিত হয়।

ঘটনার দিন সকালে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থার অধীনে প্রায় তিন হাজার পর্যটক সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু সকাল সাড়ে আটটার দিকে পর্যটকবাহী গাড়িগুলো উজোবাজার এলাকায় পৌঁছালে অবরোধকারীদের বাধার মুখে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিয়ে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপরতা চালান। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পর্যটকরা নিরাপদে দিঘীনালার কাছাকাছি এলাকায় পৌঁছেছেন। এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

সাজেক সড়কে এই অবরোধ ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পেছনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোর বিরোধ কাজ করেছে বলে জানা গেছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা। তিনি দাবি করেছেন যে, ইউপিডিএফের সন্ত্রাসী তৎপরতা ও জনগণের ওপর নির্যাতন থেকে মানুষের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এই ঘটনার ফলে সাজেক ও এর আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করলেও পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।

জনপ্রিয়

সৌদি থেকে কূটনীতিকদের সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের গোলাগুলি

প্রকাশিত ১২:৫২:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

সারাদেশ ডেস্ক: রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের উজোবাজার এলাকায় সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অবরোধকারীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ২২ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আঞ্চলিক দুটি রাজনৈতিক দলের বিরোধের জেরে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন এই সড়ক অবরোধের ডাক দিয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে অবরোধ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যারিকেড সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। ঠিক তখনই উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ওই ঘটনাটি সংঘটিত হয়।

ঘটনার দিন সকালে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থার অধীনে প্রায় তিন হাজার পর্যটক সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু সকাল সাড়ে আটটার দিকে পর্যটকবাহী গাড়িগুলো উজোবাজার এলাকায় পৌঁছালে অবরোধকারীদের বাধার মুখে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিয়ে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপরতা চালান। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পর্যটকরা নিরাপদে দিঘীনালার কাছাকাছি এলাকায় পৌঁছেছেন। এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

সাজেক সড়কে এই অবরোধ ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পেছনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোর বিরোধ কাজ করেছে বলে জানা গেছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা। তিনি দাবি করেছেন যে, ইউপিডিএফের সন্ত্রাসী তৎপরতা ও জনগণের ওপর নির্যাতন থেকে মানুষের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এই ঘটনার ফলে সাজেক ও এর আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করলেও পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।