ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo এবার কক্সবাজারে হোটেলে আগুন, ৩০০ পর্যটকের মধ্যে আতঙ্ক-হুড়োহুড়ি Logo দিল্লিতে এসআইআর বিরোধী বিক্ষোভে নেমে আটক শতাধিক Logo বাজারে বাড়ছে শীতের আগাম সবজি, দাম এখনো চড়া Logo স্টেট ব্যাংক অব ইনডিয়ায় সাইবার হামলা, ৪ হাজার গ্রাহকের তথ্য ডার্ক ওয়েবে Logo ‘নালার সংস্কারকাজ করিয়ে ২০-৫০ হাজার টাকা নেন নয়নের অনুসারীরা’ Logo নতুন করে বিক্ষোভের আশঙ্কায় নিরাপত্তা কঠোর করছে ফ্রান্স Logo সাইবার হামলায় অচল ছিল উত্তর কোরিয়ার সরকারি ওয়েবসাইট Logo পিছিয়ে পড়ার ধাক্কা সামলে প্রথম জয়ের গল্প লিখল ফর্টিস এফসি Logo ‘ব্যক্তি স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করা যাবে না’ Logo প্রয়োজন কর্মসংস্থান, প্রশিক্ষণ এবং বিকল্প শ্রমবাজার

সাইবার হামলায় অচল ছিল উত্তর কোরিয়ার সরকারি ওয়েবসাইট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সম্প্রতি সাইবার হামলার মুখে পড়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় উত্তর কোরিয়ার ইন্টারনেট সংযোগ। এই হামলার ফলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং রাষ্ট্রপরিচালিত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ে। মার্কিন নেটওয়ার্ক নজরদারি প্রতিষ্ঠান কেনটিকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই সপ্তাহের নির্দিষ্ট সময়ে উত্তর কোরিয়ার ইন্টারনেট ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিভ্রাট ঘটে।

কেনটিকের ইন্টারনেট বিশ্লেষণ বিষয়ক পরিচালক ডৌগ মাডোরি জানান, ভিয়েতনাম ও ফিলিপিন্সের মতো স্থান থেকে কয়েক দফায় ট্রাফিকের অস্বাভাবিক ঢেউ আসে। মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া প্রায় ৩২ ঘণ্টার ব্যবধানে উত্তর কোরিয়ার বেশ কিছু ওয়েবসাইট অকার্যকর হয়ে পড়ে। একই সময়ে আসা এই নেটওয়ার্ক চাপ মূলত ভিয়েতনাম ও ভেনেজুয়েলা থেকে পরিচালিত একটি ডিডিওএস বা ডিসট্রিবিউটেড ডিনায়াল-অফ-সার্ভিস হামলা ছিল।

কেনটিকের সংগৃহীত উপাত্তে দেখা যায়, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে উত্তর কোরিয়ার নেটওয়ার্ক ট্রাফিকে হঠাৎ এই তীব্র চাপ শুরু হয়। তবে সংগৃহীত উপাত্ত দিয়ে হামলাকারীদের আসল পরিচয় বা কারা এর পেছনে রয়েছে তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই ইন্টারনেট বিভ্রাটের কারণে ডটকেপি ডোমেইন ব্যবহারকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কেসিএনএসহ ৪০টির বেশি সরকারি ওয়েবসাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে দক্ষিণ কোরীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, উত্তর কোরিয়ার অভ্যন্তরীণ অনিশ্চিত বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থাও এই সংযোগ বিচ্ছিন্নতার পেছনে অন্যতম কারণ হতে পারে। পিএইচপি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের ত্রুটি সংক্রান্ত বৈশ্বিক ইন্টারনেট সমস্যার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার এই বিভ্রাটের কোনো সম্পর্ক নেই। উল্লেখ্য, কঠোর নজরদারিতে থাকা উত্তর কোরিয়ার ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক অচল হওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম নয়।

জনপ্রিয়

এবার কক্সবাজারে হোটেলে আগুন, ৩০০ পর্যটকের মধ্যে আতঙ্ক-হুড়োহুড়ি

সাইবার হামলায় অচল ছিল উত্তর কোরিয়ার সরকারি ওয়েবসাইট

প্রকাশিত ১১:২২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সম্প্রতি সাইবার হামলার মুখে পড়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় উত্তর কোরিয়ার ইন্টারনেট সংযোগ। এই হামলার ফলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং রাষ্ট্রপরিচালিত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ে। মার্কিন নেটওয়ার্ক নজরদারি প্রতিষ্ঠান কেনটিকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই সপ্তাহের নির্দিষ্ট সময়ে উত্তর কোরিয়ার ইন্টারনেট ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিভ্রাট ঘটে।

কেনটিকের ইন্টারনেট বিশ্লেষণ বিষয়ক পরিচালক ডৌগ মাডোরি জানান, ভিয়েতনাম ও ফিলিপিন্সের মতো স্থান থেকে কয়েক দফায় ট্রাফিকের অস্বাভাবিক ঢেউ আসে। মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া প্রায় ৩২ ঘণ্টার ব্যবধানে উত্তর কোরিয়ার বেশ কিছু ওয়েবসাইট অকার্যকর হয়ে পড়ে। একই সময়ে আসা এই নেটওয়ার্ক চাপ মূলত ভিয়েতনাম ও ভেনেজুয়েলা থেকে পরিচালিত একটি ডিডিওএস বা ডিসট্রিবিউটেড ডিনায়াল-অফ-সার্ভিস হামলা ছিল।

কেনটিকের সংগৃহীত উপাত্তে দেখা যায়, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে উত্তর কোরিয়ার নেটওয়ার্ক ট্রাফিকে হঠাৎ এই তীব্র চাপ শুরু হয়। তবে সংগৃহীত উপাত্ত দিয়ে হামলাকারীদের আসল পরিচয় বা কারা এর পেছনে রয়েছে তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই ইন্টারনেট বিভ্রাটের কারণে ডটকেপি ডোমেইন ব্যবহারকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কেসিএনএসহ ৪০টির বেশি সরকারি ওয়েবসাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে দক্ষিণ কোরীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, উত্তর কোরিয়ার অভ্যন্তরীণ অনিশ্চিত বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থাও এই সংযোগ বিচ্ছিন্নতার পেছনে অন্যতম কারণ হতে পারে। পিএইচপি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের ত্রুটি সংক্রান্ত বৈশ্বিক ইন্টারনেট সমস্যার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার এই বিভ্রাটের কোনো সম্পর্ক নেই। উল্লেখ্য, কঠোর নজরদারিতে থাকা উত্তর কোরিয়ার ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক অচল হওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম নয়।