ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

‘রুমিন ফারহানা আপারা মৌসুমি রাজনীতি করেন’

রাজনীতি ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে থানায় গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাকে চোর বলে মব সৃষ্টির অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনে মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পর থেকেই রুমিন ফারহানা বিএনপির বিরুদ্ধে লাগাতার বিষোদগার ও মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি ঝিনাইদহ শহরে জুমার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন যে, এই সংসদ সদস্য রাজনৈতিক সুবিধা নিতে গিয়ে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ব্যবহারের অপচেষ্টা করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, নির্বাচন ঘনিয়ে আসার আগে রুমিন ফারহানা জামায়াত ও এনসিপির বিরুদ্ধে অত্যন্ত জোরালো বক্তব্য দিয়েছিলেন। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তিনি এখন সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী অবস্থান নিয়ে বিএনপির সমালোচনা করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি একজন ওসির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে থানায় গিয়ে তাকে আক্রমণ করা হয়েছে। রাশেদ খাঁর মতে, আওয়ামী লীগের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ তুলে কোনো ব্যক্তিকে হেনস্তা করা রুমিনের নিজের রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক।

রুমিন ফারহানার রাজনৈতিক চরিত্রকে মৌসুমি রাজনীতি বলে আখ্যায়িত করে রাশেদ খাঁন জানান, যখন যে পক্ষের অনুকূলে জনমত থাকে তিনি সেদিকেই ঝুঁকে পড়ার চেষ্টা করেন। বিএনপি থেকে বহিষ্কারের পর দল তাকে আর ফিরিয়ে নেবে না এমন ধারণা থেকেই তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলছেন। তিনি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরছেন বলেও মন্তব্য করেছেন। এসব বিষয় টেনে রাশেদ খাঁন কটাক্ষ করে বলেন যে, রুমিন ফারহানা এই মুহূর্তে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শাখার সভাপতি হিসেবে আচরণ করছেন।

ঝিনাইদহ শহরের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন। নামাজ আদায়ের সময় ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ঝিনাইদহ জেলা সভাপতি ডা. মো. হাসানুজ্জামানসহ স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এই ধরনের সুবিধাবাদী ও অস্থিতিশীল রাজনৈতিক কার্যক্রম দেশের রাজনীতিতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জনপ্রিয়

বিদায়, আমার বন্ধু: স্মৃতির পাতায় তৌফিক

‘রুমিন ফারহানা আপারা মৌসুমি রাজনীতি করেন’

প্রকাশিত ০৯:৫২:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে থানায় গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাকে চোর বলে মব সৃষ্টির অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনে মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পর থেকেই রুমিন ফারহানা বিএনপির বিরুদ্ধে লাগাতার বিষোদগার ও মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি ঝিনাইদহ শহরে জুমার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন যে, এই সংসদ সদস্য রাজনৈতিক সুবিধা নিতে গিয়ে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ব্যবহারের অপচেষ্টা করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, নির্বাচন ঘনিয়ে আসার আগে রুমিন ফারহানা জামায়াত ও এনসিপির বিরুদ্ধে অত্যন্ত জোরালো বক্তব্য দিয়েছিলেন। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তিনি এখন সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী অবস্থান নিয়ে বিএনপির সমালোচনা করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি একজন ওসির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে থানায় গিয়ে তাকে আক্রমণ করা হয়েছে। রাশেদ খাঁর মতে, আওয়ামী লীগের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ তুলে কোনো ব্যক্তিকে হেনস্তা করা রুমিনের নিজের রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক।

রুমিন ফারহানার রাজনৈতিক চরিত্রকে মৌসুমি রাজনীতি বলে আখ্যায়িত করে রাশেদ খাঁন জানান, যখন যে পক্ষের অনুকূলে জনমত থাকে তিনি সেদিকেই ঝুঁকে পড়ার চেষ্টা করেন। বিএনপি থেকে বহিষ্কারের পর দল তাকে আর ফিরিয়ে নেবে না এমন ধারণা থেকেই তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলছেন। তিনি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরছেন বলেও মন্তব্য করেছেন। এসব বিষয় টেনে রাশেদ খাঁন কটাক্ষ করে বলেন যে, রুমিন ফারহানা এই মুহূর্তে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শাখার সভাপতি হিসেবে আচরণ করছেন।

ঝিনাইদহ শহরের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন। নামাজ আদায়ের সময় ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ঝিনাইদহ জেলা সভাপতি ডা. মো. হাসানুজ্জামানসহ স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এই ধরনের সুবিধাবাদী ও অস্থিতিশীল রাজনৈতিক কার্যক্রম দেশের রাজনীতিতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।