ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

এবার কক্সবাজারে হোটেলে আগুন, ৩০০ পর্যটকের মধ্যে আতঙ্ক-হুড়োহুড়ি

সারাদেশ ডেস্ক: কক্সবাজার শহরের সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকার দ্য সি প্রিন্সেস হোটেলের নিচতলার পার্কিংয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি বিকেলে ঘটে যাওয়া এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় হোটেলটিতে অবস্থানরত প্রায় তিনশ পর্যটকের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও হুড়োহুড়ি শুরু হয়। সৌভাগ্যবশত, এই ঘটনায় কোনো ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। রিসোর্টে সাম্প্রতিক বড় ধরনের মৃত্যুর ঘটনার এক সপ্তাহ পার না হতেই আরেকটি হোটেলে এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটল।

খবর পেয়েই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই হোটেল কর্তৃপক্ষের নিজস্ব উদ্যোগে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হয়। অগ্নিকাণ্ডের প্রাথমিক কারণ হিসেবে জেনারেটরের শর্টসার্কিটকে দায়ী করা হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় পার্কিং এলাকায় থাকা জেনারেটরসহ বেশ কিছু অংশ পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল কাদের জানান, ঘটনার সময় হোটেলটিতে তিন শতাধিক পর্যটক অবস্থান করছিলেন এবং তারা সবাই সম্পূর্ণ নিরাপদে আছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তাদের প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রয়েছে। হোটেল কর্মীদের দ্রুত ও তৎপর ভূমিকার কারণেই একটি বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে তিনি জানান।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা দোলন আচার্য্য ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পর্যটন নগরীর হোটেলগুলোতে বারবার এ ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের কারণে এই যাত্রায় বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো গেলেও পর্যটন এলাকার হোটেলগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

জনপ্রিয়

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরের ২০ বছর: উদযাপন রূপ নিল শোকসভায়

এবার কক্সবাজারে হোটেলে আগুন, ৩০০ পর্যটকের মধ্যে আতঙ্ক-হুড়োহুড়ি

প্রকাশিত ০১:০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

সারাদেশ ডেস্ক: কক্সবাজার শহরের সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকার দ্য সি প্রিন্সেস হোটেলের নিচতলার পার্কিংয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি বিকেলে ঘটে যাওয়া এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় হোটেলটিতে অবস্থানরত প্রায় তিনশ পর্যটকের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও হুড়োহুড়ি শুরু হয়। সৌভাগ্যবশত, এই ঘটনায় কোনো ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। রিসোর্টে সাম্প্রতিক বড় ধরনের মৃত্যুর ঘটনার এক সপ্তাহ পার না হতেই আরেকটি হোটেলে এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটল।

খবর পেয়েই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই হোটেল কর্তৃপক্ষের নিজস্ব উদ্যোগে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হয়। অগ্নিকাণ্ডের প্রাথমিক কারণ হিসেবে জেনারেটরের শর্টসার্কিটকে দায়ী করা হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় পার্কিং এলাকায় থাকা জেনারেটরসহ বেশ কিছু অংশ পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল কাদের জানান, ঘটনার সময় হোটেলটিতে তিন শতাধিক পর্যটক অবস্থান করছিলেন এবং তারা সবাই সম্পূর্ণ নিরাপদে আছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তাদের প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রয়েছে। হোটেল কর্মীদের দ্রুত ও তৎপর ভূমিকার কারণেই একটি বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে তিনি জানান।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা দোলন আচার্য্য ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পর্যটন নগরীর হোটেলগুলোতে বারবার এ ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের কারণে এই যাত্রায় বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো গেলেও পর্যটন এলাকার হোটেলগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।