ঢাকা ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo অস্ট্রেলিয়া সফর করল এআইইউবির প্রতিনিধি দল Logo চবির হীরকজয়ন্তী উদযাপনে রেজিস্ট্রেশন শুরু Logo ঢাকা-সৌদি রুটের ১৫৯ ফ্লাইট বাতিল, প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে Logo ব্র্যাক ব্যাংক-বিএইচএফ হকি ক্যাম্পে প্রশিক্ষণে ২৪ নারী গোলরক্ষক Logo রিকেলটন-মুল্ডারের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পর শেষ দিনের রোমাঞ্চের অপেক্ষা Logo আমার গান ভালো না লাগলে শুনবেন না, কেন বললন সেলেনা গোমেজ Logo থাইল্যান্ডকে আমদানি বাড়ানো, শুল্ক কমানোর প্রস্তাব বাংলাদেশের Logo কুবিতে এক্সিকিউটিভ এমবিএ প্রোগ্রামের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo ১৯তম বিজেএস পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতে বাসের ব্যবস্থা জাবি প্রশাসনের Logo সোডা-তেল-চিনি দিয়ে তৈরি দুধ, বিক্রি হয় দোকানে দোকানে

থাইল্যান্ডকে আমদানি বাড়ানো, শুল্ক কমানোর প্রস্তাব বাংলাদেশের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাসের লক্ষ্যে থাইল্যান্ডকে বাংলাদেশ থেকে অধিক পরিমাণে পাটজাত পণ্য ও ওষুধ আমদানির আহ্বান জানানো হয়েছে। ব্যাংককে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ফরেন অফিস কনসালটেশনে (এফওসি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবসমূহ তুলে ধরে। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং থাই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব একসিরি পিনতারুচি। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে থাইল্যান্ডের দিকে পাল্লা ভারী থাকায় এই আলোচনার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

বাণিজ্যিক তথ্যানুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির মোট পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হলেও বাংলাদেশ থেকে রপ্তানির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম। থাই বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে শুল্ক কমানোর প্রস্তাবের পাশাপাশি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা দ্রুত শুরু করার অনুরোধ জানিয়েছে থাইল্যান্ড। এছাড়া চট্টগ্রাম ও রানং বন্দরের মধ্যে সরাসরি নৌপথ চালু হওয়ায় পণ্য পরিবহনের সময় ও খরচ উভয়ই হ্রাস পাবে বলে উভয়পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

বৈঠকে কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে থাইল্যান্ডের কারিগরি সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ কামনা করেছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে হালাল খাদ্য বাজারের প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং থাইল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সির মাধ্যমে বাংলাদেশি পেশাদারদের বিভিন্নখাতে প্রশিক্ষণের কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে, থাইল্যান্ড তাদের ‘এক গ্রাম এক পণ্য’ কর্মসূচির অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

জ্বালানি খাতে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জনে কৃষি বর্জ্যকে বিদ্যুতে রূপান্তরে থাই অভিজ্ঞতা নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি আসিয়ানের ‘সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার’ হওয়া এবং রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে যোগদানের ক্ষেত্রে থাইল্যান্ডের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। খেলাধুলা ও সংস্কৃতির প্রসারে ক্রিকেট এবং তায়কোয়ান্দো প্রশিক্ষণে পারস্পরিক দক্ষতা বিনিময়ের বিষয়েও দুই দেশ ঐকমত্যে পৌঁছেছে।

জনপ্রিয়

অস্ট্রেলিয়া সফর করল এআইইউবির প্রতিনিধি দল

থাইল্যান্ডকে আমদানি বাড়ানো, শুল্ক কমানোর প্রস্তাব বাংলাদেশের

প্রকাশিত ১০:২২:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাসের লক্ষ্যে থাইল্যান্ডকে বাংলাদেশ থেকে অধিক পরিমাণে পাটজাত পণ্য ও ওষুধ আমদানির আহ্বান জানানো হয়েছে। ব্যাংককে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ফরেন অফিস কনসালটেশনে (এফওসি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবসমূহ তুলে ধরে। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং থাই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব একসিরি পিনতারুচি। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে থাইল্যান্ডের দিকে পাল্লা ভারী থাকায় এই আলোচনার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

বাণিজ্যিক তথ্যানুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির মোট পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হলেও বাংলাদেশ থেকে রপ্তানির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম। থাই বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে শুল্ক কমানোর প্রস্তাবের পাশাপাশি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা দ্রুত শুরু করার অনুরোধ জানিয়েছে থাইল্যান্ড। এছাড়া চট্টগ্রাম ও রানং বন্দরের মধ্যে সরাসরি নৌপথ চালু হওয়ায় পণ্য পরিবহনের সময় ও খরচ উভয়ই হ্রাস পাবে বলে উভয়পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

বৈঠকে কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে থাইল্যান্ডের কারিগরি সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ কামনা করেছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে হালাল খাদ্য বাজারের প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং থাইল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সির মাধ্যমে বাংলাদেশি পেশাদারদের বিভিন্নখাতে প্রশিক্ষণের কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে, থাইল্যান্ড তাদের ‘এক গ্রাম এক পণ্য’ কর্মসূচির অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

জ্বালানি খাতে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জনে কৃষি বর্জ্যকে বিদ্যুতে রূপান্তরে থাই অভিজ্ঞতা নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি আসিয়ানের ‘সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার’ হওয়া এবং রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে যোগদানের ক্ষেত্রে থাইল্যান্ডের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। খেলাধুলা ও সংস্কৃতির প্রসারে ক্রিকেট এবং তায়কোয়ান্দো প্রশিক্ষণে পারস্পরিক দক্ষতা বিনিময়ের বিষয়েও দুই দেশ ঐকমত্যে পৌঁছেছে।