ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo গার্হস্থ্য অর্থনীতির অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে গভীর রাতে বিক্ষোভ Logo নতুন রাজনৈতিক দল গড়ার ইঙ্গিত সামান্তার Logo নোবিপ্রবিতে ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে সাপের কামড় প্রতিরোধ ও সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন Logo জাবির সিএলসি ইনস্টিটিউটে পরিচালক নিয়োগ: ‘স্বার্থের দ্বন্দ্ব’ ও শিক্ষক পদের দেনদরবারের অভিযোগ! Logo ট্রাম্পের চোখে ‘যুদ্ধের নায়ক’, তবুও নির্বাচনে পরাজয়ের ‘বলির পাঁঠা’ হেগসেথ? Logo ঢামেকে চীনা চিকিৎসক দলের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমের সমাপনী Logo ‘স্বস্তি পেলাম’, কফি উইথ করণ শেষে কারিনার প্রতিক্রিয়া Logo কক্সবাজার পর্যটন কার্নিভালে টিকেটিং পার্টনার টিকিফাই Logo প্রকৃত শ্রমিকরা আর আন্দোলনে নেই: রিজভী Logo মালয়েশিয়ায় ডিসেম্বরে কর্মী পাঠানো শুরুর আশা

জাবিতে পারমাণবিক জ্বালানি নিয়ে শিক্ষার্থীদের সক্রেটিক আলোচনা

পারমাণবিক জ্বালানির অর্থনৈতিক সক্ষমতা, সরকারি ভর্তুকি, নিয়ন্ত্রক কাঠামো ও নীতিগত বিভিন্ন দিক নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সক্রেটিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের শিক্ষার্থী সংসদ কক্ষে স্টুডেন্টস ফর লিবার্টি (এসএফএল) বাংলাদেশের উদ্যোগে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

‘পারমাণবিক জ্বালানি: বাজার, নিয়ন্ত্রণ এবং নিজস্ব সক্ষমতায় টিকে থাকার প্রশ্ন’ শীর্ষক আলোচনায় মূলত প্রতিযোগিতামূলক বাজারে পারমাণবিক জ্বালানি নিজস্ব অর্থনৈতিক সক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে কি না, নাকি এর জন্য ধারাবাহিক সরকারি সহায়তা প্রয়োজন—সে বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

অনুষ্ঠানে আয়োজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ফারজানা তায়্যিবা এবং সহ-আয়োজক ছিলেন নিয়াজ মোরশেদ। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

আলোচনায় ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে পারমাণবিক জ্বালানির ভূমিকা, মুক্তবাজার অর্থনীতি, প্রতিযোগিতা, উদ্ভাবন, সরকারি ভর্তুকি, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসইতার বিভিন্ন দিক উঠে আসে।

প্রচলিত বিতর্কের পরিবর্তে সক্রেটিক সেমিনার পদ্ধতিতে আয়োজিত এ আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্লেষণ, প্রচলিত ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং প্রমাণভিত্তিক যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগ পান। পারস্পরিক প্রশ্নোত্তর ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে তাঁরা পারমাণবিক জ্বালানির অর্থনৈতিক ও নীতিগত সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জগুলো পর্যালোচনা করেন।

আয়োজকদের মতে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাধীন চিন্তা, মুক্ত অনুসন্ধান, যুক্তিনির্ভর মতবিনিময় এবং ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল মনোভাব গড়ে তোলাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি জ্বালানি নীতি, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও টেকসই উন্নয়নের পারস্পরিক সম্পর্ক সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা তৈরিতেও এ ধরনের আয়োজন ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, স্টুডেন্টস ফর লিবার্টি বাংলাদেশ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যক্তিস্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা, মুক্ত সংলাপ ও স্বেচ্ছামূলক সহযোগিতার ধারণা প্রসারে বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

জনপ্রিয়

গার্হস্থ্য অর্থনীতির অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে গভীর রাতে বিক্ষোভ

জাবিতে পারমাণবিক জ্বালানি নিয়ে শিক্ষার্থীদের সক্রেটিক আলোচনা

প্রকাশিত ০২:০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

পারমাণবিক জ্বালানির অর্থনৈতিক সক্ষমতা, সরকারি ভর্তুকি, নিয়ন্ত্রক কাঠামো ও নীতিগত বিভিন্ন দিক নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সক্রেটিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের শিক্ষার্থী সংসদ কক্ষে স্টুডেন্টস ফর লিবার্টি (এসএফএল) বাংলাদেশের উদ্যোগে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

‘পারমাণবিক জ্বালানি: বাজার, নিয়ন্ত্রণ এবং নিজস্ব সক্ষমতায় টিকে থাকার প্রশ্ন’ শীর্ষক আলোচনায় মূলত প্রতিযোগিতামূলক বাজারে পারমাণবিক জ্বালানি নিজস্ব অর্থনৈতিক সক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে কি না, নাকি এর জন্য ধারাবাহিক সরকারি সহায়তা প্রয়োজন—সে বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

অনুষ্ঠানে আয়োজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ফারজানা তায়্যিবা এবং সহ-আয়োজক ছিলেন নিয়াজ মোরশেদ। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

আলোচনায় ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে পারমাণবিক জ্বালানির ভূমিকা, মুক্তবাজার অর্থনীতি, প্রতিযোগিতা, উদ্ভাবন, সরকারি ভর্তুকি, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসইতার বিভিন্ন দিক উঠে আসে।

প্রচলিত বিতর্কের পরিবর্তে সক্রেটিক সেমিনার পদ্ধতিতে আয়োজিত এ আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্লেষণ, প্রচলিত ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং প্রমাণভিত্তিক যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগ পান। পারস্পরিক প্রশ্নোত্তর ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে তাঁরা পারমাণবিক জ্বালানির অর্থনৈতিক ও নীতিগত সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জগুলো পর্যালোচনা করেন।

আয়োজকদের মতে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাধীন চিন্তা, মুক্ত অনুসন্ধান, যুক্তিনির্ভর মতবিনিময় এবং ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল মনোভাব গড়ে তোলাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি জ্বালানি নীতি, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও টেকসই উন্নয়নের পারস্পরিক সম্পর্ক সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা তৈরিতেও এ ধরনের আয়োজন ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, স্টুডেন্টস ফর লিবার্টি বাংলাদেশ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যক্তিস্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা, মুক্ত সংলাপ ও স্বেচ্ছামূলক সহযোগিতার ধারণা প্রসারে বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।