ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

কেমন আছে জাপানে পড়তে যাওয়া বাংলাদেশি ছাত্ররা

প্রবাস ডেস্ক: উন্নত জীবনের স্বপ্ন নিয়ে এশিয়ার শিল্পোন্নত দেশ জাপানে পাড়ি জমানো বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জীবন অত্যন্ত সংগ্রামমুখর ও ব্যস্ততায় ভরা। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান এসব তরুণদের পড়াশোনার পাশাপাশি জীবিকা নির্বাহের জন্য নিয়মিত কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জাপানে পড়তে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এই নিত্যদিনের জীবনযাত্রা ও না বলা কষ্টের চিত্র উঠে এসেছে।

জাপানের নাগোয়া শহরে বসবাসরত ইয়াসিন, জোবায়ের ও রাশেদের মতো শিক্ষার্থীরা দিনভর ক্লাস ও কাজের ফাঁকে খুব কম সময় একসঙ্গে কাটানোর সুযোগ পান। কুমিল্লার ইয়াসিন ও মুন্সিগঞ্জের রাশেদ অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং জোবায়ের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেসে পড়াশোনা করছেন। দেশ থেকে জাপানি ভাষা শিখে দেশটিতে পৌঁছালেও তাদের প্রতিটি দিন কাটে ক্লাস, কাজ ও পরিশ্রান্ত শরীরে ঘুমানোর রুটিনের মধ্য দিয়ে।

কঠিন এই প্রবাসজীবনে পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেদের রান্নাবান্না থেকে শুরু করে ঘরের সব কাজ নিজেদেরই সামলাতে হয়। কঠোর নিয়মের দেশ জাপানে জীবনযাত্রার প্রতিটি ধাপে নিয়মের কড়াকড়ি থাকলেও এখানকার মানুষের বন্ধুসুলভ ও সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব তরুণদের পথচলা কিছুটা সহজ করে। তবে ভাষা ও নিয়মকানুন সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না নিয়ে দেশটিতে গেলে নতুনদের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাধার মুখে পড়তে হয়।

পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে এবং স্বচ্ছলতা অর্জনের লক্ষ্যে বিশ্বজিৎ ঠাকুরের মতো অনেক তরুণ প্রিয়জনদের ছেড়ে বিদেশে কঠোর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে জাপানে আসা বিশ্বজিতের মতো শিক্ষার্থীরা বিশ্বাস করেন যে তাদের এই ত্যাগ একদিন সার্থক হবে। পরিশ্রান্ত ও যান্ত্রিক জীবনের মধ্যেও এই তরুণদের চোখে রয়েছে নিজেদের এবং পরিবারের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন।

জনপ্রিয়

ছবির রাজনীতি ও ক্ষমতা

কেমন আছে জাপানে পড়তে যাওয়া বাংলাদেশি ছাত্ররা

প্রকাশিত ১২:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

প্রবাস ডেস্ক: উন্নত জীবনের স্বপ্ন নিয়ে এশিয়ার শিল্পোন্নত দেশ জাপানে পাড়ি জমানো বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জীবন অত্যন্ত সংগ্রামমুখর ও ব্যস্ততায় ভরা। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান এসব তরুণদের পড়াশোনার পাশাপাশি জীবিকা নির্বাহের জন্য নিয়মিত কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জাপানে পড়তে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এই নিত্যদিনের জীবনযাত্রা ও না বলা কষ্টের চিত্র উঠে এসেছে।

জাপানের নাগোয়া শহরে বসবাসরত ইয়াসিন, জোবায়ের ও রাশেদের মতো শিক্ষার্থীরা দিনভর ক্লাস ও কাজের ফাঁকে খুব কম সময় একসঙ্গে কাটানোর সুযোগ পান। কুমিল্লার ইয়াসিন ও মুন্সিগঞ্জের রাশেদ অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং জোবায়ের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেসে পড়াশোনা করছেন। দেশ থেকে জাপানি ভাষা শিখে দেশটিতে পৌঁছালেও তাদের প্রতিটি দিন কাটে ক্লাস, কাজ ও পরিশ্রান্ত শরীরে ঘুমানোর রুটিনের মধ্য দিয়ে।

কঠিন এই প্রবাসজীবনে পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেদের রান্নাবান্না থেকে শুরু করে ঘরের সব কাজ নিজেদেরই সামলাতে হয়। কঠোর নিয়মের দেশ জাপানে জীবনযাত্রার প্রতিটি ধাপে নিয়মের কড়াকড়ি থাকলেও এখানকার মানুষের বন্ধুসুলভ ও সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব তরুণদের পথচলা কিছুটা সহজ করে। তবে ভাষা ও নিয়মকানুন সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না নিয়ে দেশটিতে গেলে নতুনদের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাধার মুখে পড়তে হয়।

পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে এবং স্বচ্ছলতা অর্জনের লক্ষ্যে বিশ্বজিৎ ঠাকুরের মতো অনেক তরুণ প্রিয়জনদের ছেড়ে বিদেশে কঠোর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে জাপানে আসা বিশ্বজিতের মতো শিক্ষার্থীরা বিশ্বাস করেন যে তাদের এই ত্যাগ একদিন সার্থক হবে। পরিশ্রান্ত ও যান্ত্রিক জীবনের মধ্যেও এই তরুণদের চোখে রয়েছে নিজেদের এবং পরিবারের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন।