ঢাকা ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo কবি নজরুল কলেজে সাবেক বিএনসিসি ক্যাডেটদের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo ‎ইবি শিক্ষিকা হত্যাকান্ডে কুবি শিক্ষক সমিতির তীব্র নিন্দা ও শোক প্রকাশ Logo বাকৃবিস্থ বৃহত্তর দিনাজপুর সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল এবং কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা Logo কুবি শিক্ষককে অপহরণের ঘটনায় অজ্ঞাত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা Logo জাবিতে স্কাউটসের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ও ছাত্র নেতৃবৃন্দের সম্মানে ডাকসুর ইফতার মাহফিল Logo পাবিপ্রবি গেটসংলগ্ন সাঈদের দোকানের ইফতারে আবারও মিললো গোবরে পোকা Logo বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রাকসুর প্রতিনিধি সম্মেলন  Logo যবিপ্রবিতে রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল Logo বেগম জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় জাবি ছাত্রদলের ইফতার

মামলার ভয়ে শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি: এস এম জিলানী

জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক দাবি করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম জিলানী বলেছেন ‘রাষ্ট্রদ্রোহের মামলার ভয়ে শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। আমরা ইতিহাস থেকে জেনেছি, বই পড়ে জেনেছি। শেখ মুজিবুর রহমান ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে থাকতেন। ১৯৭১ সালে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা তাজউদ্দীনসহ কয়েকজন তার বাসায় গিয়ে বলেছিলেন, নেতা যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।’

‘কিন্তু, সেদিন তথাকথিত অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে রাজি হননি। তিনি বলেছিলেন, তোমরা কি আমাকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলাতে চাও? তাজউদ্দীন আহমদ তখন বলেন, নেতা তাহলে আপনি আত্মগোপনে চলে যান, সেখান থেকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করুন। তিনি সেদিন আত্মগোপনে না গিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে আত্মসমপর্ণ করে পাকিস্তানে চলে যান তিন। এ সময় সেনা কর্মকর্তা মেজর জিয়াউর রহমান ২৬ শে মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।’

বুধবার (১১ জুন) দুপুরে স্থানীয় জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে কোটালীপাড়া উপজেলা ছাত্রদল আয়োজিত এক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘যখন দেশে একটিমাত্র ছাত্রসংগঠন ছিল, তখন ওই ছাত্রসংগঠন সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছিল। টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, ধর্ষণসহ এমন কোনো অপকর্ম নেই, যা ওই ছাত্রসংগঠনটি করেনি। আমাদের আদর্শের জনক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তখন জাতির প্রয়োজনে ছাত্রদল গঠন করেছিলেন।’

ছাত্রদল নেতাদের উদ্দেশে এস এম জিলানী বলেন, ‘আদর্শ যদি সামনে না থাকে রাজনীতি কখনো পরিশুদ্ধ হবে না। এই আদর্শকে সামনে রেখে দেশের সব কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের কমিটি গঠন করতে হবে। এই কমিটিতে যারা নেতৃত্ব দেবেন তারা ছাত্রদের অধিকার আদায় ও দেশের কল্যাণের জন্য কাজ করবেন।’

সংস্কার বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের এই শীর্ষনেতা বলেন, অনেক রাজনৈতিক দল এখন অনেক কথা বলছেন, সংস্কারের কথা বলছেন। এসব রাজনৈতিক দলের সংস্কার প্রস্তাব আনার ক্ষমতা নেই, তা বাস্তবায়নেরও ক্ষমতা নেই। বাংলাদেশে একমাত্র বিএনপির রাজনৈতিক ভীত রয়েছে। এ দলটির প্রতিষ্ঠাতা আমাদের আদর্শের জনক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আর তারই সুযোগ্য পুত্র আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমান এই রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য ৩১ দফা ঘোষণা করেছেন।

এই ৩১ দফা যদি বাস্তবায়ন করা হয় তাহলে আগামীর বাংলাদেশ হবে দুর্নীতি, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও দখলদারমুক্ত বাংলাদেশ।

উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক লালন শেখের সভাপতিত্বে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে কোটালীপাড়া ছাত্রদলের মাঝে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী দাড়িয়া্, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল বাশার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব ওলিউর রহমান হাওলাদার, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব নিলয় হাওলাদার মস্তফা ও উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

কবি নজরুল কলেজে সাবেক বিএনসিসি ক্যাডেটদের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

মামলার ভয়ে শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি: এস এম জিলানী

প্রকাশিত ০৭:২০:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক দাবি করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম জিলানী বলেছেন ‘রাষ্ট্রদ্রোহের মামলার ভয়ে শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। আমরা ইতিহাস থেকে জেনেছি, বই পড়ে জেনেছি। শেখ মুজিবুর রহমান ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে থাকতেন। ১৯৭১ সালে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা তাজউদ্দীনসহ কয়েকজন তার বাসায় গিয়ে বলেছিলেন, নেতা যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।’

‘কিন্তু, সেদিন তথাকথিত অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে রাজি হননি। তিনি বলেছিলেন, তোমরা কি আমাকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলাতে চাও? তাজউদ্দীন আহমদ তখন বলেন, নেতা তাহলে আপনি আত্মগোপনে চলে যান, সেখান থেকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করুন। তিনি সেদিন আত্মগোপনে না গিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে আত্মসমপর্ণ করে পাকিস্তানে চলে যান তিন। এ সময় সেনা কর্মকর্তা মেজর জিয়াউর রহমান ২৬ শে মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।’

বুধবার (১১ জুন) দুপুরে স্থানীয় জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে কোটালীপাড়া উপজেলা ছাত্রদল আয়োজিত এক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘যখন দেশে একটিমাত্র ছাত্রসংগঠন ছিল, তখন ওই ছাত্রসংগঠন সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছিল। টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, ধর্ষণসহ এমন কোনো অপকর্ম নেই, যা ওই ছাত্রসংগঠনটি করেনি। আমাদের আদর্শের জনক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তখন জাতির প্রয়োজনে ছাত্রদল গঠন করেছিলেন।’

ছাত্রদল নেতাদের উদ্দেশে এস এম জিলানী বলেন, ‘আদর্শ যদি সামনে না থাকে রাজনীতি কখনো পরিশুদ্ধ হবে না। এই আদর্শকে সামনে রেখে দেশের সব কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের কমিটি গঠন করতে হবে। এই কমিটিতে যারা নেতৃত্ব দেবেন তারা ছাত্রদের অধিকার আদায় ও দেশের কল্যাণের জন্য কাজ করবেন।’

সংস্কার বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের এই শীর্ষনেতা বলেন, অনেক রাজনৈতিক দল এখন অনেক কথা বলছেন, সংস্কারের কথা বলছেন। এসব রাজনৈতিক দলের সংস্কার প্রস্তাব আনার ক্ষমতা নেই, তা বাস্তবায়নেরও ক্ষমতা নেই। বাংলাদেশে একমাত্র বিএনপির রাজনৈতিক ভীত রয়েছে। এ দলটির প্রতিষ্ঠাতা আমাদের আদর্শের জনক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আর তারই সুযোগ্য পুত্র আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমান এই রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য ৩১ দফা ঘোষণা করেছেন।

এই ৩১ দফা যদি বাস্তবায়ন করা হয় তাহলে আগামীর বাংলাদেশ হবে দুর্নীতি, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও দখলদারমুক্ত বাংলাদেশ।

উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক লালন শেখের সভাপতিত্বে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে কোটালীপাড়া ছাত্রদলের মাঝে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী দাড়িয়া্, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল বাশার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব ওলিউর রহমান হাওলাদার, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব নিলয় হাওলাদার মস্তফা ও উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।