ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের মূল পর্বে বাংলাদেশ

প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের মূল পর্বে বাংলাদেশ

প্রথমবারের মতো এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপ ফুটবলের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ নারী দল। রানার্স-আপ আট দলের মধ্যে গোল গড়ে তৃতীয় স্থানে থেকে আগামী বছর থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় মূল পর্বে খেলবে লাল-সবুজের মেয়েরা।

আজ দুপুরে ‘এইচ’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬-১ গোলে হারায় বাংলাদেশের মূল পর্বে খেলা কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। তবে আট গ্রুপের রানার্স-আপ হওয়া দলগুলোর মধ্যে সেরা তিনে থাকলেই মূল পর্বে খেলার সুযোগ ছিল।

সন্ধ্যায় ‘ই’ গ্রুপে চীনের কাছে লেবানন ৮-০ গোলে হেরে যাওয়ার পর বাংলাদেশ নিশ্চিত হয়ে যায় মূল পর্বে। পয়েন্ট সমান (৬) হলেও গোল গড়ে লেবাননকে পিছিয়ে দেয় গোলশূন্য বাংলাদেশ দল।

গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত সূচনা করে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক লাওসকে ৩-১ গোলে হারানোর পর দ্বিতীয় ম্যাচে তিমুর লেস্তেকে ৮-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দেয় তারা। ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্স-আপ হয়ে শেষ করে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের মেয়েদের এই ঐতিহাসিক সাফল্য দেশের নারী ফুটবলের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল।

জনপ্রিয়

প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের মূল পর্বে বাংলাদেশ

প্রকাশিত ১০:৫৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

প্রথমবারের মতো এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপ ফুটবলের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ নারী দল। রানার্স-আপ আট দলের মধ্যে গোল গড়ে তৃতীয় স্থানে থেকে আগামী বছর থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় মূল পর্বে খেলবে লাল-সবুজের মেয়েরা।

আজ দুপুরে ‘এইচ’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬-১ গোলে হারায় বাংলাদেশের মূল পর্বে খেলা কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। তবে আট গ্রুপের রানার্স-আপ হওয়া দলগুলোর মধ্যে সেরা তিনে থাকলেই মূল পর্বে খেলার সুযোগ ছিল।

সন্ধ্যায় ‘ই’ গ্রুপে চীনের কাছে লেবানন ৮-০ গোলে হেরে যাওয়ার পর বাংলাদেশ নিশ্চিত হয়ে যায় মূল পর্বে। পয়েন্ট সমান (৬) হলেও গোল গড়ে লেবাননকে পিছিয়ে দেয় গোলশূন্য বাংলাদেশ দল।

গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত সূচনা করে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক লাওসকে ৩-১ গোলে হারানোর পর দ্বিতীয় ম্যাচে তিমুর লেস্তেকে ৮-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দেয় তারা। ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্স-আপ হয়ে শেষ করে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের মেয়েদের এই ঐতিহাসিক সাফল্য দেশের নারী ফুটবলের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল।