ঢাকা ১০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে জাকসুর উদ্যোগে আঞ্চলিক বিতর্কের আয়োজন Logo বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় ভাষা আন্দোলনের প্রভাব: অধ্যাপক ড. শামছুল আলম সেলিম Logo জাবিতে ৬ষ্ঠ কুরআনের অনুবাদ পাঠ প্রতিযোগিতা   Logo ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য: অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা Logo জাককানইবিতে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস Logo জাবিতে কুরআন অ্যান্ড কালচারাল স্টাডিজ ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা Logo ভাষার জন্য রক্ত, বাংলার জন্য অঙ্গীকার : একুশ মানেই শিকড়ের জয়গান  Logo রাবিতে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত Logo আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে জাবিতে বইমেলা ও কবিতা পাঠের আসর Logo সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাঙালিকে পঙ্গু করার চেষ্টা হয়েছিল: জাককানইবি ভিসি

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে জাবিতে বইমেলা ও কবিতা পাঠের আসর

শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে “মুখের বুলি।। মায়ের ভাষা” শিরোনামে দুইদিন ব্যাপী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বইমেলা ও কবিতা পাঠের আসরের আয়োজন করা হয়েছে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১২টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের মহুয়াতলায় বিবর্তন সংসদ ও জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের আয়োজনে মেলাটি উদ্বোধন করা হয় এবং আগামীকাল থেকে মেলা সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বইমেলায় একটি টেবিলে রয়েছে ‘জাহাঙ্গীরনগর কর্নার’, যেখানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও লেখকদের লেখা বই প্রদর্শিত হচ্ছে। অন্য টেবিলগুলোতে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বইসহ বিভিন্ন স্বনামধন্য লেখকের সাহিত্যকর্মের সমাহার রয়েছে।

বইমেলা ও কবিতা আয়োজন সম্পর্কে জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি সাইদুর রহমান সীমান্ত বলেন,
“উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ ফিতা কেটে মেলার সূচনা করেন এবং অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন, যা শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। যদিও কবিতা পাঠ ও পুতুলনাচ এখনো শুরু হয়নি, তবুও আয়োজকরা আশাবাদী যে এ আয়োজন বইপাঠের আগ্রহ বাড়াবে এবং সাহিত্য ও জ্ঞানভিত্তিক সংস্কৃতি বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”

বিবর্তন সংসদের আহ্বায়ক সাদেকুল ইসলাম টিমন বলেন, “ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে স্মরণ করে আমাদের এই বইমেলা ও কবিতা আয়োজন। শুধু বাংলা ভাষাই নয়, দেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতিও সম্মান জানানো এই আয়োজনের উদ্দেশ্য। আমরা চাই সব ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার সুষ্ঠু ও মর্যাদাপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত হোক, পাশাপাশি ভাষার বৈচিত্র্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধারণ করে সাহিত্যচর্চা আরও বিস্তৃত হোক।”

বিবর্তন সংসদের উপদেষ্টা তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা বলেন, “ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিকে সম্মান জানাতেই আমাদের এই আয়োজন। ভাষা আন্দোলন ছিল আমাদের অস্তিত্ব ও গণতান্ত্রিক পথযাত্রার সূচনা। বাংলা ভাষা রক্ষা না হলে আমাদের জাতিসত্তাও টিকে থাকত না। তাই আমরা চাই সর্বস্তরে শুদ্ধ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে বাংলা ভাষার প্রয়োগ নিশ্চিত হোক এবং নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থায় বাংলা তার যথাযথ অবস্থান লাভ করুক।”

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে কে এম রাশিদুল আলম, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডীন অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম সেলিম, গনিত বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম  উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে জাকসুর উদ্যোগে আঞ্চলিক বিতর্কের আয়োজন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে জাবিতে বইমেলা ও কবিতা পাঠের আসর

প্রকাশিত ০৫:২৩:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে “মুখের বুলি।। মায়ের ভাষা” শিরোনামে দুইদিন ব্যাপী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বইমেলা ও কবিতা পাঠের আসরের আয়োজন করা হয়েছে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১২টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের মহুয়াতলায় বিবর্তন সংসদ ও জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের আয়োজনে মেলাটি উদ্বোধন করা হয় এবং আগামীকাল থেকে মেলা সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বইমেলায় একটি টেবিলে রয়েছে ‘জাহাঙ্গীরনগর কর্নার’, যেখানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও লেখকদের লেখা বই প্রদর্শিত হচ্ছে। অন্য টেবিলগুলোতে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বইসহ বিভিন্ন স্বনামধন্য লেখকের সাহিত্যকর্মের সমাহার রয়েছে।

বইমেলা ও কবিতা আয়োজন সম্পর্কে জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি সাইদুর রহমান সীমান্ত বলেন,
“উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ ফিতা কেটে মেলার সূচনা করেন এবং অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন, যা শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। যদিও কবিতা পাঠ ও পুতুলনাচ এখনো শুরু হয়নি, তবুও আয়োজকরা আশাবাদী যে এ আয়োজন বইপাঠের আগ্রহ বাড়াবে এবং সাহিত্য ও জ্ঞানভিত্তিক সংস্কৃতি বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”

বিবর্তন সংসদের আহ্বায়ক সাদেকুল ইসলাম টিমন বলেন, “ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে স্মরণ করে আমাদের এই বইমেলা ও কবিতা আয়োজন। শুধু বাংলা ভাষাই নয়, দেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতিও সম্মান জানানো এই আয়োজনের উদ্দেশ্য। আমরা চাই সব ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার সুষ্ঠু ও মর্যাদাপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত হোক, পাশাপাশি ভাষার বৈচিত্র্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধারণ করে সাহিত্যচর্চা আরও বিস্তৃত হোক।”

বিবর্তন সংসদের উপদেষ্টা তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা বলেন, “ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিকে সম্মান জানাতেই আমাদের এই আয়োজন। ভাষা আন্দোলন ছিল আমাদের অস্তিত্ব ও গণতান্ত্রিক পথযাত্রার সূচনা। বাংলা ভাষা রক্ষা না হলে আমাদের জাতিসত্তাও টিকে থাকত না। তাই আমরা চাই সর্বস্তরে শুদ্ধ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে বাংলা ভাষার প্রয়োগ নিশ্চিত হোক এবং নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থায় বাংলা তার যথাযথ অবস্থান লাভ করুক।”

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে কে এম রাশিদুল আলম, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডীন অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম সেলিম, গনিত বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম  উপস্থিত ছিলেন।