ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্য নেই প্রায় ৭ কোটি বাংলাদেশির Logo দল থেকে বহিষ্কার হওয়া এমপি নজরুলের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যা জানালো ইসি Logo রান্না হতেই বদলে গেল রঙ, সবুজ মাংসের কড়াই নিয়ে সোজা থানায় ভুক্তভোগীরা! Logo জুলাই শহীদদের স্মরণে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল  Logo চরভদ্রাসনে খাল কাটায় ‘ভূতুড়ে শ্রমিক’: কাগজে ১৭৮, মাঠে ৫০ Logo আগামী বছরের শুরুতেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: মির্জা ফখরুল Logo বিক্ষোভকারীদের ওপর বলপ্রয়োগের ঘটনায় ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের Logo এনসিপি নেত্রীদের ‘জামাতের দাসী’ বলে ট্রল ও হেনস্তার প্রতিবাদ Logo কর্মসংস্থানে সমতার অঙ্গীকারে এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হলো স্বপ্ন Logo চার্জিং অ্যাংজাইটিকে বিদায় জানাচ্ছে ভিভোর নতুন ফোন

আহমদ ছফার কবর বুদ্ধিজীবীতে স্থানান্তর

মৃত্যুর প্রায় ২৫ বছর পর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ আহমদ ছফার কবর। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ব্যবস্থাপনায় দেহাবশেষ স্থানান্তরের কাজ সম্পন্ন হয়।

একুশে পদকপ্রাপ্ত সাহিত্যিক আহমদ ছফা ২০০১ সালের ২৮ জুলাই মারা যান। তাকে কবর দেওয়া হয় মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সাধারণ মানুষদের জন্য নির্ধারিত স্থানে। সেখানে তার কবর নম্বর ছিল-১০৮০।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে কবরস্থানের যে অংশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন করা হয়, সেখানে আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তর করা হয়েছে।

ডিএনসিসির সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, পুরনো কবর থেকে আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তরের কাজ বেলা ১১টার দিকে শুরু হয়। বৃষ্টির কারণে একটু দেরি হয়েছে। আনুমানিক সাড়ে ১২টা থেকে পৌনে ১টার মধ্যে কাজটা শেষ হয়।

ডিএনসিসি সূত্র জানায়, চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি লেখক আহমদ ছফার কবরটি বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তরের জন্য পরিবারের পক্ষে তার ভাইয়ের ছেলে নুরুল আনোয়ার একটি আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য, রাজনীতি, সমাজসেবা প্রতিটি ক্ষেত্রে লেখক আহমদ ছফার অবদান রয়েছে। কিন্তু আহমদ ছফাকে এ পর্যন্ত সেভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। এ সম্মান প্রদর্শনের জন্য তার কবরটি সাধারণ কবরস্থান থেকে সরিয়ে বুদ্ধিজীবী গোরস্তানে স্থানান্তর করা প্রয়োজন।’

ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ এপ্রিল ডিএনসিসির ১৪তম সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয় কবর স্থানান্তরের।

জনপ্রিয়

স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্য নেই প্রায় ৭ কোটি বাংলাদেশির

আহমদ ছফার কবর বুদ্ধিজীবীতে স্থানান্তর

প্রকাশিত ০৫:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

মৃত্যুর প্রায় ২৫ বছর পর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ আহমদ ছফার কবর। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ব্যবস্থাপনায় দেহাবশেষ স্থানান্তরের কাজ সম্পন্ন হয়।

একুশে পদকপ্রাপ্ত সাহিত্যিক আহমদ ছফা ২০০১ সালের ২৮ জুলাই মারা যান। তাকে কবর দেওয়া হয় মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সাধারণ মানুষদের জন্য নির্ধারিত স্থানে। সেখানে তার কবর নম্বর ছিল-১০৮০।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে কবরস্থানের যে অংশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন করা হয়, সেখানে আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তর করা হয়েছে।

ডিএনসিসির সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, পুরনো কবর থেকে আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তরের কাজ বেলা ১১টার দিকে শুরু হয়। বৃষ্টির কারণে একটু দেরি হয়েছে। আনুমানিক সাড়ে ১২টা থেকে পৌনে ১টার মধ্যে কাজটা শেষ হয়।

ডিএনসিসি সূত্র জানায়, চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি লেখক আহমদ ছফার কবরটি বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তরের জন্য পরিবারের পক্ষে তার ভাইয়ের ছেলে নুরুল আনোয়ার একটি আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য, রাজনীতি, সমাজসেবা প্রতিটি ক্ষেত্রে লেখক আহমদ ছফার অবদান রয়েছে। কিন্তু আহমদ ছফাকে এ পর্যন্ত সেভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। এ সম্মান প্রদর্শনের জন্য তার কবরটি সাধারণ কবরস্থান থেকে সরিয়ে বুদ্ধিজীবী গোরস্তানে স্থানান্তর করা প্রয়োজন।’

ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ এপ্রিল ডিএনসিসির ১৪তম সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয় কবর স্থানান্তরের।