ঢাকা ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সৌদি আরবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু Logo দেশ গঠনে আলেম-ওলামাদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী Logo রুটিনে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নাম না থাকায় কবি নজরুল কলেজ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বর্জন Logo কবি নজরুল কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত Logo দাম বাড়লো জেট ফুয়েলের Logo রাষ্ট্রপতি পদে জামায়াত জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি Logo উত্তরায় ‘গ্রিনিং বাংলাদেশ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইবিয়ান ক্লাবের বৃক্ষরোপণ Logo জোর করে বশ্যতা স্বীকার করানোর চেষ্টা প্রতিহত করবে ইরান: পেজেশকিয়ান Logo জাকসুর সাংস্কৃতিক সম্পাদক শেখ জিসানের পদত্যাগের ঘোষণা Logo বুটেক্সে ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের সাত দফা দাবি

দেশ গঠনে আলেম-ওলামাদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

বাবুনগর মাদ্রাসায় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশ গঠনে আলেম-ওলামাদের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘নির্বাচনের আগে যেভাবে সবাই একসঙ্গে কাজ করেছেন, দেশ গঠনের কাজেও সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে।’

রবিবার (৯ আগস্ট) বিকালে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

সভায় প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি নির্বাচনের আগে আলেম-ওলামাদের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আজ ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় এসে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমি হুজুরকে কথা দিয়েছিলাম যে আমি আসবো। আল্লাহর রহমতে আমরা সরকার গঠন করেছি। আজকে আল্লাহ আমাকে সেই রহমত দিয়েছেন যে আমি এসে আমার প্রিয় হুজুরের কাছে যেতে পেরেছি।’

১৩তম সংসদ নির্বাচনে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য বিরোধীদের প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা ১৯৯১ সালে দেখেছি, ১৯৯৬ সালে দেখেছি এবং গত নির্বাচনেও আপনারা দেখেছেন যে, যারা দেশকে ভিন্ন পথে নিয়ে যেতে চেয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে আমরা ও আপনারা একসঙ্গে কাজ করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে তারা আবারও নানা ধরনের বক্তব্য ও অপতথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। সেজন্য বলছি যে, আমরা যে একসাথে কাজ করছি, দেশটাকে সঠিক রাখার চেষ্টা করছি। এখানে আমরা দুই বছর আগে যেমন একসাথে কাজ করেছি, হুজুরের (আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ) দোয়া নিয়ে আমি বলতে চাই, অনুরোধ জানাতে চাই যে, আগামী দিনগুলোতেও আমাদের একসাথে থাকতে হবে।’

কওমি মাদ্রাসার বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতে আমাদের একসাথে থাকতে হবে। হ্যাঁ, আমি জানি এখানে কিছু দাবি উত্থাপন করা হয়েছে, আমরা পর্যায়ক্রমে তা সমাধানের চেষ্টা করব। আমাদেরকে বুঝতে হবে, এ দেশে তো আরও অনেক মানুষ বাস করে। আমরা চাই এমন একটা বাংলাদেশ তৈরি করতে, যেখানে বাংলাদেশের মানুষ, বাংলাদেশের সন্তানেরা খেয়ে-পরে বেঁচে থাকবে, শান্তিতে থাকতে পারবে এবং বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একসাথে শান্তিতে বসবাস করবে।’

তিনি বলেন, ‘বিগত সরকারের সময়ে দেশের অর্থ-সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে দেশের মানুষকে বিভিন্ন সমস্যার খেসারত দিতে হচ্ছে।’

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে যারা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছে, এরা যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে সজাগ থাকতে হবে। আমাদেরকে দেশের মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে, চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে, শিক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে এবং রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ ও ব্রিজ-কালভার্ট সংস্কার ও উন্নয়ন করতে হবে।’

দেশীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিবেশ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে যদি বিশৃঙ্খলা না থাকলে বিদেশিরা বিনিয়োগ করবে, ফলে আমাদের সন্তানরা ও পরিবারের সদস্যরা চাকরির সুযোগ পাবে। দেশের মানুষের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য ফেরানোই আমাদের মূল দায়িত্ব।’

আলেম-ওলামাদের সরকারের সহযোগী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা সরাসরিভাবে সরকারে নেই, কিন্তু সরকারের সহযোগী হিসেবে আছেন। দেশের মানুষকে সঠিক পথে পরিচালনা ও দেশকে সঠিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের একার নয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বাস করে। আমরা ইসলাম ধর্মের মানুষেরা আমাদের ধর্ম পালন করব, অন্যরা তাদের ধর্ম পালন করবে। কিন্তু একই সাথে এখানে অধিকাংশ মানুষ ইসলাম ধর্মের, এখানে ইসলামকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব, দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।’

ফটিকছড়িতে নিজের আগমনের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘এখানে আসার মূল কারণ হুজুরের দোয়া নেওয়া।’

আল্লাহ তাআলার ওপর ভরসা রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে সরকার গঠন করেছি। আপনারা দোয়া করবেন যেন আমরা দেশের মানুষের কল্যাণে ভালো কিছু করতে পারি।’

এর আগে, বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলা সফরের অংশ হিসেবে রবিবার বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে বাঁশখালী থেকে ফটিকছড়ি উপজেলায় পৌঁছেন। হেলিকপ্টারটি ফটিকছড়ির পেলাগাজী দিঘির মাঠে অবতরণের পর সেখানে অপেক্ষমাণ সাধারণ মানুষ তাকে অভ্যর্থনা জানান। প্রধানমন্ত্রীকে দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন তারা। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।

এর আগে, বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হেলিকপ্টারযোগে চট্টগ্রামের বাঁশখালী থেকে ফটিকছড়ি উপজেলায় পৌঁছান। হেলিকপ্টারটি ফটিকছড়ির পেলাগাজী দিঘির মাঠে অবতরণ করলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। পরে সড়কপথে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বাবুনগর মাদ্রাসায় পৌঁছালে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে। প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন এবং কুশল বিনিময় করেন।

জনপ্রিয়

সৌদি আরবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

দেশ গঠনে আলেম-ওলামাদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত ০৯:৪৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

দেশ গঠনে আলেম-ওলামাদের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘নির্বাচনের আগে যেভাবে সবাই একসঙ্গে কাজ করেছেন, দেশ গঠনের কাজেও সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে।’

রবিবার (৯ আগস্ট) বিকালে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

সভায় প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি নির্বাচনের আগে আলেম-ওলামাদের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আজ ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় এসে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমি হুজুরকে কথা দিয়েছিলাম যে আমি আসবো। আল্লাহর রহমতে আমরা সরকার গঠন করেছি। আজকে আল্লাহ আমাকে সেই রহমত দিয়েছেন যে আমি এসে আমার প্রিয় হুজুরের কাছে যেতে পেরেছি।’

১৩তম সংসদ নির্বাচনে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য বিরোধীদের প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা ১৯৯১ সালে দেখেছি, ১৯৯৬ সালে দেখেছি এবং গত নির্বাচনেও আপনারা দেখেছেন যে, যারা দেশকে ভিন্ন পথে নিয়ে যেতে চেয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে আমরা ও আপনারা একসঙ্গে কাজ করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে তারা আবারও নানা ধরনের বক্তব্য ও অপতথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। সেজন্য বলছি যে, আমরা যে একসাথে কাজ করছি, দেশটাকে সঠিক রাখার চেষ্টা করছি। এখানে আমরা দুই বছর আগে যেমন একসাথে কাজ করেছি, হুজুরের (আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ) দোয়া নিয়ে আমি বলতে চাই, অনুরোধ জানাতে চাই যে, আগামী দিনগুলোতেও আমাদের একসাথে থাকতে হবে।’

কওমি মাদ্রাসার বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতে আমাদের একসাথে থাকতে হবে। হ্যাঁ, আমি জানি এখানে কিছু দাবি উত্থাপন করা হয়েছে, আমরা পর্যায়ক্রমে তা সমাধানের চেষ্টা করব। আমাদেরকে বুঝতে হবে, এ দেশে তো আরও অনেক মানুষ বাস করে। আমরা চাই এমন একটা বাংলাদেশ তৈরি করতে, যেখানে বাংলাদেশের মানুষ, বাংলাদেশের সন্তানেরা খেয়ে-পরে বেঁচে থাকবে, শান্তিতে থাকতে পারবে এবং বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একসাথে শান্তিতে বসবাস করবে।’

তিনি বলেন, ‘বিগত সরকারের সময়ে দেশের অর্থ-সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে দেশের মানুষকে বিভিন্ন সমস্যার খেসারত দিতে হচ্ছে।’

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে যারা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছে, এরা যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে সজাগ থাকতে হবে। আমাদেরকে দেশের মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে, চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে, শিক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে এবং রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ ও ব্রিজ-কালভার্ট সংস্কার ও উন্নয়ন করতে হবে।’

দেশীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিবেশ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে যদি বিশৃঙ্খলা না থাকলে বিদেশিরা বিনিয়োগ করবে, ফলে আমাদের সন্তানরা ও পরিবারের সদস্যরা চাকরির সুযোগ পাবে। দেশের মানুষের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য ফেরানোই আমাদের মূল দায়িত্ব।’

আলেম-ওলামাদের সরকারের সহযোগী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা সরাসরিভাবে সরকারে নেই, কিন্তু সরকারের সহযোগী হিসেবে আছেন। দেশের মানুষকে সঠিক পথে পরিচালনা ও দেশকে সঠিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের একার নয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বাস করে। আমরা ইসলাম ধর্মের মানুষেরা আমাদের ধর্ম পালন করব, অন্যরা তাদের ধর্ম পালন করবে। কিন্তু একই সাথে এখানে অধিকাংশ মানুষ ইসলাম ধর্মের, এখানে ইসলামকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব, দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।’

ফটিকছড়িতে নিজের আগমনের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘এখানে আসার মূল কারণ হুজুরের দোয়া নেওয়া।’

আল্লাহ তাআলার ওপর ভরসা রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে সরকার গঠন করেছি। আপনারা দোয়া করবেন যেন আমরা দেশের মানুষের কল্যাণে ভালো কিছু করতে পারি।’

এর আগে, বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলা সফরের অংশ হিসেবে রবিবার বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে বাঁশখালী থেকে ফটিকছড়ি উপজেলায় পৌঁছেন। হেলিকপ্টারটি ফটিকছড়ির পেলাগাজী দিঘির মাঠে অবতরণের পর সেখানে অপেক্ষমাণ সাধারণ মানুষ তাকে অভ্যর্থনা জানান। প্রধানমন্ত্রীকে দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন তারা। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।

এর আগে, বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হেলিকপ্টারযোগে চট্টগ্রামের বাঁশখালী থেকে ফটিকছড়ি উপজেলায় পৌঁছান। হেলিকপ্টারটি ফটিকছড়ির পেলাগাজী দিঘির মাঠে অবতরণ করলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। পরে সড়কপথে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বাবুনগর মাদ্রাসায় পৌঁছালে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে। প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন এবং কুশল বিনিময় করেন।