ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo হাফেজিয়া মাদরাসায় তিন ছাত্রকে বলাৎকার, শিক্ষক কারাগারে Logo ময়মনসিংহে চলন্ত ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন Logo নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস ঢুকে পড়লো মাদরাসায়, নিহত ১ Logo যশোরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত Logo প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ না করার নির্দেশ দিয়েছেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী Logo সরকারি হাসপাতাল দালালমুক্ত করার ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর Logo শাপলা চত্বর থেকে লালদীঘি: পথে যেসব স্থানে ১১ দলের পথসভা Logo ডাবল ডেকার স্লিপার বাস পড়লো খাদে, গ্লাস ভেঙে যাত্রীদের উদ্ধার Logo চীন থেকে যুদ্ধবিমান কিনলে বাংলাদেশের সুবিধা-অসুবিধা কী? Logo বন্ধ হলো কাপ্তাই বাঁধের আরও ১ ফুট জলকপাট, দৃশ্যমান ঝুলন্ত সেতু

প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ না করার নির্দেশ দিয়েছেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশের গণমাধ্যম খাতকে সম্পূর্ণ স্বাধীন রাখতে বর্তমান সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী हालেই এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, সংবাদমাধ্যমের ওপর কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ আরোপ না করার জন্য কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলের এই অবস্থান দেশের মুক্ত সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী আরও স্পষ্ট করেন যে, কেবল গণমাধ্যমের ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়াই সরকারের একমাত্র লক্ষ্য নয়। বরং সংবাদমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা কীভাবে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করা যায়, সেই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন সরকারপ্রধান। বর্তমান প্রশাসন মনে করে যে একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী সংবাদমাধ্যম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থাকে আরও বেশি গতিশীল ও স্বচ্ছ করে তুলতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

সরকারের এমন ইতিবাচক মনোভাবের ফলে দেশের মূলধারার গণমাধ্যমকর্মী ও সম্পাদকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অতীতে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হওয়া নিয়ে নানা ধরনের উদ্বেগ ও আলোচনা থাকলেও, বর্তমান প্রশাসনের এই স্পষ্ট ঘোষণায় আশার সঞ্চার হয়েছে। সাংবাদিক সমাজ দীর্ঘদিন ধরে যে স্বাধীনভাবে তথ্য প্রচারের অধিকার দাবি করে আসছিল, প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশ তারই একটি বাস্তবসম্মত প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এখন প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। কীভাবে পেশাদারিত্ব বজায় রেখে সাংবাদিকরা আরও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন এবং তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। খুব শীঘ্রই সরকারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে আরও কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ ও নীতিগত সংস্কারের ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

হাফেজিয়া মাদরাসায় তিন ছাত্রকে বলাৎকার, শিক্ষক কারাগারে

প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ না করার নির্দেশ দিয়েছেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত ০৪:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের গণমাধ্যম খাতকে সম্পূর্ণ স্বাধীন রাখতে বর্তমান সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী हालেই এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, সংবাদমাধ্যমের ওপর কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ আরোপ না করার জন্য কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলের এই অবস্থান দেশের মুক্ত সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী আরও স্পষ্ট করেন যে, কেবল গণমাধ্যমের ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়াই সরকারের একমাত্র লক্ষ্য নয়। বরং সংবাদমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা কীভাবে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করা যায়, সেই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন সরকারপ্রধান। বর্তমান প্রশাসন মনে করে যে একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী সংবাদমাধ্যম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থাকে আরও বেশি গতিশীল ও স্বচ্ছ করে তুলতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

সরকারের এমন ইতিবাচক মনোভাবের ফলে দেশের মূলধারার গণমাধ্যমকর্মী ও সম্পাদকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অতীতে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হওয়া নিয়ে নানা ধরনের উদ্বেগ ও আলোচনা থাকলেও, বর্তমান প্রশাসনের এই স্পষ্ট ঘোষণায় আশার সঞ্চার হয়েছে। সাংবাদিক সমাজ দীর্ঘদিন ধরে যে স্বাধীনভাবে তথ্য প্রচারের অধিকার দাবি করে আসছিল, প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশ তারই একটি বাস্তবসম্মত প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এখন প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। কীভাবে পেশাদারিত্ব বজায় রেখে সাংবাদিকরা আরও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন এবং তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। খুব শীঘ্রই সরকারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে আরও কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ ও নীতিগত সংস্কারের ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।