ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo দিল্লিতে এসআইআর বিরোধী বিক্ষোভে নেমে আটক শতাধিক Logo বাজারে বাড়ছে শীতের আগাম সবজি, দাম এখনো চড়া Logo স্টেট ব্যাংক অব ইনডিয়ায় সাইবার হামলা, ৪ হাজার গ্রাহকের তথ্য ডার্ক ওয়েবে Logo ‘নালার সংস্কারকাজ করিয়ে ২০-৫০ হাজার টাকা নেন নয়নের অনুসারীরা’ Logo নতুন করে বিক্ষোভের আশঙ্কায় নিরাপত্তা কঠোর করছে ফ্রান্স Logo সাইবার হামলায় অচল ছিল উত্তর কোরিয়ার সরকারি ওয়েবসাইট Logo পিছিয়ে পড়ার ধাক্কা সামলে প্রথম জয়ের গল্প লিখল ফর্টিস এফসি Logo ‘ব্যক্তি স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করা যাবে না’ Logo প্রয়োজন কর্মসংস্থান, প্রশিক্ষণ এবং বিকল্প শ্রমবাজার Logo তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি

২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে হাসিনা-রেহানার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে বিভিন্ন ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল থেকে প্রায় ২৭৬ কোটি টাকা অবৈধভাবে নেওয়ার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সংস্থাটির সচিব সাইদুর রহমান এসব তথ্য জানান।

মামলার অপর আসামি হলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি ও এক্সিম ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ দায়ের করা মামলাটি দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ১৯৯৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ গঠন করা হয়। দলিল অনুযায়ী শেখ হাসিনা ট্রাস্টটির আজীবন সভাপতি এবং তাঁর অনুপস্থিতিতে শেখ রেহানা সভাপতির দায়িত্ব পালনের কথা উল্লেখ রয়েছে।

দুদকের অভিযোগ, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও দেশের ৪১টি তফসিলি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টটির নামে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়।

অনুসন্ধানে আরও অভিযোগ করা হয়, তৎকালীন বিএবি সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার নির্বাহী কমিটির সভার নির্ধারিত আলোচ্যসূচিতে বিষয়টি না থাকা সত্ত্বেও তা বিবিধ আলোচনায় উপস্থাপন করেন। পরে বিভিন্ন নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টে অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধমূলক অসদাচরণের মাধ্যমে ট্রাস্টটির নামে বিভিন্ন ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহ করেন। এ ঘটনায় অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি করা হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

জনপ্রিয়

দিল্লিতে এসআইআর বিরোধী বিক্ষোভে নেমে আটক শতাধিক

২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে হাসিনা-রেহানার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

প্রকাশিত ০৯:৫৭:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে বিভিন্ন ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল থেকে প্রায় ২৭৬ কোটি টাকা অবৈধভাবে নেওয়ার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সংস্থাটির সচিব সাইদুর রহমান এসব তথ্য জানান।

মামলার অপর আসামি হলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি ও এক্সিম ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ দায়ের করা মামলাটি দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ১৯৯৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ গঠন করা হয়। দলিল অনুযায়ী শেখ হাসিনা ট্রাস্টটির আজীবন সভাপতি এবং তাঁর অনুপস্থিতিতে শেখ রেহানা সভাপতির দায়িত্ব পালনের কথা উল্লেখ রয়েছে।

দুদকের অভিযোগ, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও দেশের ৪১টি তফসিলি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টটির নামে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়।

অনুসন্ধানে আরও অভিযোগ করা হয়, তৎকালীন বিএবি সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার নির্বাহী কমিটির সভার নির্ধারিত আলোচ্যসূচিতে বিষয়টি না থাকা সত্ত্বেও তা বিবিধ আলোচনায় উপস্থাপন করেন। পরে বিভিন্ন নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টে অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধমূলক অসদাচরণের মাধ্যমে ট্রাস্টটির নামে বিভিন্ন ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহ করেন। এ ঘটনায় অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি করা হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে।