ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo এবার কক্সবাজারে হোটেলে আগুন, ৩০০ পর্যটকের মধ্যে আতঙ্ক-হুড়োহুড়ি Logo দিল্লিতে এসআইআর বিরোধী বিক্ষোভে নেমে আটক শতাধিক Logo বাজারে বাড়ছে শীতের আগাম সবজি, দাম এখনো চড়া Logo স্টেট ব্যাংক অব ইনডিয়ায় সাইবার হামলা, ৪ হাজার গ্রাহকের তথ্য ডার্ক ওয়েবে Logo ‘নালার সংস্কারকাজ করিয়ে ২০-৫০ হাজার টাকা নেন নয়নের অনুসারীরা’ Logo নতুন করে বিক্ষোভের আশঙ্কায় নিরাপত্তা কঠোর করছে ফ্রান্স Logo সাইবার হামলায় অচল ছিল উত্তর কোরিয়ার সরকারি ওয়েবসাইট Logo পিছিয়ে পড়ার ধাক্কা সামলে প্রথম জয়ের গল্প লিখল ফর্টিস এফসি Logo ‘ব্যক্তি স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করা যাবে না’ Logo প্রয়োজন কর্মসংস্থান, প্রশিক্ষণ এবং বিকল্প শ্রমবাজার

মিরপুর পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৩৬

রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমন করতে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এই অভিযানের অংশ হিসেবে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের বিভিন্ন থানা এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মোট ১৩৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের নথিপত্র ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই সন্দেহভাজনদের পাকড়াও করা হয় বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের তথ্য বিশ্লেষণ করে মিরপুর বিভাগের আওতাধীন একাধিক অপরাধপ্রবণ স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন সংবাদমাধ্যমকে এই গণগ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধের মাত্রা কমিয়ে আনতে পুলিশের এই নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই সাম্প্রতিক এই অভিযানটি পরিচালিত হয়।

অভিযান চলাকালে মিরপুর বিভাগের বিভিন্ন থানার পুলিশ দল একসঙ্গে এই যৌথ পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে। এর মধ্যে মিরপুর মডেল থানা এলাকায় ২৫ জন এবং শাহ আলী থানা এলাকায় ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া পল্লবী থানা এলাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩২ জন, কাফরুল থানা এলাকা থেকে ৩৪ জন, দারুস সালাম থানা থেকে ২৫ জন এবং ভাষানটেক থানা এলাকা থেকে ৬ জনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই জোরালো অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাদের সকলকে যথাযথ নিরাপত্তার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরালো করা হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

এবার কক্সবাজারে হোটেলে আগুন, ৩০০ পর্যটকের মধ্যে আতঙ্ক-হুড়োহুড়ি

মিরপুর পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৩৬

প্রকাশিত ১২:১৫:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমন করতে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এই অভিযানের অংশ হিসেবে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের বিভিন্ন থানা এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মোট ১৩৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের নথিপত্র ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই সন্দেহভাজনদের পাকড়াও করা হয় বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের তথ্য বিশ্লেষণ করে মিরপুর বিভাগের আওতাধীন একাধিক অপরাধপ্রবণ স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন সংবাদমাধ্যমকে এই গণগ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধের মাত্রা কমিয়ে আনতে পুলিশের এই নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই সাম্প্রতিক এই অভিযানটি পরিচালিত হয়।

অভিযান চলাকালে মিরপুর বিভাগের বিভিন্ন থানার পুলিশ দল একসঙ্গে এই যৌথ পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে। এর মধ্যে মিরপুর মডেল থানা এলাকায় ২৫ জন এবং শাহ আলী থানা এলাকায় ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া পল্লবী থানা এলাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩২ জন, কাফরুল থানা এলাকা থেকে ৩৪ জন, দারুস সালাম থানা থেকে ২৫ জন এবং ভাষানটেক থানা এলাকা থেকে ৬ জনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই জোরালো অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাদের সকলকে যথাযথ নিরাপত্তার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরালো করা হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।