ঢাকা ০৫:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo জনগণের সঙ্গে বেঈমানী ক‌রে শেখ হা‌সিনা টিকতে পারে‌নি: মামুনুল হক Logo যশোর সীমান্তে বিপুল চোরাচালান পণ্য জব্দ করলো বিজিবি Logo সনাতনীদের জন্য আমার দরজা সবসময় খোলা: অর্থমন্ত্রী Logo স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর নিজেও ফাঁস নিলেন স্বামী Logo ডেঙ্গুতে বরগুনার এমপির শাশুড়ি মারা গেছেন Logo কুষ্টিয়ায় মসজিদের নামকরণ নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে সংঘর্ষ Logo সেই কলেজশিক্ষকের বেতন বন্ধ, অধ্যক্ষকে বরখাস্তের সুপারিশ Logo শুধু গাড়ি কমানো নয়, লংমার্চ প্রত্যাহার করা উচিত: এমরান সালেহ প্রিন্স Logo চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উচ্চতর পর্যায়ে, ভারতের সঙ্গে বাস্তবতা মেনে Logo সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশক্তির পাল্টাপাল্টি ব্যানার

ডেঙ্গুতে বরগুনার এমপির শাশুড়ি মারা গেছেন

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরগুনা জেলা শাখার সভাপতি মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহর শাশুড়ি শাহানাজ বেগম। ষাট বছর বয়সী এই নারী রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সংসদ সদস্য নিজেই গণমাধ্যমের কাছে তার শাশুড়ির মৃত্যুর এই দুঃখজনক খবরটি নিশ্চিত করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ যেভাবে বাড়ছে, তাতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিশিষ্টজনদের পরিবারও এর শিকার হচ্ছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শাহানাজ বেগম কিছুদিন আগে হঠাৎ করেই সাধারণ জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন। প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা নেওয়ার পর তিনি কিছুটা সুস্থও বোধ করছিলেন এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছিলেন। কিন্তু একদিনের ব্যবধানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং নতুন করে অসুস্থতা দেখা দেয়। পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে দ্রুত ঢাকায় নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গত ৩ সেপ্টেম্বর সকালে তাকে ঢাকার ধানমণ্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করেন এবং রক্তে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসকদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি এবং ওই দিন রাতেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং এলাকায় শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বরগুনা অঞ্চলে অতীতেও ডেঙ্গুর ভয়াবহ সংক্রমণ লক্ষ্য করা গেছে এবং গত বছর এটিকে হটস্পট ঘোষণা করা হয়েছিল। ওই সময় জেলাটিতে দশ হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং ৬৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছিল। চলতি বছরও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি, কারণ এখন পর্যন্ত প্রায় ৯শ জনের বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে আশার বিষয় হলো, আক্রান্তদের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

জনপ্রিয়

জনগণের সঙ্গে বেঈমানী ক‌রে শেখ হা‌সিনা টিকতে পারে‌নি: মামুনুল হক

ডেঙ্গুতে বরগুনার এমপির শাশুড়ি মারা গেছেন

প্রকাশিত ০৪:০২:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরগুনা জেলা শাখার সভাপতি মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহর শাশুড়ি শাহানাজ বেগম। ষাট বছর বয়সী এই নারী রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সংসদ সদস্য নিজেই গণমাধ্যমের কাছে তার শাশুড়ির মৃত্যুর এই দুঃখজনক খবরটি নিশ্চিত করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ যেভাবে বাড়ছে, তাতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিশিষ্টজনদের পরিবারও এর শিকার হচ্ছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শাহানাজ বেগম কিছুদিন আগে হঠাৎ করেই সাধারণ জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন। প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা নেওয়ার পর তিনি কিছুটা সুস্থও বোধ করছিলেন এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছিলেন। কিন্তু একদিনের ব্যবধানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং নতুন করে অসুস্থতা দেখা দেয়। পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে দ্রুত ঢাকায় নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গত ৩ সেপ্টেম্বর সকালে তাকে ঢাকার ধানমণ্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করেন এবং রক্তে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসকদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি এবং ওই দিন রাতেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং এলাকায় শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বরগুনা অঞ্চলে অতীতেও ডেঙ্গুর ভয়াবহ সংক্রমণ লক্ষ্য করা গেছে এবং গত বছর এটিকে হটস্পট ঘোষণা করা হয়েছিল। ওই সময় জেলাটিতে দশ হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং ৬৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছিল। চলতি বছরও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি, কারণ এখন পর্যন্ত প্রায় ৯শ জনের বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে আশার বিষয় হলো, আক্রান্তদের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।