ঢাকা ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo লাইব্রেরির পাশে নামাজের জন্য নির্ধারিত স্থান চায় পাবিপ্রবি ছাত্রদল Logo সংসদীয় কমিটিতে মন্ত্রী-হুইপদের রাখা নিয়ে স্পিকারের উষ্মা Logo আবারও বাঁচালেন সেই বোলাররাই, স্বস্তির জয়ে সেমিতে বাংলাদেশ Logo হরমুজের প্রবেশমুখে আটক যুক্তরাষ্ট্রের ‘সাবমেরিন ড্রোন’ Logo ডাকসুর স্বাস্থ্য ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩ হাজার শিক্ষার্থী Logo সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে দ্বিতীয় দিন ৩২৭ কোটি টাকা তুললেন গ্রাহকরা Logo সরকারি চাকরির নিয়োগে দলীয়করণ-দুর্নীতি তৈরি করবে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধি Logo বোলারদের তোপে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ ভারত Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন খলিলুর রহমান Logo এবার আইসিসির আরও একটি কমিটির দায়িত্বে তামিম ইকবাল

হরমুজের প্রবেশমুখে আটক যুক্তরাষ্ট্রের ‘সাবমেরিন ড্রোন’

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের চালকবিহীন একটি উন্নত সাবমেরিন ড্রোন আটক করেছে ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী সম্প্রতি একটি বিশেষ গোয়েন্দা ও সামরিক অভিযান পরিচালনা করে এই ড্রোনটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৫ দশমিক ৮ মিটার দীর্ঘ এবং প্রায় ৩ টন ওজনের এই জলযানটি আটকের পর বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

আইআরজিসির বিবরণে জানানো হয়েছে যে, উদ্ধার করা সাবমেরিনটি মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিল ইন্ডাস্ট্রিজের তৈরি ‘ডাইভ-এলডি’ (Dive-LD) মডেলের। এই প্রতিষ্ঠানটি সাধারণত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন ধরনের স্বয়ংক্রিয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও উন্নত প্রযুক্তি সরবরাহ করে থাকে। গভীর সমুদ্রে দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের উপস্থিতি ছাড়াই স্বাধীনভাবে গোয়েন্দাগিরি ও অভিযান চালাতে সক্ষম এই জলযানটি আধুনিক সামরিক প্রযুক্তির এক অনন্য নিদর্শন।

ইরানি বাহিনীর ভাষ্যমতে, হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে মার্কিন ‘সন্ত্রাসী বাহিনীর’ এই আধুনিক সাবমেরিনটি সন্দেহজনকভাবে চলাচল করছিল। এই পরিস্থিতিতে আইআরজিসির নৌবাহিনীর চৌকস সদস্যরা সময়মতো অভিযান চালিয়ে জলযানটিকে আটক করতে সক্ষম হন। সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতির ওপর নজরদারি এবং নিজেদের কৌশলগত অবস্থান শক্ত করার ক্ষেত্রে ইরানের জন্য এটি একটি বড় পদক্ষেপ।

ইরানি পক্ষ থেকে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, আটককৃত সাবমেরিনটিতে সর্বশেষ প্রযুক্তির সংমিশ্রণ রয়েছে এবং এটি বেশ কিছুদিন আগে মার্কিন নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত করা হয়েছিল। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান এই রুটে সাবমেরিন ড্রোন আটকের ঘটনাটি দুই দেশের মধ্যকার চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাকর পরিস্থিতিকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

লাইব্রেরির পাশে নামাজের জন্য নির্ধারিত স্থান চায় পাবিপ্রবি ছাত্রদল

হরমুজের প্রবেশমুখে আটক যুক্তরাষ্ট্রের ‘সাবমেরিন ড্রোন’

প্রকাশিত ০২:০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের চালকবিহীন একটি উন্নত সাবমেরিন ড্রোন আটক করেছে ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী সম্প্রতি একটি বিশেষ গোয়েন্দা ও সামরিক অভিযান পরিচালনা করে এই ড্রোনটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৫ দশমিক ৮ মিটার দীর্ঘ এবং প্রায় ৩ টন ওজনের এই জলযানটি আটকের পর বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

আইআরজিসির বিবরণে জানানো হয়েছে যে, উদ্ধার করা সাবমেরিনটি মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিল ইন্ডাস্ট্রিজের তৈরি ‘ডাইভ-এলডি’ (Dive-LD) মডেলের। এই প্রতিষ্ঠানটি সাধারণত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন ধরনের স্বয়ংক্রিয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও উন্নত প্রযুক্তি সরবরাহ করে থাকে। গভীর সমুদ্রে দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের উপস্থিতি ছাড়াই স্বাধীনভাবে গোয়েন্দাগিরি ও অভিযান চালাতে সক্ষম এই জলযানটি আধুনিক সামরিক প্রযুক্তির এক অনন্য নিদর্শন।

ইরানি বাহিনীর ভাষ্যমতে, হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে মার্কিন ‘সন্ত্রাসী বাহিনীর’ এই আধুনিক সাবমেরিনটি সন্দেহজনকভাবে চলাচল করছিল। এই পরিস্থিতিতে আইআরজিসির নৌবাহিনীর চৌকস সদস্যরা সময়মতো অভিযান চালিয়ে জলযানটিকে আটক করতে সক্ষম হন। সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতির ওপর নজরদারি এবং নিজেদের কৌশলগত অবস্থান শক্ত করার ক্ষেত্রে ইরানের জন্য এটি একটি বড় পদক্ষেপ।

ইরানি পক্ষ থেকে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, আটককৃত সাবমেরিনটিতে সর্বশেষ প্রযুক্তির সংমিশ্রণ রয়েছে এবং এটি বেশ কিছুদিন আগে মার্কিন নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত করা হয়েছিল। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান এই রুটে সাবমেরিন ড্রোন আটকের ঘটনাটি দুই দেশের মধ্যকার চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাকর পরিস্থিতিকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।