ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, মাদরাসা শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ Logo বাংলাদেশে প্রথম এক সাবস্ক্রিপশনে পছন্দের সব এআই নিয়ে যাত্রা শুরু করছে “রবি এআই স্পেস” Logo আশির দশকে ফিরছেন রাজনীতিবিদরাও, সামাজিক মাধ্যমে নস্টালজিয়ার ঢেউ Logo মেট্রোরেলের ২৭ বেয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিলারে ফাটল Logo ১০০ বার সুযোগ পেলে প্রতিবারই মেসিকে ভোট দেবো: জিদান Logo এলএনজি আমদানি ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্পে নীতিগত অনুমোদন Logo রহস্য বাড়াচ্ছে ১৭ কোটি টাকার আংটি, গোপনে সেরেছেন বিয়ে Logo দুদকের দুই মামলায় সাবেক ডিবিপ্রধান হারুনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন Logo বেলুচিস্তানের শান্ত এলাকাও এখন রণক্ষেত্র, চাপে পাকিস্তান সরকার Logo হামে মৃত্যু হাজার ছাড়ালো

এলএনজি আমদানি ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্পে নীতিগত অনুমোদন

দেশের জ্বালানি খাতের বর্তমান চাহিদা মোকাবিলা এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ দুটি বড় প্রকল্পে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির একটি বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশেরエネルギー খাত এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৈঠকে মূলত মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক সংঘাত ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট এড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। এই প্রেক্ষাপটে জরুরি গ্যাসের চাহিদা মেটাতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান টোটাল এনার্জিসের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভা কমিটিতে উপস্থাপন করা হয়েছিল।

অনুমোদিত প্রস্তাবের রূপরেখা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট ওই সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে আগামী ২০২৬ সালের অক্টোবর মাস থেকে শুরু করে ২০২৭ সালের জুন মাস পর্যন্ত এলএনজি আমদানি করা হবে। এই সময়ের মধ্যে প্রতি মাসে দুটি করে মোট ১৮টি কার্গো এলএনজি দেশে আনা হবে। এছাড়া ভবিষ্যতে দেশের জ্বালানি চাহিদার ওপর ভিত্তি করে যদি প্রয়োজন দেখা দেয়, তবে উভয় পক্ষের পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে অতিরিক্ত কার্গো এলএনজিও আমদানি করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, জ্বালানি আমদানির পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ হিসেবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই বৈঠকে। স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে উত্থাপিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন সংক্রান্ত প্রকল্পটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব বা পিপিপি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের অনুমোদন মিলেছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন চট্টগ্রাম শহরের বর্জ্য সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে, অন্যদিকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয়

ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, মাদরাসা শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

এলএনজি আমদানি ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্পে নীতিগত অনুমোদন

প্রকাশিত ০৭:০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের জ্বালানি খাতের বর্তমান চাহিদা মোকাবিলা এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ দুটি বড় প্রকল্পে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির একটি বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশেরエネルギー খাত এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৈঠকে মূলত মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক সংঘাত ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট এড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। এই প্রেক্ষাপটে জরুরি গ্যাসের চাহিদা মেটাতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান টোটাল এনার্জিসের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভা কমিটিতে উপস্থাপন করা হয়েছিল।

অনুমোদিত প্রস্তাবের রূপরেখা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট ওই সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে আগামী ২০২৬ সালের অক্টোবর মাস থেকে শুরু করে ২০২৭ সালের জুন মাস পর্যন্ত এলএনজি আমদানি করা হবে। এই সময়ের মধ্যে প্রতি মাসে দুটি করে মোট ১৮টি কার্গো এলএনজি দেশে আনা হবে। এছাড়া ভবিষ্যতে দেশের জ্বালানি চাহিদার ওপর ভিত্তি করে যদি প্রয়োজন দেখা দেয়, তবে উভয় পক্ষের পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে অতিরিক্ত কার্গো এলএনজিও আমদানি করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, জ্বালানি আমদানির পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ হিসেবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই বৈঠকে। স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে উত্থাপিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন সংক্রান্ত প্রকল্পটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব বা পিপিপি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের অনুমোদন মিলেছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন চট্টগ্রাম শহরের বর্জ্য সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে, অন্যদিকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে।