ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo প্রেমের টানে চীন থেকে টাঙ্গাইলে লিয়াং, বিয়ে করা হলো না যে কারণে Logo সংসদ থেকে বিরোধীদলের ওয়াকআউট Logo শুভ জন্মদিন মোস্তাফিজুর রহমান Logo হামে মৃত্যুর সংখ্যা হাজার ছুঁই ছুঁই, পাঁচ মাস পরেও কেন থামানো যাচ্ছে না? Logo সাপ মেরে ব্যাগে ভরে স্ত্রীকে হাসপাতালে নিলেন স্বামী Logo রাজশাহীর পদ্মায় ১০ বছরে দুই শতাধিক মৃত্যু, নেপথ্যে কী? Logo বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্টের বিজয়ী ঘোষণা করলো অপো Logo ৯ মাসের ০% ইএমআইতে ৩,৯০০ টাকার কিস্তিতে ভিভো ভি৮০ লাইট Logo ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডসে সর্বোচ্চ পাঁচ পুরস্কার রবির Logo এফডিসিতে যে কারণে রেগে যান সামিরা, পরদিনই সালমান শাহর মৃত্যু

সংসদ থেকে বিরোধীদলের ওয়াকআউট

জাতীয় সংসদে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাসের প্রক্রিয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অধিবেশন কক্ষ বর্জন বা ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। গত ৬ সেপ্টেম্বর রাতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে এই নাটকীয় ঘটনা ঘটে। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা নির্দিষ্ট কয়েকটি আইনের বিধান নিয়ে তীব্র আপত্তি জানান এবং সংসদীয় কার্যপ্রণালী অনুযায়ী তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এই ধরনের ওয়াকআউট রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জানা গেছে, এদিন রাতে অধিবেশন চলাকালীন মূলত দুটি বিশেষ বিলের ওপর তীব্র আপত্তি তোলেন বিরোধী দলের আইনপ্রণেতারা। এই বিল দুটি হলো—জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬ এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, প্রস্তাবিত এই বিল দুটির কিছু নির্দিষ্ট ধারা দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে জনস্বার্থের অনুকূল নয় এবং এগুলো যথাযথ সংশোধন ছাড়া পাস করা উচিত নয়। সরকারের পক্ষ থেকে বিল দুটির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হলেও বিরোধী দল তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি।

বিতর্ক চলাকালীন রাত আটটার দিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। স্পিকারের নির্দেশ ও সরকারি দলের নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও তারা সংসদকক্ষ থেকে বেরিয়ে যান, যা সংসদের ভেতরে তাৎক্ষণিক উত্তেজনার সৃষ্টি করে। বিরোধী দলীয় নেতারা মনে করছেন, বিল দুটিতে মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষার বিষয়টি আরও জোরালোভাবে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন ছিল।

এই ওয়াকআউটের পর সংসদীয় কার্যক্রমে সাময়িক বিরতি দেখা দিলেও পরবর্তীতে নির্ধারিত এজেন্ডা অনুযায়ী অধিবেশনের বাকি কার্যক্রম চলতে থাকে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জনগণের অধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত এই বিষয়গুলোতে ছাড় দেওয়া হবে না এবং সংসদের ভেতরে ও বাইরে তাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি বিল নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যকার এই মতপার্থক্য আগামী দিনে দেশের সংসদীয় রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে।

জনপ্রিয়

প্রেমের টানে চীন থেকে টাঙ্গাইলে লিয়াং, বিয়ে করা হলো না যে কারণে

সংসদ থেকে বিরোধীদলের ওয়াকআউট

প্রকাশিত ০৮:৪৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় সংসদে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাসের প্রক্রিয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অধিবেশন কক্ষ বর্জন বা ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। গত ৬ সেপ্টেম্বর রাতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে এই নাটকীয় ঘটনা ঘটে। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা নির্দিষ্ট কয়েকটি আইনের বিধান নিয়ে তীব্র আপত্তি জানান এবং সংসদীয় কার্যপ্রণালী অনুযায়ী তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এই ধরনের ওয়াকআউট রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জানা গেছে, এদিন রাতে অধিবেশন চলাকালীন মূলত দুটি বিশেষ বিলের ওপর তীব্র আপত্তি তোলেন বিরোধী দলের আইনপ্রণেতারা। এই বিল দুটি হলো—জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬ এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, প্রস্তাবিত এই বিল দুটির কিছু নির্দিষ্ট ধারা দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে জনস্বার্থের অনুকূল নয় এবং এগুলো যথাযথ সংশোধন ছাড়া পাস করা উচিত নয়। সরকারের পক্ষ থেকে বিল দুটির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হলেও বিরোধী দল তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি।

বিতর্ক চলাকালীন রাত আটটার দিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। স্পিকারের নির্দেশ ও সরকারি দলের নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও তারা সংসদকক্ষ থেকে বেরিয়ে যান, যা সংসদের ভেতরে তাৎক্ষণিক উত্তেজনার সৃষ্টি করে। বিরোধী দলীয় নেতারা মনে করছেন, বিল দুটিতে মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষার বিষয়টি আরও জোরালোভাবে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন ছিল।

এই ওয়াকআউটের পর সংসদীয় কার্যক্রমে সাময়িক বিরতি দেখা দিলেও পরবর্তীতে নির্ধারিত এজেন্ডা অনুযায়ী অধিবেশনের বাকি কার্যক্রম চলতে থাকে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জনগণের অধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত এই বিষয়গুলোতে ছাড় দেওয়া হবে না এবং সংসদের ভেতরে ও বাইরে তাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি বিল নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যকার এই মতপার্থক্য আগামী দিনে দেশের সংসদীয় রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে।