ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মশা দমনে ব্যর্থতার অভিযোগ, রাস্তায় মশারি টানিয়ে অবস্থান চার তরুণীর Logo ‘প্রধানমন্ত্রী আম্বানি’ স্টারলিংক নিয়ে মুকেশকে খোঁচা ইলন মাস্কের Logo বিশ্বাসের বাজারে সব মাল ভেজাল Logo মানসিক রোগের ওষুধ নিয়ে এই ৫টি ভুল ধারণা আপনার মধ্যেও আছে? Logo এক মন্দিরেই ১০১ প্রতিমা, ৪ যুগের কাহিনিতে সাজছে ব্যতিক্রমী পূজামণ্ডপ Logo সিম্পসন’স প্যারাডক্স: যখন পরিসংখ্যান মিথ্যা না বলেও ধোঁকা দেয় Logo মানসিক স্বাস্থ্য: যাদের কথা শোনা জরুরি Logo সৌরবিদ্যুতে চলবে এসি, ফ্রিজ ও ওয়াশিং মেশিন, নতুন ব্যবস্থা চালু করল ওয়ালটন Logo রাত জেগে মায়ের লিখে দেওয়া নোট পড়ে সফলতা পেল তাসমিয়া Logo মালয়েশিয়া কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন হাফেজ ইহতেশামুল হক

শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই

দেশের প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ও জনপ্রিয় ছড়াকার আমীরুল ইসলাম আর নেই। গত ১০ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে এই বরেণ্য লেখকের বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার এই প্রয়াণে দেশের সাহিত্য অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আমীরুল ইসলাম বাংলা শিশুসাহিত্যে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি অসংখ্য ছড়া, কবিতা, গল্প ও কিশোর উপন্যাস রচনা করেছেন যা শিশু-কিশোরদের মনে দারুণ সাড়া ফেলেছে। তার লেখা মননশীল ও আনন্দদায়ক সাহিত্যকর্মগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে পাঠকদের আন্দোলিত করে আসছে। বাংলা শিশুসাহিত্যের সমৃদ্ধিতে তার অবদান সবসময় স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তার প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে শোকের মাতম শুরু হয়। দেশের বিশিষ্ট লেখক, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও তার অগণিত অনুরাগী গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠন ও প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা তাকে একজন সৃজনশীল ও নিবেদিতপ্রাণ সাহিত্যসাধক হিসেবে স্মরণ করছেন।

আমীরুল ইসলামের জন্ম ও কর্মজীবন ছিল শিশুসাহিত্যকে ঘিরেই। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি লেখালেখির সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন এবং নতুন প্রজন্মের জন্য মানসম্মত সাহিত্য তৈরিতে কাজ করে গেছেন। তার চিরবিদায়ে বাংলা সাহিত্য জগতে যে শূন্যতার সৃষ্টি হলো, তা সহসা পূরণ হওয়ার নয়। পরিবার, গুণগ্রাহী ও ভক্তদের কাঁদিয়ে তিনি পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে, তবে তার অমর সৃষ্টিগুলোর মাধ্যমে তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন পাঠকের হৃদয়ে।

জনপ্রিয়

মশা দমনে ব্যর্থতার অভিযোগ, রাস্তায় মশারি টানিয়ে অবস্থান চার তরুণীর

শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই

প্রকাশিত ১০:০১:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ও জনপ্রিয় ছড়াকার আমীরুল ইসলাম আর নেই। গত ১০ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে এই বরেণ্য লেখকের বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার এই প্রয়াণে দেশের সাহিত্য অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আমীরুল ইসলাম বাংলা শিশুসাহিত্যে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি অসংখ্য ছড়া, কবিতা, গল্প ও কিশোর উপন্যাস রচনা করেছেন যা শিশু-কিশোরদের মনে দারুণ সাড়া ফেলেছে। তার লেখা মননশীল ও আনন্দদায়ক সাহিত্যকর্মগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে পাঠকদের আন্দোলিত করে আসছে। বাংলা শিশুসাহিত্যের সমৃদ্ধিতে তার অবদান সবসময় স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তার প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে শোকের মাতম শুরু হয়। দেশের বিশিষ্ট লেখক, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও তার অগণিত অনুরাগী গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠন ও প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা তাকে একজন সৃজনশীল ও নিবেদিতপ্রাণ সাহিত্যসাধক হিসেবে স্মরণ করছেন।

আমীরুল ইসলামের জন্ম ও কর্মজীবন ছিল শিশুসাহিত্যকে ঘিরেই। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি লেখালেখির সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন এবং নতুন প্রজন্মের জন্য মানসম্মত সাহিত্য তৈরিতে কাজ করে গেছেন। তার চিরবিদায়ে বাংলা সাহিত্য জগতে যে শূন্যতার সৃষ্টি হলো, তা সহসা পূরণ হওয়ার নয়। পরিবার, গুণগ্রাহী ও ভক্তদের কাঁদিয়ে তিনি পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে, তবে তার অমর সৃষ্টিগুলোর মাধ্যমে তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন পাঠকের হৃদয়ে।