ঢাকা ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম মারা গেছেন

দেশের প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আমীরুল ইসলাম আর নেই। কিডনি জটিলতাজনিত গুরুতর অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। তার এই আকস্মিক প্রয়াণে দেশের সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

দীর্ঘ সাহিত্যিক জীবনে আমীরুল ইসলাম কেবল শিশুদের জন্যই কাজ করে গেছেন। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক, যার পুরোটাই শিশুসাহিত্যের ওপর রচিত। গল্প, ছড়া এবং বিভিন্ন সৃজনশীল রচনার মাধ্যমে তিনি ছোট্ট সোনামণিদের মন জয় করেছিলেন। শিশুসাহিত্যে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে ২০০৬ সালে মর্যাদাপূর্ণ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এছাড়াও তিনি দেশ ও দেশের বাইরে নানা গুরুত্বপূর্ণ সম্মাননা লাভ করেছিলেন।

সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি তিনি পেশাগত জীবনে গণমাধ্যমের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। প্রাতিষ্ঠানিক কাজের পাশাপাশি সৃজনশীল অঙ্গনে তার সরব উপস্থিতি সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের মাঝে তাকে সবসময় স্মরণীয় করে রাখবে।

তার মরদেহ প্রথমে কর্মস্থল চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে নেওয়া হয়, যেখানে প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়। এরপর সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য মরদেহ বাংলা একাডেমির বর্ধমান হাউজ প্রাঙ্গণে রাখা হয় এবং সেখানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরিশেষে মিরপুরের গোলারটেক ঈদগাহ জামে মসজিদে তৃতীয় জানাজা শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

জনপ্রিয়

সোনার গহনার দাম আরও কমলো

শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম মারা গেছেন

প্রকাশিত ১০:৩১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আমীরুল ইসলাম আর নেই। কিডনি জটিলতাজনিত গুরুতর অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। তার এই আকস্মিক প্রয়াণে দেশের সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

দীর্ঘ সাহিত্যিক জীবনে আমীরুল ইসলাম কেবল শিশুদের জন্যই কাজ করে গেছেন। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক, যার পুরোটাই শিশুসাহিত্যের ওপর রচিত। গল্প, ছড়া এবং বিভিন্ন সৃজনশীল রচনার মাধ্যমে তিনি ছোট্ট সোনামণিদের মন জয় করেছিলেন। শিশুসাহিত্যে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে ২০০৬ সালে মর্যাদাপূর্ণ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এছাড়াও তিনি দেশ ও দেশের বাইরে নানা গুরুত্বপূর্ণ সম্মাননা লাভ করেছিলেন।

সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি তিনি পেশাগত জীবনে গণমাধ্যমের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। প্রাতিষ্ঠানিক কাজের পাশাপাশি সৃজনশীল অঙ্গনে তার সরব উপস্থিতি সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের মাঝে তাকে সবসময় স্মরণীয় করে রাখবে।

তার মরদেহ প্রথমে কর্মস্থল চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে নেওয়া হয়, যেখানে প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়। এরপর সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য মরদেহ বাংলা একাডেমির বর্ধমান হাউজ প্রাঙ্গণে রাখা হয় এবং সেখানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরিশেষে মিরপুরের গোলারটেক ঈদগাহ জামে মসজিদে তৃতীয় জানাজা শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।