গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ লড়াইয়ে এ দেশের মুক্তিকামী মানুষের বহু আত্মত্যাগের ইতিহাস রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্মরণ করেন যে, অতীতে গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করতে দেশের লাখ লাখ মানুষ নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। এই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সময়ও সাধারণ মানুষের ওপর চালানো হয়েছে নির্মম নির্যাতন।
বিশেষ করে ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণআন্দোলন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ক্ষমতাসীনদের নির্বিচারে গুলিতে রাজপথ রক্তাক্ত হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন সরকারপ্রধান। তিনি গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ওই সময়ে যেভাবে পাখির মতো মানুষ শিকার করা হয়েছে, তা মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল। দেশের তরুণ ও সাধারণ মানুষের এই অভূতপূর্ব রক্তক্ষয়ী লড়াই কখনোই বৃথা যেতে পারে না।
শহীদদের এই আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হলে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি স্তরে সুশাসন নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, দেশে ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাটাই হবে শহীদদের রক্তের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন। এটি কেবল একটি রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, বরং বর্তমান সরকারের অত্যন্ত পবিত্র ও নৈতিক একটি দায়িত্ব।
ভবিষ্যতে দেশে আর কখনো যাতে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে এবং জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
































