ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo শচিনের আরও একটি বিশ্বরেকর্ড হাতছাড়া, ইতিহাস গড়লেন রুট Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে নৌকাডুবিতে নিখোঁজ ১০ জন ভারতে উদ্ধার, নিখোঁজ ১ Logo জেমসের সঙ্গে দেখা হতেই পা ছুঁয়ে সালাম রূপমের Logo শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাস মনিটরিং হবে সরাসরি, চালু হচ্ছে অ্যাপ Logo ব্যাগ পেয়ে টানাটানি করছিল শিশুটি, হঠাৎ দেখলো ৪ টুকরো মরদেহ Logo আমিশার বাড়িতে ৫ লাখ রুপির গয়না চুরি, গৃহকর্মী গ্রেপ্তার Logo ৫৩৮ জনকে নিয়োগ দেবে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, আবেদন ফি ৫৬ টাকা Logo পদ্মায় নৌকাডুবি, চারজন ভারতে সাঁতরে উঠলেও নিখোঁজ ৭ Logo শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হবে রাজনীতিমুক্ত, এমপিও শিক্ষকদের জন্য আসছে আচরণবিধি Logo ভোলায় জিওব্যাগ ধসে নিখোঁজ বিজিবি সদস্যর মরদেহ উদ্ধার

ব্যাগ পেয়ে টানাটানি করছিল শিশুটি, হঠাৎ দেখলো ৪ টুকরো মরদেহ

রাজধানীর আদাবর এলাকার ১০ নম্বর সেক্টরের হাক্কার পাড় সংলগ্ন খালপাড় থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মধ্যবয়সী ওই নারীর মরদেহটি শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে কয়েকটি টুকরো করা হয়েছিল। খালের পাড়ে পড়ে থাকা দুটি ব্যাগ দেখে স্থানীয় একটি শিশু কৌতূহলবশত টানাটানি শুরু করলে এই লোমহর্ষক ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। পরবর্তীতে ব্যাগের ভেতরে মানুষের শরীরের খণ্ডাংশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি বেশ কিছুদিন আগের হতে পারে এবং অত্যন্ত সুকৌশলে হত্যার পর টুকরো করে সেগুলো ব্যাগে ভরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। খবর পেয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারসহ আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অবিলম্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এছাড়া এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং নিখোঁজ বাকি দুটি টুকরো উদ্ধারের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

নিহত নারীর পরিচয় নিশ্চিত করতে এবং অপরাধের নিখুঁত আলামত সংগ্রহ করতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) ঘটনাস্থলে তলব করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও অন্যান্য প্রমাণাদি সংগ্রহ করবে, যা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে সহায়তা করবে। মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেলে তদন্তের পরিধি আরও প্রসারিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পরিচয় শনাক্তকরণ এবং অপরাধীদের গ্রেফতারে সব ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি ও পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। জনবহুল এলাকায় এ ধরনের পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ও অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থাগুলো নিহতের পরিচয় খুঁজে বের করার পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল কারণ উদঘাটনে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

জনপ্রিয়

শচিনের আরও একটি বিশ্বরেকর্ড হাতছাড়া, ইতিহাস গড়লেন রুট

ব্যাগ পেয়ে টানাটানি করছিল শিশুটি, হঠাৎ দেখলো ৪ টুকরো মরদেহ

প্রকাশিত ০৮:১৬:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর আদাবর এলাকার ১০ নম্বর সেক্টরের হাক্কার পাড় সংলগ্ন খালপাড় থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মধ্যবয়সী ওই নারীর মরদেহটি শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে কয়েকটি টুকরো করা হয়েছিল। খালের পাড়ে পড়ে থাকা দুটি ব্যাগ দেখে স্থানীয় একটি শিশু কৌতূহলবশত টানাটানি শুরু করলে এই লোমহর্ষক ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। পরবর্তীতে ব্যাগের ভেতরে মানুষের শরীরের খণ্ডাংশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি বেশ কিছুদিন আগের হতে পারে এবং অত্যন্ত সুকৌশলে হত্যার পর টুকরো করে সেগুলো ব্যাগে ভরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। খবর পেয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারসহ আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অবিলম্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এছাড়া এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং নিখোঁজ বাকি দুটি টুকরো উদ্ধারের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

নিহত নারীর পরিচয় নিশ্চিত করতে এবং অপরাধের নিখুঁত আলামত সংগ্রহ করতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) ঘটনাস্থলে তলব করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও অন্যান্য প্রমাণাদি সংগ্রহ করবে, যা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে সহায়তা করবে। মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেলে তদন্তের পরিধি আরও প্রসারিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পরিচয় শনাক্তকরণ এবং অপরাধীদের গ্রেফতারে সব ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি ও পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। জনবহুল এলাকায় এ ধরনের পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ও অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থাগুলো নিহতের পরিচয় খুঁজে বের করার পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল কারণ উদঘাটনে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।