ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাকিস্তানে পুলিশ লাইন্সে বোমা হামলায় নিহত ১৬

পাকিস্তানের একটি পুলিশ লাইন্স লক্ষ্য করে আত্মঘাতী বোমা হামলা ও বন্দুকযুদ্ধের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। দেশটির একটি সুরক্ষিত নিরাপত্তা স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিতে বিস্ফোরকভর্তি গাড়ি নিয়ে এই আকস্মিক আক্রমণ চালানো হয়। হামলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ মোট ১৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে। এই নৃশংস সহিংসতার পেছনে কারা জড়িত এবং তাদের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, হামলাকারীরা প্রথমে বিস্ফোরকভর্তি একটি গাড়ি দিয়ে পুলিশ লাইন্সের বাইরের মূল দেয়ালে সজোরে ধাক্কা দেয়। এর ঠিক পরপরই গাড়িতে থাকা অস্ত্রধারীরা অতর্কিতভাবে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে পুলিশ সদস্যরা। উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ ধরে তীব্র গোলাগুলি ও সংঘর্ষ চলতে থাকে।

নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতিরোধের মুখে পড়ে হামলাকারীদের একজন পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং একপর্যায়ে সে নিহত হয়। তল্লাশি চালিয়ে জানা যায় যে নিহত ওই ব্যক্তি তার শরীরে বিস্ফোরক বেল্ট পরে ছিল। মূল গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার আগেই তাকে পরাস্ত করা সম্ভব হলেও তার গাড়ির শক্তিশালী বিস্ফোরণ এড়ানো যায়নি। এই বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে পুলিশ লাইন্সের ভেতরের অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এই বর্বরোচিত হামলার পর পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী তল্লাশি অভিযান শুরু করে। ঘটনার পরপরই আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এই নিরাপত্তা ত্রুটির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

পাকিস্তানে পুলিশ লাইন্সে বোমা হামলায় নিহত ১৬

পাকিস্তানে পুলিশ লাইন্সে বোমা হামলায় নিহত ১৬

প্রকাশিত ০৭:০১:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাকিস্তানের একটি পুলিশ লাইন্স লক্ষ্য করে আত্মঘাতী বোমা হামলা ও বন্দুকযুদ্ধের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। দেশটির একটি সুরক্ষিত নিরাপত্তা স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিতে বিস্ফোরকভর্তি গাড়ি নিয়ে এই আকস্মিক আক্রমণ চালানো হয়। হামলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ মোট ১৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে। এই নৃশংস সহিংসতার পেছনে কারা জড়িত এবং তাদের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, হামলাকারীরা প্রথমে বিস্ফোরকভর্তি একটি গাড়ি দিয়ে পুলিশ লাইন্সের বাইরের মূল দেয়ালে সজোরে ধাক্কা দেয়। এর ঠিক পরপরই গাড়িতে থাকা অস্ত্রধারীরা অতর্কিতভাবে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে পুলিশ সদস্যরা। উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ ধরে তীব্র গোলাগুলি ও সংঘর্ষ চলতে থাকে।

নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতিরোধের মুখে পড়ে হামলাকারীদের একজন পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং একপর্যায়ে সে নিহত হয়। তল্লাশি চালিয়ে জানা যায় যে নিহত ওই ব্যক্তি তার শরীরে বিস্ফোরক বেল্ট পরে ছিল। মূল গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার আগেই তাকে পরাস্ত করা সম্ভব হলেও তার গাড়ির শক্তিশালী বিস্ফোরণ এড়ানো যায়নি। এই বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে পুলিশ লাইন্সের ভেতরের অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এই বর্বরোচিত হামলার পর পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী তল্লাশি অভিযান শুরু করে। ঘটনার পরপরই আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এই নিরাপত্তা ত্রুটির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।