ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে, আহত ১৪

ঢাকার শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় একটি তৈরি পোশাক কারখানার প্রাঙ্গণে হঠাৎ করে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় কারখানা চত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু হয়। ঘনবসতিপূর্ণ ও শিল্পঘন এলাকা হওয়ায় আগعلার খবর ছড়ানোর পর আশপাশের লোকজনের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।

প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত চৌদ্দজন শ্রমিক ও কর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ঠিক কী কারণে এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়। ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দীর্ঘ সময় চেষ্টার পর আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। অগ্নিকাণ্ডের ফলে কারখানার ভেতরে ও চত্বরে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।

এ ধরনের শিল্প কারখানায় বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটার প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। কারখানার অভ্যন্তরীণ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং জরুরি বহির্গমন পথগুলো ঠিকঠাক ছিল কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে। পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পুরো ঘটনাটির নেপথ্য কারণ উদঘাটনে প্রশাসন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

জনপ্রিয়

ঝিনাইদহে সৌরশক্তিতে বদলে যাচ্ছে কৃষি, কমছে সেচ খরচ

আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে, আহত ১৪

প্রকাশিত ১১:৩১:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকার শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় একটি তৈরি পোশাক কারখানার প্রাঙ্গণে হঠাৎ করে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় কারখানা চত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু হয়। ঘনবসতিপূর্ণ ও শিল্পঘন এলাকা হওয়ায় আগعلার খবর ছড়ানোর পর আশপাশের লোকজনের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।

প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত চৌদ্দজন শ্রমিক ও কর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ঠিক কী কারণে এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়। ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দীর্ঘ সময় চেষ্টার পর আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। অগ্নিকাণ্ডের ফলে কারখানার ভেতরে ও চত্বরে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।

এ ধরনের শিল্প কারখানায় বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটার প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। কারখানার অভ্যন্তরীণ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং জরুরি বহির্গমন পথগুলো ঠিকঠাক ছিল কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে। পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পুরো ঘটনাটির নেপথ্য কারণ উদঘাটনে প্রশাসন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।