ঢাকা ১১:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মিলছে না ইলিশ, লোকসানে জেলে

সাধারণত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সময়টিকে ইলিশ মাছ ধরার প্রধান বা ভরা মৌসুম হিসেবে ধরা হয়। এই সময়টাতে দেশের নদনদী ও বঙ্গোপসাগরে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ পাওয়ার আশা করেন জেলেরা। কিন্তু চলতি বছর আবহাওয়া ও অন্যান্য প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার কারণে সেই কাঙ্ক্ষিত চিত্র দেখা যাচ্ছে না। ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের জেলেদের জালে ইলিশের দেখা মিলছে না বললেই চলে।

সাগরে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার জন্য জেলেদের ট্রলার প্রস্তুতি ও জ্বালানি কেনাসহ নানা খাতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। অনেক জেলে দাদন বা ঋণ নিয়ে এই মৌসুমে সাগরে জাল ফেলছেন। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত মাছ না পাওয়ায় তাদের সেই বিনিয়োগ ভেস্তে যাচ্ছে। প্রতিটি ট্রিপে লাখ লাখ টাকা খরচ হওয়ার পরও তাদের খালি হাতে ঘাটে ফিরে আসতে হচ্ছে।

ধারদেনা করে সাগরে গিয়ে মাছ না পেয়ে চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন এসব প্রান্তিক মানুষ। শুধু জেলেরা নন, এই পেশার ওপর নির্ভরশীল মহাজন, বরফকলের মালিক এবং মৎস্য ব্যবসায়ীরাও বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন। ঋণের বোঝা কীভাবে শোধ করবেন, তা নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন জেলে পরিবারগুলো।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ুর পরিবর্তন এবং সাগরের পরিবেশগত নানা কারণে মাছের গতিপ্রকৃতি বদলে যাচ্ছে। ভরা মৌসুমেও এমন পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান না হলে দেশের মৎস্য অর্থনীতিতে এর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মৎস্য বিভাগ দ্রুত এই সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে প্রত্যাশা করছেন ভুক্তভোগী জেলেরা।

জনপ্রিয়

মেসির গোলও বাঁচাতে পারল না মায়ামিকে

মিলছে না ইলিশ, লোকসানে জেলে

প্রকাশিত ১০:৪৬:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাধারণত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সময়টিকে ইলিশ মাছ ধরার প্রধান বা ভরা মৌসুম হিসেবে ধরা হয়। এই সময়টাতে দেশের নদনদী ও বঙ্গোপসাগরে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ পাওয়ার আশা করেন জেলেরা। কিন্তু চলতি বছর আবহাওয়া ও অন্যান্য প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার কারণে সেই কাঙ্ক্ষিত চিত্র দেখা যাচ্ছে না। ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের জেলেদের জালে ইলিশের দেখা মিলছে না বললেই চলে।

সাগরে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার জন্য জেলেদের ট্রলার প্রস্তুতি ও জ্বালানি কেনাসহ নানা খাতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। অনেক জেলে দাদন বা ঋণ নিয়ে এই মৌসুমে সাগরে জাল ফেলছেন। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত মাছ না পাওয়ায় তাদের সেই বিনিয়োগ ভেস্তে যাচ্ছে। প্রতিটি ট্রিপে লাখ লাখ টাকা খরচ হওয়ার পরও তাদের খালি হাতে ঘাটে ফিরে আসতে হচ্ছে।

ধারদেনা করে সাগরে গিয়ে মাছ না পেয়ে চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন এসব প্রান্তিক মানুষ। শুধু জেলেরা নন, এই পেশার ওপর নির্ভরশীল মহাজন, বরফকলের মালিক এবং মৎস্য ব্যবসায়ীরাও বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন। ঋণের বোঝা কীভাবে শোধ করবেন, তা নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন জেলে পরিবারগুলো।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ুর পরিবর্তন এবং সাগরের পরিবেশগত নানা কারণে মাছের গতিপ্রকৃতি বদলে যাচ্ছে। ভরা মৌসুমেও এমন পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান না হলে দেশের মৎস্য অর্থনীতিতে এর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মৎস্য বিভাগ দ্রুত এই সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে প্রত্যাশা করছেন ভুক্তভোগী জেলেরা।