ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মিড ডে মিল খেয়ে ৩৪ শিক্ষার্থী হাসপাতালে

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা দুগ্ধপানের পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার একটি উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে। মিড ডে মিল কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিতরণ করা প্যাকেটজাত দুধ খাওয়ার পরপরই বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খুদে শিক্ষার্থীরা অসুস্থতা অনুভব করতে শুরু করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুধের স্বাদ তিক্ত ও নষ্ট থাকায় শিক্ষার্থীরা সেটি পান করার পরই বমি এবং শারীরিক দুর্বলতায় আক্রান্ত হয়।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার তিনটি ভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অন্তত ৩৪ জন শিক্ষার্থী এই ঘটনার শিকার হয়েছে। দুগ্ধপানের কিছুক্ষণের মধ্যেই শিশুদের পেটব্যথা, বমি ভাব এবং মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। পরবর্তীতে দ্রুত তাদের অবস্থা অবনতি হলে শিক্ষক ও অভিভাবকদের উদ্যোগে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি ভিত্তিতে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে চিকিৎসকরা জানান, নষ্ট বা মানহীন খাবার খাওয়ার ফলে খাদ্যজনিত বিষক্রিয়ার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আক্রান্ত শিক্ষার্থীরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। তবে এই ঘটনার পর উদ্বিগ্ন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্মকর্তারা দ্রুত হাসপাতাল পরিদর্শনে যান এবং অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টি কার্যক্রমে কীভাবে এমন নিম্নমানের ও নষ্ট দুধ সরবরাহ করা হলো, তা খতিয়ে দেখার জন্য তদন্তের দাবি উঠেছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

জনপ্রিয়

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে নতুন তথ্য, মায়ের তিন দাবি

মিড ডে মিল খেয়ে ৩৪ শিক্ষার্থী হাসপাতালে

প্রকাশিত ০৬:১৬:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা দুগ্ধপানের পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার একটি উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে। মিড ডে মিল কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিতরণ করা প্যাকেটজাত দুধ খাওয়ার পরপরই বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খুদে শিক্ষার্থীরা অসুস্থতা অনুভব করতে শুরু করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুধের স্বাদ তিক্ত ও নষ্ট থাকায় শিক্ষার্থীরা সেটি পান করার পরই বমি এবং শারীরিক দুর্বলতায় আক্রান্ত হয়।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার তিনটি ভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অন্তত ৩৪ জন শিক্ষার্থী এই ঘটনার শিকার হয়েছে। দুগ্ধপানের কিছুক্ষণের মধ্যেই শিশুদের পেটব্যথা, বমি ভাব এবং মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। পরবর্তীতে দ্রুত তাদের অবস্থা অবনতি হলে শিক্ষক ও অভিভাবকদের উদ্যোগে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি ভিত্তিতে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে চিকিৎসকরা জানান, নষ্ট বা মানহীন খাবার খাওয়ার ফলে খাদ্যজনিত বিষক্রিয়ার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আক্রান্ত শিক্ষার্থীরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। তবে এই ঘটনার পর উদ্বিগ্ন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্মকর্তারা দ্রুত হাসপাতাল পরিদর্শনে যান এবং অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টি কার্যক্রমে কীভাবে এমন নিম্নমানের ও নষ্ট দুধ সরবরাহ করা হলো, তা খতিয়ে দেখার জন্য তদন্তের দাবি উঠেছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।