ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৬৫৫ জন

মৌসুমি এই রোগটির প্রকোপ অব্যাহত থাকায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গু পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত একদিনের ব্যবধানে সারাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনার মধ্য দিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯০ জনে, যা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন করে ১৬৫৫ জন ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে চলতি বছর জুড়েই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, কেবল নির্দিষ্ট কোনো একটি অঞ্চলে নয়, বরং দেশের অধিকাংশ বড় শহরেই এই রোগের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে ছড়িয়ে পড়ছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বিশেষ ওয়ার্ড ও অতিরিক্ত বিছানার ব্যবস্থা করা হয়েছে। চিকিৎসকরা রোগীর সংখ্যা সামাল দিতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এবং আক্রান্তদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসার পরামর্শ দিচ্ছেন। বিশেষ করে জ্বর আসার সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও কীটতত্ত্ববিদরা এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি জোরালো পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার তাগিদ দিয়েছেন। তাদের মতে, আবাসিক এলাকার চারপাশের জমা পানি নিয়মিত পরিষ্কার না করলে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনকে মশা নিধনে আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মারধর নিষিদ্ধ, মহিলা আবাসিক না রাখার পরামর্শ

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৬৫৫ জন

প্রকাশিত ০৭:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মৌসুমি এই রোগটির প্রকোপ অব্যাহত থাকায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গু পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত একদিনের ব্যবধানে সারাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনার মধ্য দিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯০ জনে, যা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন করে ১৬৫৫ জন ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে চলতি বছর জুড়েই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, কেবল নির্দিষ্ট কোনো একটি অঞ্চলে নয়, বরং দেশের অধিকাংশ বড় শহরেই এই রোগের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে ছড়িয়ে পড়ছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বিশেষ ওয়ার্ড ও অতিরিক্ত বিছানার ব্যবস্থা করা হয়েছে। চিকিৎসকরা রোগীর সংখ্যা সামাল দিতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এবং আক্রান্তদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসার পরামর্শ দিচ্ছেন। বিশেষ করে জ্বর আসার সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও কীটতত্ত্ববিদরা এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি জোরালো পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার তাগিদ দিয়েছেন। তাদের মতে, আবাসিক এলাকার চারপাশের জমা পানি নিয়মিত পরিষ্কার না করলে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনকে মশা নিধনে আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।