সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধারের পর এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়, যা ইতোমধ্যে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছিল এবং অবশেষে আদালতের মাধ্যমে আইনি লড়াইয়ের সূচনা হলো।
মামলার এজাহারে সংসদ সদস্য নজরুলের বিরুদ্ধে গুরুতর সব অভিযোগ তুলেছেন নিহতের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। তিনি তার অভিযোগে স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন যে, মৃত্যুর আগে মরিয়মকে নিয়মিতভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। এই নির্যাতনের মাত্রা এতটাই তীব্র ছিল যে তা সহ্য করা নিহত গৃহবধূর পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগকারীর বর্ণনা অনুযায়ী, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয়ে মরিয়মের ওপর নানা ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হতো এবং প্রায়ই তার সঙ্গে অমানবিক আচরণ করা হতো। পরিবারকে না জানিয়ে কিংবা তাদের অমতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন পারিবারিক কলহ একপর্যায়ে চরম রূপ ধারণ করে। নিহতের বাবার দাবি, এই দীর্ঘমেয়াদি নির্যাতন ও চাপের ফলেই শেষ পর্যন্ত মর্মান্তিক এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেছে এবং এর নেপথ্য সত্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পাশাপাশি অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।



































