ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের সঙ্গে চুক্তি: ট্রাম্প Logo বাংলাদেশের সাথে ইতিবাচক সম্পর্ক রাখতে আগ্রহী ভারত: জয়সওয়াল Logo বিশ্বজুড়ে মার্কিন সামরিক শক্তি ব্যবহারের কথা বললেন ট্রাম্প Logo নোবিপ্রবিতে আয়োজিত হতে যাচ্ছে চতুর্থ ন্যাশনাল সায়েন্স ফেস্ট Logo জাতিসংঘে স্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ট্রাম্প Logo ইবিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নেপথ্যে যা ছিল Logo ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ Logo শিশুদের ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণে মেসির ৩৬ কোটি টাকা অনুদান Logo অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে আসামিদের পক্ষে লড়বেন না কোনো আইনজীবী Logo বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

জাতিসংঘে স্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ট্রাম্প

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার স্ত্রী এবং দেশের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের মানবিক উদ্যোগের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। বিশ্বমঞ্চে দেওয়া এই বক্তব্যে তিনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মেলানিয়ার নেওয়া বিভিন্ন সামাজিক ও কল্যাণমুখী কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা সংকট ও সংঘাতের মধ্যে শিশুদের সুরক্ষায় তার ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বক্তৃতার একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল ইউক্রেন ও রাশিয়ার চলমান সংঘাতের বিষয়টি, যেখানে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বহু শিশু তাদের পরিবার ও প্রিয়জনদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেন যে, এই মানবেতর পরিস্থিতিতে পরিবারহীন হয়ে পড়া শিশুগুলোকে তাদের বাবা-মা কিংবা অভিভাবকদের কাছে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় মেলানিয়া ট্রাম্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চল থেকে শিশুদের উদ্ধার করে স্বজনদের কোলে ফিরিয়ে দেওয়ার এই মহৎ কার্যক্রমে ফার্স্ট লেডির নিরলস প্রচেষ্টা বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার ভাষণে মেলানিয়া ট্রাম্পের এই উদ্যোগকে একটি ‘অসাধারণ কাজ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন যে, মানবিক সংকটের এই সময়ে এমন নিঃস্বার্থ পদক্ষেপ বিশ্ববাসীর জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মতপার্থক্য ছাপিয়ে শিশুদের অধিকার রক্ষা এবং পারিবারিক পুনরেকত্রীকরণের মতো মৌলিক বিষয়ে ফার্স্ট লেডির এই ব্যক্তিগত সম্পৃক্ততা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সংঘাতের শিকার হওয়া অসহায় শিশুদের জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।

জাতিসংঘের মতো একটি বৈশ্বিক মঞ্চে ফার্স্ট লেডির এই মানবিক প্রচেষ্টার স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়টি বিশ্ব গণমাধ্যমেও বেশ গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় কেবল রাজনৈতিক কিংবা সামরিক কৌশলই যথেষ্ট নয়, বরং এ ধরনের সহানুভূতিশীল ও সামাজিক উদ্যোগগুলোও শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশ্বমঞ্চে শিশু সুরক্ষার বিষয়টি পুনরায় জোরালোভাবে পুনর্ব্যক্ত করা হলো।

জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের সঙ্গে চুক্তি: ট্রাম্প

জাতিসংঘে স্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ট্রাম্প

প্রকাশিত ১০:৪৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার স্ত্রী এবং দেশের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের মানবিক উদ্যোগের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। বিশ্বমঞ্চে দেওয়া এই বক্তব্যে তিনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মেলানিয়ার নেওয়া বিভিন্ন সামাজিক ও কল্যাণমুখী কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা সংকট ও সংঘাতের মধ্যে শিশুদের সুরক্ষায় তার ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বক্তৃতার একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল ইউক্রেন ও রাশিয়ার চলমান সংঘাতের বিষয়টি, যেখানে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বহু শিশু তাদের পরিবার ও প্রিয়জনদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেন যে, এই মানবেতর পরিস্থিতিতে পরিবারহীন হয়ে পড়া শিশুগুলোকে তাদের বাবা-মা কিংবা অভিভাবকদের কাছে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় মেলানিয়া ট্রাম্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চল থেকে শিশুদের উদ্ধার করে স্বজনদের কোলে ফিরিয়ে দেওয়ার এই মহৎ কার্যক্রমে ফার্স্ট লেডির নিরলস প্রচেষ্টা বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার ভাষণে মেলানিয়া ট্রাম্পের এই উদ্যোগকে একটি ‘অসাধারণ কাজ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন যে, মানবিক সংকটের এই সময়ে এমন নিঃস্বার্থ পদক্ষেপ বিশ্ববাসীর জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মতপার্থক্য ছাপিয়ে শিশুদের অধিকার রক্ষা এবং পারিবারিক পুনরেকত্রীকরণের মতো মৌলিক বিষয়ে ফার্স্ট লেডির এই ব্যক্তিগত সম্পৃক্ততা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সংঘাতের শিকার হওয়া অসহায় শিশুদের জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।

জাতিসংঘের মতো একটি বৈশ্বিক মঞ্চে ফার্স্ট লেডির এই মানবিক প্রচেষ্টার স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়টি বিশ্ব গণমাধ্যমেও বেশ গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় কেবল রাজনৈতিক কিংবা সামরিক কৌশলই যথেষ্ট নয়, বরং এ ধরনের সহানুভূতিশীল ও সামাজিক উদ্যোগগুলোও শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশ্বমঞ্চে শিশু সুরক্ষার বিষয়টি পুনরায় জোরালোভাবে পুনর্ব্যক্ত করা হলো।