ঢাকা ০৪:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় নাম ফেরাতে কীভাবে চলছে ট্রাইবুনালের কাজ?

পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নাগরিকদের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া বর্তমানে বেশ ধীরগতিতে চলছে। ভারতের উচ্চ আদালতের বিশেষ নির্দেশনার ভিত্তিতে রাজ্যে মোট উনিশটি বিশেষ ‘অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল’ গঠন করা হয়েছিল। এই ট্রাইবুনালগুলোর মূল দায়িত্ব হলো ভোটার তালিকা সংক্রান্ত যাবতীয় আপত্তি ও অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করা।

এর আগে আইনি ও প্রশাসনিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রায় সাতাশ লক্ষ মানুষকে ভোটদান প্রক্রিয়ার জন্য অনুপযুক্ত বা অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। এই বিশাল সংখ্যক বাদ পড়া মানুষ তাদের সাংবিধানিক অধিকার ফিরে পাওয়ার আশায় এসব ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হচ্ছেন। তবে এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শুরু থেকেই বিভিন্ন জটিলতা ও ধীরগতির চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য আবেদন করা বিশাল জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিন শতাংশের কিছুটা বেশি মানুষের মামলার নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়েছে। আবেদন নিষ্পত্তির এই কম হার সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে এবং বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘ অপেক্ষার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

তদন্ত ও শুনানির দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রকৃত ভোটাররা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও বিচারব্যবস্থার এই সমম্বিত উদ্যোগে ট্রাইবুনালগুলোর কার্যকারিতা আরও বাড়ানোর দাবি উঠেছে, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব অসঙ্গতি দূর করে স্বচ্ছ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা যায়।

জনপ্রিয়

পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় নাম ফেরাতে কীভাবে চলছে ট্রাইবুনালের কাজ?

পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় নাম ফেরাতে কীভাবে চলছে ট্রাইবুনালের কাজ?

প্রকাশিত ০৪:১৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নাগরিকদের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া বর্তমানে বেশ ধীরগতিতে চলছে। ভারতের উচ্চ আদালতের বিশেষ নির্দেশনার ভিত্তিতে রাজ্যে মোট উনিশটি বিশেষ ‘অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল’ গঠন করা হয়েছিল। এই ট্রাইবুনালগুলোর মূল দায়িত্ব হলো ভোটার তালিকা সংক্রান্ত যাবতীয় আপত্তি ও অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করা।

এর আগে আইনি ও প্রশাসনিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রায় সাতাশ লক্ষ মানুষকে ভোটদান প্রক্রিয়ার জন্য অনুপযুক্ত বা অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। এই বিশাল সংখ্যক বাদ পড়া মানুষ তাদের সাংবিধানিক অধিকার ফিরে পাওয়ার আশায় এসব ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হচ্ছেন। তবে এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শুরু থেকেই বিভিন্ন জটিলতা ও ধীরগতির চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য আবেদন করা বিশাল জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিন শতাংশের কিছুটা বেশি মানুষের মামলার নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়েছে। আবেদন নিষ্পত্তির এই কম হার সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে এবং বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘ অপেক্ষার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

তদন্ত ও শুনানির দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রকৃত ভোটাররা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও বিচারব্যবস্থার এই সমম্বিত উদ্যোগে ট্রাইবুনালগুলোর কার্যকারিতা আরও বাড়ানোর দাবি উঠেছে, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব অসঙ্গতি দূর করে স্বচ্ছ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা যায়।