ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুক হামলায় নিহত ১৭ Logo ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের ছোবলের শিকার রাবি শিক্ষার্থী Logo সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে যা ঘটেছে, মেনে নেওয়ার মতো নয়: সাদিয়া আয়মান Logo তরুণ উদ্যোক্তার খোঁজে বাকৃবিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতবিনিময় সভা Logo ‘পাশের জমির মালিকের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে’ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, আটক ৩: পুলিশ Logo বাগেরহাটে পলিথিনে মোড়ানো শিশুর গলাকাটা মরদেহ, গ্রেপ্তার ৩ Logo ভারতের উত্তরপ্রদেশে প্রবল বৃষ্টি-বজ্রসহ ঝড়, নিহত ১০ Logo নড়াইলে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় কৃষককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ Logo নদীতে ভেসে যাওয়া ছোট্ট হাতিকে পৌঁছে দেওয়া হলো মা হাতির কাছে Logo নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের হল কমিটি গঠনের বিজ্ঞপ্তি, মধ্যরাতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

নিখোঁজ শিশুর জন্য অপেক্ষা-উদ্বেগ, কী করছে পুলিশ?

বাংলাদেশে কোনো শিশু হারিয়ে যাওয়ার মতো সংবেদনশীল ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে মাঠে নামার জন্য পুলিশের সুনির্দিষ্ট কোনো বিশেষায়িত ইউনিট নেই। সাধারণ থানা পুলিশের ওপরই এসব শিশু উদ্ধারের মূল দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে, যাদের অন্যান্য নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি এই কাজ করতে হয়। ফলে অনেক সময় নিখোঁজ শিশুর সন্ধানে যে দ্রুত গতির ও সমন্বিত তৎপরতা প্রয়োজন, তা ব্যাহত হয় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ অনুযায়ী, সন্তান নিখোঁজ হওয়ার পর থানায় সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করতে গেলেও নানা জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়। রাজধানীর বিভিন্ন থানা বা দেশের অন্যান্য অঞ্চলে অনেক সময় ২৪ ঘণ্টা না পার হলে পুলিশ জিডি নিতে চায় না, যা চরম উৎকণ্ঠার সময়ে পরিবারগুলোকে আরও অসহায় করে তোলে। এই ধরনের অনীহা ও কালক্ষেপণের ফলে অপরাধীরা আরও বেশি সুযোগ পেয়ে যায় এবং নিখোঁজ শিশুকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশু নিখোঁজ হওয়ার প্রথম কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই সময়ের মধ্যেই সর্বাত্মক উদ্ধার তৎপরতা শুরু করা জরুরি। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর দুর্বলতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির অপর্যাপ্ত ব্যবহারের কারণে পুলিশ তাৎক্ষণিক কোনো অপারেশন শুরু করতে পারে না। ফলে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও কালক্ষেপণের মধ্য দিয়ে যেতে হয়, যা শিশু সুরক্ষার ক্ষেত্রে বড় একটি অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতি উত্তরণে শিশু নিখোঁজের তাৎক্ষণিক তদন্ত ও উদ্ধারের জন্য একটি বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট গঠনের দাবি জোরালো হচ্ছে। পাশাপাশি, থানায় জিডি করার ক্ষেত্রে অযথা সময়ক্ষেপণ বন্ধ করে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ গ্রহণ এবং প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন মানবাধিকারকর্মীরা।

জনপ্রিয়

দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুক হামলায় নিহত ১৭

নিখোঁজ শিশুর জন্য অপেক্ষা-উদ্বেগ, কী করছে পুলিশ?

প্রকাশিত ১১:০০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশে কোনো শিশু হারিয়ে যাওয়ার মতো সংবেদনশীল ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে মাঠে নামার জন্য পুলিশের সুনির্দিষ্ট কোনো বিশেষায়িত ইউনিট নেই। সাধারণ থানা পুলিশের ওপরই এসব শিশু উদ্ধারের মূল দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে, যাদের অন্যান্য নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি এই কাজ করতে হয়। ফলে অনেক সময় নিখোঁজ শিশুর সন্ধানে যে দ্রুত গতির ও সমন্বিত তৎপরতা প্রয়োজন, তা ব্যাহত হয় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ অনুযায়ী, সন্তান নিখোঁজ হওয়ার পর থানায় সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করতে গেলেও নানা জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়। রাজধানীর বিভিন্ন থানা বা দেশের অন্যান্য অঞ্চলে অনেক সময় ২৪ ঘণ্টা না পার হলে পুলিশ জিডি নিতে চায় না, যা চরম উৎকণ্ঠার সময়ে পরিবারগুলোকে আরও অসহায় করে তোলে। এই ধরনের অনীহা ও কালক্ষেপণের ফলে অপরাধীরা আরও বেশি সুযোগ পেয়ে যায় এবং নিখোঁজ শিশুকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশু নিখোঁজ হওয়ার প্রথম কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই সময়ের মধ্যেই সর্বাত্মক উদ্ধার তৎপরতা শুরু করা জরুরি। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর দুর্বলতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির অপর্যাপ্ত ব্যবহারের কারণে পুলিশ তাৎক্ষণিক কোনো অপারেশন শুরু করতে পারে না। ফলে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও কালক্ষেপণের মধ্য দিয়ে যেতে হয়, যা শিশু সুরক্ষার ক্ষেত্রে বড় একটি অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতি উত্তরণে শিশু নিখোঁজের তাৎক্ষণিক তদন্ত ও উদ্ধারের জন্য একটি বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট গঠনের দাবি জোরালো হচ্ছে। পাশাপাশি, থানায় জিডি করার ক্ষেত্রে অযথা সময়ক্ষেপণ বন্ধ করে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ গ্রহণ এবং প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন মানবাধিকারকর্মীরা।