ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

মেঘনায় ট্রলারডুবি, ৩ ভাই–বোনের মরদেহ উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনার দুদিন পর একই পরিবারের তিন শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে তাদের মৃতদেহগুলো উদ্ধার করেন স্থানীয় উদ্ধারকর্মীরা ও স্বজনরা। মর্মান্তিক এই ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং শোকার্ত পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে ভিড় করছেন স্থানীয়রা।

নিহত তিন শিশু সম্পর্কে আপন ভাই-বোন। গত কয়েকদিন আগে মেঘনা নদীতে একটি ট্রলারডুবির আকস্মিক দুর্ঘটনায় তারা নিখোঁজ হয়েছিল। ঘটনার পর থেকেই তাদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় লোকজন নদীতে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। দীর্ঘ চেষ্টার পর অবশেষে নদী থেকে তাদের নিথর দেহগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

তবে এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন শিশুদের বাবা হেলাল উদ্দিন। তাকে খুঁজে পেতে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও কোস্টগার্ডের যৌথ উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিখোঁজ বাবাকে দ্রুত উদ্ধারের আশায় নদীপাড়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তাদের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় প্রশাসন ও নদী নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত যাত্রী বহন বা নদীপথে সুরক্ষাব্যবস্থার ঘাটতির কারণে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে নদীপথে চলাচলকারী সকল জলযানকে আরও সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

ফিনল্যান্ডে গুগলের ডেটা সেন্টারের কাজ বন্ধের নির্দেশ

মেঘনায় ট্রলারডুবি, ৩ ভাই–বোনের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত ০৫:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনার দুদিন পর একই পরিবারের তিন শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে তাদের মৃতদেহগুলো উদ্ধার করেন স্থানীয় উদ্ধারকর্মীরা ও স্বজনরা। মর্মান্তিক এই ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং শোকার্ত পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে ভিড় করছেন স্থানীয়রা।

নিহত তিন শিশু সম্পর্কে আপন ভাই-বোন। গত কয়েকদিন আগে মেঘনা নদীতে একটি ট্রলারডুবির আকস্মিক দুর্ঘটনায় তারা নিখোঁজ হয়েছিল। ঘটনার পর থেকেই তাদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় লোকজন নদীতে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। দীর্ঘ চেষ্টার পর অবশেষে নদী থেকে তাদের নিথর দেহগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

তবে এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন শিশুদের বাবা হেলাল উদ্দিন। তাকে খুঁজে পেতে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও কোস্টগার্ডের যৌথ উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিখোঁজ বাবাকে দ্রুত উদ্ধারের আশায় নদীপাড়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তাদের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় প্রশাসন ও নদী নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত যাত্রী বহন বা নদীপথে সুরক্ষাব্যবস্থার ঘাটতির কারণে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে নদীপথে চলাচলকারী সকল জলযানকে আরও সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।