ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস Logo চুরির অভিযোগ: তবুও বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসার দৃশ্য মানুষকে কাঁদিয়েছে Logo পঞ্চম দিনেও অচল চুয়েট, নতুন ভিসিকে শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড Logo মানিকগঞ্জে উল্টো পথে আসা বাসের ধাক্কায় মা-মেয়ে নিহত Logo এআই দিয়ে বার্তা পাঠিয়ে জালিয়াতি: ইতালির শীর্ষ ব্যাংক থেকে কোটি কোটি ইউরো গায়েব Logo ডায়াবেটিস হলে ফল খাবেন, না খাবেন না Logo মেঘনায় ট্রলারডুবি, ৩ ভাই–বোনের মরদেহ উদ্ধার Logo আন্তর্জাতিক ফুটবলে কোন দেশের বিপক্ষে একাধিক হ্যাটট্রিক করেছেন মেসি–রোনালদোরা ও আরও ৮ প্রশ্ন Logo মার্কিন পুঁজিবাজার, সরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এআই বটের অনধিকার প্রবেশ Logo চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা অনাহারী বাবা, রুটি-চা নিয়ে ছুটে এল শিশুকন্যা

মানিকগঞ্জে উল্টো পথে আসা বাসের ধাক্কায় মা-মেয়ে নিহত

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার টেপড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। উল্টো দিক থেকে আসা বেপরোয়া গতির একটি যাত্রীবাহী বাস মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মা ও তাঁর কোলের শিশু সন্তান গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহত নারী সোনিয়া আক্তার মানিকগঞ্জের দেবেন্দ্র কলেজের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে থাকা শিশুটির নাম জান্নাত। সোনিয়ার স্বামী মো. আবুল হোসেন টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে কারারক্ষী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। ছুটির দিনে পরিবার নিয়ে টাঙ্গাইলে কর্মস্থলে ফেরার পথেই এই ভয়াবহ পরিণতি বরণ করতে হয় তাঁদের। সোনিয়ার গ্রামের বাড়ি শিবালয় উপজেলার জাফরগঞ্জ পয়লা গ্রামে।

নিহতের স্বামী আবুল হোসেন জানান, কয়েক দিনের ছুটিতে তিনি স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। স্ত্রীর পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর তাঁরা মোটরসাইকেলে করে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। টেপড়া এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা গোল্ডেন লাইন পরিবহনের বাসটি তাঁদের ধাক্কা দেয়। বাসের বেপরোয়া গতি ও নিয়মবহির্ভূতভাবে উল্টো পথে চলাকেই তিনি এই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করেছেন এবং দোষী চালকের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন।

বরংগাইল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠায়। দুর্ঘটনা ঘটানোর পর বাসটি ফেলে চালক ও সহকারী পালিয়ে গেলেও পুলিশ সেটিকে জব্দ করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং পলাতকদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন।

জনপ্রিয়

বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস

মানিকগঞ্জে উল্টো পথে আসা বাসের ধাক্কায় মা-মেয়ে নিহত

প্রকাশিত ০৬:১৫:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার টেপড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। উল্টো দিক থেকে আসা বেপরোয়া গতির একটি যাত্রীবাহী বাস মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মা ও তাঁর কোলের শিশু সন্তান গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহত নারী সোনিয়া আক্তার মানিকগঞ্জের দেবেন্দ্র কলেজের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে থাকা শিশুটির নাম জান্নাত। সোনিয়ার স্বামী মো. আবুল হোসেন টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে কারারক্ষী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। ছুটির দিনে পরিবার নিয়ে টাঙ্গাইলে কর্মস্থলে ফেরার পথেই এই ভয়াবহ পরিণতি বরণ করতে হয় তাঁদের। সোনিয়ার গ্রামের বাড়ি শিবালয় উপজেলার জাফরগঞ্জ পয়লা গ্রামে।

নিহতের স্বামী আবুল হোসেন জানান, কয়েক দিনের ছুটিতে তিনি স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। স্ত্রীর পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর তাঁরা মোটরসাইকেলে করে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। টেপড়া এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা গোল্ডেন লাইন পরিবহনের বাসটি তাঁদের ধাক্কা দেয়। বাসের বেপরোয়া গতি ও নিয়মবহির্ভূতভাবে উল্টো পথে চলাকেই তিনি এই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করেছেন এবং দোষী চালকের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন।

বরংগাইল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠায়। দুর্ঘটনা ঘটানোর পর বাসটি ফেলে চালক ও সহকারী পালিয়ে গেলেও পুলিশ সেটিকে জব্দ করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং পলাতকদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন।