ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বনানীর আহমেদ টাওয়ারে আগুন Logo বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস Logo চুরির অভিযোগ: তবুও বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসার দৃশ্য মানুষকে কাঁদিয়েছে Logo পঞ্চম দিনেও অচল চুয়েট, নতুন ভিসিকে শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড Logo মানিকগঞ্জে উল্টো পথে আসা বাসের ধাক্কায় মা-মেয়ে নিহত Logo এআই দিয়ে বার্তা পাঠিয়ে জালিয়াতি: ইতালির শীর্ষ ব্যাংক থেকে কোটি কোটি ইউরো গায়েব Logo ডায়াবেটিস হলে ফল খাবেন, না খাবেন না Logo মেঘনায় ট্রলারডুবি, ৩ ভাই–বোনের মরদেহ উদ্ধার Logo আন্তর্জাতিক ফুটবলে কোন দেশের বিপক্ষে একাধিক হ্যাটট্রিক করেছেন মেসি–রোনালদোরা ও আরও ৮ প্রশ্ন Logo মার্কিন পুঁজিবাজার, সরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এআই বটের অনধিকার প্রবেশ

পঞ্চম দিনেও অচল চুয়েট, নতুন ভিসিকে শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগের প্রতিবাদে চলমান ছাত্র-শিক্ষক আন্দোলন পাঁচ দিন ধরে অব্যাহত রয়েছে। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে বহাল রাখার দাবিতে ক্যাম্পাসে সব ধরনের ক্লাস এবং পরীক্ষা বর্জন করা হয়েছে। এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অচলাবস্থা বিরাজ করছে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।

আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ক্যাম্পাসে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয় এবং সেখানে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। শিক্ষার্থীরা লাল কার্ড প্রদর্শন করে নতুন এই নিয়োগকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও পূর্ণ কর্মবিরতি পালন শুরু করেছেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নতুন উপাচার্য তাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত গণআন্দোলনকে খাটো করে দেখছেন এবং একে মাত্র গুটিকয়েক শিক্ষার্থীর আন্দোলন বলে মন্তব্য করেছেন। তার এই বক্তব্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চরমভাবে ক্ষুব্ধ করেছে এবং অনলাইনে তার যোগদান করার প্রক্রিয়াটিও তারা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন। আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা কোনোভাবেই নতুন উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে মেনে নেবেন না।

উল্লেখ্য, এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পূর্বের উপাচার্যকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে এবং শিক্ষার্থীরা শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নতুন উপাচার্য জানিয়েছেন যে তিনি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং দ্রুত পরিবেশ শান্ত করে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে চান।

জনপ্রিয়

বনানীর আহমেদ টাওয়ারে আগুন

পঞ্চম দিনেও অচল চুয়েট, নতুন ভিসিকে শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড

প্রকাশিত ০৬:৩০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগের প্রতিবাদে চলমান ছাত্র-শিক্ষক আন্দোলন পাঁচ দিন ধরে অব্যাহত রয়েছে। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে বহাল রাখার দাবিতে ক্যাম্পাসে সব ধরনের ক্লাস এবং পরীক্ষা বর্জন করা হয়েছে। এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অচলাবস্থা বিরাজ করছে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।

আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ক্যাম্পাসে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয় এবং সেখানে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। শিক্ষার্থীরা লাল কার্ড প্রদর্শন করে নতুন এই নিয়োগকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও পূর্ণ কর্মবিরতি পালন শুরু করেছেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নতুন উপাচার্য তাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত গণআন্দোলনকে খাটো করে দেখছেন এবং একে মাত্র গুটিকয়েক শিক্ষার্থীর আন্দোলন বলে মন্তব্য করেছেন। তার এই বক্তব্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চরমভাবে ক্ষুব্ধ করেছে এবং অনলাইনে তার যোগদান করার প্রক্রিয়াটিও তারা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন। আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা কোনোভাবেই নতুন উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে মেনে নেবেন না।

উল্লেখ্য, এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পূর্বের উপাচার্যকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে এবং শিক্ষার্থীরা শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নতুন উপাচার্য জানিয়েছেন যে তিনি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং দ্রুত পরিবেশ শান্ত করে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে চান।