ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সাত কলেজের সংকট নিরসনে অধ্যাদেশই একমাত্র সমাধান: কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবির Logo কুবিতে মুরাদনগর ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবীনবরণ ও মিলনমেলা Logo ঢাকেবির অধ্যাদেশের পক্ষে চার ছাত্র সংগঠনের সংহতি প্রকাশ Logo ১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার  Logo সরস্বতীপূজার ব্যানার ‘ভুলবশত’ খুলে ফেলেন, দাবি জাবি কর্মচারীর Logo জাবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ‘তরী’র শীতবস্ত্র বিতরণ  Logo জাবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে রিমন-জাহিদ Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সোমবার শিক্ষার্থীদের গণজমায়েত Logo র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক Logo জাবিতে ‘তারুণ্যের চোখে আগামী নির্বাচন ও গণভোট’ শীর্ষক সেমিনার

এক মাস পর মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরু

এক মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় উৎপাদনে ফিরেছে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। আজ (শনিবার, ৩০ নভেম্বর) বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো ৬শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে দায়িত্ব রত কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন মজুমদার।

এর আগে কয়লা সংকট কেটে যাওয়ায় ১ ডিসেম্বর থেকে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরুর বিষয়ে জানানো হয়েছিল। সে সময় বলা হয়, কয়লা সংকট কেটে যাওয়ায় কক্সবাজারের মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এক মাস পর আবারো উৎপাদনে যাচ্ছে। ১ ডিসেম্বর থেকে উৎপাদন শুরুর লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে গত বুধবার (২৭ নভেম্বর) ইন্দোনেশিয়া থেকে পানামার পতাকাবাহী একটি জাহাজে করে আনা হয়েছে ৭০ হাজার টন কয়লা। জাপানের সুমিতমো করপোরেশনের সাথে চুক্তি শেষ হওয়ার পর মেঘনা গ্রুপের আমদানি করা এটিই প্রথম কয়লার চালান।

ওই কয়লা দিয়েই উৎপাদন শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন মজুমদার।

তিনি জানান, শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা যেহেতু কম, তাই একটি ইউনিট চালু করা হয়েছে। চাহিদা বাড়লে জানুয়ারির দিকে উৎপাদন বাড়তে পারে।

এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১২শ মেগাওয়াট। প্রকল্পের একটি ইউনিট ২০২৩ সালের জুলাই ও অপর ইউনিট ডিসেম্বরে চালু হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, সুমিতমো করপোরেশন কয়লার সর্বশেষ সরবরাহ দিয়েছিল গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে। উৎপাদন শুরুর পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে আনা হয়েছিল মোট ২২ লাখ ৫ হাজার টন কয়লা।

সেই মজুত পুরোপুরি শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ৩১ অক্টোবর থেকে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দুই ইউনিটেরই উৎপাদন কার্যক্রম।

জনপ্রিয়

সাত কলেজের সংকট নিরসনে অধ্যাদেশই একমাত্র সমাধান: কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবির

এক মাস পর মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরু

প্রকাশিত ০৮:৫০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪

এক মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় উৎপাদনে ফিরেছে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। আজ (শনিবার, ৩০ নভেম্বর) বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো ৬শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে দায়িত্ব রত কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন মজুমদার।

এর আগে কয়লা সংকট কেটে যাওয়ায় ১ ডিসেম্বর থেকে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরুর বিষয়ে জানানো হয়েছিল। সে সময় বলা হয়, কয়লা সংকট কেটে যাওয়ায় কক্সবাজারের মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এক মাস পর আবারো উৎপাদনে যাচ্ছে। ১ ডিসেম্বর থেকে উৎপাদন শুরুর লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে গত বুধবার (২৭ নভেম্বর) ইন্দোনেশিয়া থেকে পানামার পতাকাবাহী একটি জাহাজে করে আনা হয়েছে ৭০ হাজার টন কয়লা। জাপানের সুমিতমো করপোরেশনের সাথে চুক্তি শেষ হওয়ার পর মেঘনা গ্রুপের আমদানি করা এটিই প্রথম কয়লার চালান।

ওই কয়লা দিয়েই উৎপাদন শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন মজুমদার।

তিনি জানান, শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা যেহেতু কম, তাই একটি ইউনিট চালু করা হয়েছে। চাহিদা বাড়লে জানুয়ারির দিকে উৎপাদন বাড়তে পারে।

এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১২শ মেগাওয়াট। প্রকল্পের একটি ইউনিট ২০২৩ সালের জুলাই ও অপর ইউনিট ডিসেম্বরে চালু হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, সুমিতমো করপোরেশন কয়লার সর্বশেষ সরবরাহ দিয়েছিল গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে। উৎপাদন শুরুর পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে আনা হয়েছিল মোট ২২ লাখ ৫ হাজার টন কয়লা।

সেই মজুত পুরোপুরি শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ৩১ অক্টোবর থেকে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দুই ইউনিটেরই উৎপাদন কার্যক্রম।