ঢাকা ০৯:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo যবিপ্রবি প্রবাহ সাংস্কৃতিক সংঘের নেতৃত্বে প্রতনু-ফাহিম Logo জুরাইনে গুলিতে সিএনজি চালক হত্যা : প্রধান আসামি বাপ্পারাজ গ্রেফতার  Logo চলন্ত বাসে বাঙলা কলেজের ছাত্রীকে রাতভর গণধর্ষণ, চালক-হেলপারসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo জাবিতে ইংরেজি বিভাগের ক্লাসরুম সংকট সমাধানের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি Logo প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক সন্ধ্যায় Logo হাবিপ্রবি ছায়া জাতিসংঘের নেতৃত্বে নাবিলা-ফারিশতা Logo ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা রাশিয়ার Logo ছুটির বিকালে ঢাকার মধ্যে ঘুরতে পারেন ৫ স্থানে Logo রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান বিচারপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo ‘ন্যাশনাল সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন হাবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থী

এক মাস পর মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরু

এক মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় উৎপাদনে ফিরেছে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। আজ (শনিবার, ৩০ নভেম্বর) বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো ৬শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে দায়িত্ব রত কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন মজুমদার।

এর আগে কয়লা সংকট কেটে যাওয়ায় ১ ডিসেম্বর থেকে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরুর বিষয়ে জানানো হয়েছিল। সে সময় বলা হয়, কয়লা সংকট কেটে যাওয়ায় কক্সবাজারের মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এক মাস পর আবারো উৎপাদনে যাচ্ছে। ১ ডিসেম্বর থেকে উৎপাদন শুরুর লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে গত বুধবার (২৭ নভেম্বর) ইন্দোনেশিয়া থেকে পানামার পতাকাবাহী একটি জাহাজে করে আনা হয়েছে ৭০ হাজার টন কয়লা। জাপানের সুমিতমো করপোরেশনের সাথে চুক্তি শেষ হওয়ার পর মেঘনা গ্রুপের আমদানি করা এটিই প্রথম কয়লার চালান।

ওই কয়লা দিয়েই উৎপাদন শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন মজুমদার।

তিনি জানান, শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা যেহেতু কম, তাই একটি ইউনিট চালু করা হয়েছে। চাহিদা বাড়লে জানুয়ারির দিকে উৎপাদন বাড়তে পারে।

এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১২শ মেগাওয়াট। প্রকল্পের একটি ইউনিট ২০২৩ সালের জুলাই ও অপর ইউনিট ডিসেম্বরে চালু হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, সুমিতমো করপোরেশন কয়লার সর্বশেষ সরবরাহ দিয়েছিল গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে। উৎপাদন শুরুর পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে আনা হয়েছিল মোট ২২ লাখ ৫ হাজার টন কয়লা।

সেই মজুত পুরোপুরি শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ৩১ অক্টোবর থেকে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দুই ইউনিটেরই উৎপাদন কার্যক্রম।

জনপ্রিয়

যবিপ্রবি প্রবাহ সাংস্কৃতিক সংঘের নেতৃত্বে প্রতনু-ফাহিম

এক মাস পর মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরু

প্রকাশিত ০৮:৫০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪

এক মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় উৎপাদনে ফিরেছে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। আজ (শনিবার, ৩০ নভেম্বর) বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো ৬শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে দায়িত্ব রত কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন মজুমদার।

এর আগে কয়লা সংকট কেটে যাওয়ায় ১ ডিসেম্বর থেকে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরুর বিষয়ে জানানো হয়েছিল। সে সময় বলা হয়, কয়লা সংকট কেটে যাওয়ায় কক্সবাজারের মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এক মাস পর আবারো উৎপাদনে যাচ্ছে। ১ ডিসেম্বর থেকে উৎপাদন শুরুর লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে গত বুধবার (২৭ নভেম্বর) ইন্দোনেশিয়া থেকে পানামার পতাকাবাহী একটি জাহাজে করে আনা হয়েছে ৭০ হাজার টন কয়লা। জাপানের সুমিতমো করপোরেশনের সাথে চুক্তি শেষ হওয়ার পর মেঘনা গ্রুপের আমদানি করা এটিই প্রথম কয়লার চালান।

ওই কয়লা দিয়েই উৎপাদন শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন মজুমদার।

তিনি জানান, শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা যেহেতু কম, তাই একটি ইউনিট চালু করা হয়েছে। চাহিদা বাড়লে জানুয়ারির দিকে উৎপাদন বাড়তে পারে।

এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১২শ মেগাওয়াট। প্রকল্পের একটি ইউনিট ২০২৩ সালের জুলাই ও অপর ইউনিট ডিসেম্বরে চালু হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, সুমিতমো করপোরেশন কয়লার সর্বশেষ সরবরাহ দিয়েছিল গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে। উৎপাদন শুরুর পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে আনা হয়েছিল মোট ২২ লাখ ৫ হাজার টন কয়লা।

সেই মজুত পুরোপুরি শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ৩১ অক্টোবর থেকে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দুই ইউনিটেরই উৎপাদন কার্যক্রম।