ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo শাওমি নিয়ে এসেছে ফাইন্যান্স-গ্রেড এনক্রিপশন প্রটেকশন ফিচার যুক্ত স্মার্ট ক্যামেরা সি২০১ ও সি৩০১, আউটডোর ক্যামেরা সিডব্লিউ১০০ ডুয়েল Logo বর্ষায় কেমন হবে বিয়ের সাজ? Logo জাবিতে ‘কাল রাত্রি’ পালন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের স্মরণ Logo ‘দ্য প্রেসিডেন্ট হ্যাজ বিন কিলড’: ৪৫ বছর পর ধরা পড়লেন জিয়া হত্যার সেই মেজর মোজাফফর Logo শিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য হলেন নোবিপ্রবি শিবির সভাপতি Logo রাবিতে নবীন শিক্ষক-গবেষকদের দক্ষতা বিকাশে আইকিউএসি’র বিশেষ সেমিনার Logo ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটিতে বাকৃবির তিন ছাত্রনেতা Logo জাবিতে দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদারের অঙ্গীকার তরুণ সংগঠকদের Logo শিল্পবিপ্লবের প্রেক্ষাপটে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন নিয়ে কুবিতে সেমিনার Logo কুবির কলা এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ১৪০ শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি

এক মাস পর মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরু

এক মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় উৎপাদনে ফিরেছে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। আজ (শনিবার, ৩০ নভেম্বর) বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো ৬শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে দায়িত্ব রত কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন মজুমদার।

এর আগে কয়লা সংকট কেটে যাওয়ায় ১ ডিসেম্বর থেকে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরুর বিষয়ে জানানো হয়েছিল। সে সময় বলা হয়, কয়লা সংকট কেটে যাওয়ায় কক্সবাজারের মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এক মাস পর আবারো উৎপাদনে যাচ্ছে। ১ ডিসেম্বর থেকে উৎপাদন শুরুর লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে গত বুধবার (২৭ নভেম্বর) ইন্দোনেশিয়া থেকে পানামার পতাকাবাহী একটি জাহাজে করে আনা হয়েছে ৭০ হাজার টন কয়লা। জাপানের সুমিতমো করপোরেশনের সাথে চুক্তি শেষ হওয়ার পর মেঘনা গ্রুপের আমদানি করা এটিই প্রথম কয়লার চালান।

ওই কয়লা দিয়েই উৎপাদন শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন মজুমদার।

তিনি জানান, শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা যেহেতু কম, তাই একটি ইউনিট চালু করা হয়েছে। চাহিদা বাড়লে জানুয়ারির দিকে উৎপাদন বাড়তে পারে।

এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১২শ মেগাওয়াট। প্রকল্পের একটি ইউনিট ২০২৩ সালের জুলাই ও অপর ইউনিট ডিসেম্বরে চালু হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, সুমিতমো করপোরেশন কয়লার সর্বশেষ সরবরাহ দিয়েছিল গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে। উৎপাদন শুরুর পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে আনা হয়েছিল মোট ২২ লাখ ৫ হাজার টন কয়লা।

সেই মজুত পুরোপুরি শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ৩১ অক্টোবর থেকে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দুই ইউনিটেরই উৎপাদন কার্যক্রম।

জনপ্রিয়

শাওমি নিয়ে এসেছে ফাইন্যান্স-গ্রেড এনক্রিপশন প্রটেকশন ফিচার যুক্ত স্মার্ট ক্যামেরা সি২০১ ও সি৩০১, আউটডোর ক্যামেরা সিডব্লিউ১০০ ডুয়েল

এক মাস পর মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরু

প্রকাশিত ০৮:৫০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪

এক মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় উৎপাদনে ফিরেছে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। আজ (শনিবার, ৩০ নভেম্বর) বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো ৬শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে দায়িত্ব রত কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন মজুমদার।

এর আগে কয়লা সংকট কেটে যাওয়ায় ১ ডিসেম্বর থেকে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরুর বিষয়ে জানানো হয়েছিল। সে সময় বলা হয়, কয়লা সংকট কেটে যাওয়ায় কক্সবাজারের মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এক মাস পর আবারো উৎপাদনে যাচ্ছে। ১ ডিসেম্বর থেকে উৎপাদন শুরুর লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে গত বুধবার (২৭ নভেম্বর) ইন্দোনেশিয়া থেকে পানামার পতাকাবাহী একটি জাহাজে করে আনা হয়েছে ৭০ হাজার টন কয়লা। জাপানের সুমিতমো করপোরেশনের সাথে চুক্তি শেষ হওয়ার পর মেঘনা গ্রুপের আমদানি করা এটিই প্রথম কয়লার চালান।

ওই কয়লা দিয়েই উৎপাদন শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন মজুমদার।

তিনি জানান, শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা যেহেতু কম, তাই একটি ইউনিট চালু করা হয়েছে। চাহিদা বাড়লে জানুয়ারির দিকে উৎপাদন বাড়তে পারে।

এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১২শ মেগাওয়াট। প্রকল্পের একটি ইউনিট ২০২৩ সালের জুলাই ও অপর ইউনিট ডিসেম্বরে চালু হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, সুমিতমো করপোরেশন কয়লার সর্বশেষ সরবরাহ দিয়েছিল গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে। উৎপাদন শুরুর পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে আনা হয়েছিল মোট ২২ লাখ ৫ হাজার টন কয়লা।

সেই মজুত পুরোপুরি শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ৩১ অক্টোবর থেকে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দুই ইউনিটেরই উৎপাদন কার্যক্রম।